শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ মার্চ, ২০২১ ২৩:৪০

দলীয় আনুগত্যের প্রতিযোগিতা

----- অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী

দলীয় আনুগত্যের প্রতিযোগিতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অতিমাত্রায় দলের আনুগত্য প্রদর্শন করার লক্ষ্যে শিক্ষকরা যে ভূমিকা পালন করছেন তা প্রশংসনীয় নয়। মনে হচ্ছে, দলের প্রতি আনুগত্যের একটি প্রতিযোগিতা চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে। কে কার থেকে বেশি অনুগত এটা দেখাচ্ছেন তারা। এটি দেখাতে গিয়ে তারা নিজেরও ক্ষতি করছেন, দেশেরও ক্ষতি হচ্ছে, দলেরও ক্ষতি হচ্ছে। এসব থেকে শিক্ষকদের বিরত থাকা উচিত। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. এ কে আজাদ চৌধুরী আরও বলেন, যে কোনো দেশেই শিক্ষকরা রাজনীতির ঊর্ধ্বে নন, পথপ্রদর্শক। ইকোনমিক পলিসি, হেলথ পলিসি, এডুকেশন পলিসি, সামাজিক উন্নয়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে রাজনীতি তো আছেই। আদর্শের দিক থেকে এসব নীতিনির্ধারণী ভূমিকা রাখবেন এটি প্রত্যাশা করে সবাই। তবে সেটিকে অতিক্ষুদ্র দৃষ্টিতে দেখলে, দলের প্রতি আনুগত্য বেশি হয়ে যায়। তিনি বলেন, শিক্ষকরা রাজনীতির অনুসরণ করবেন, উপদেশ দেবেন, সমালোচনাও করবেন, কিন্তু তাদের নৈতিক অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এটি সব সময়ই খেয়াল রাখা উচিত। কারণ শিক্ষকরা আদর্শের পেশায় রয়েছেন। বুদ্ধিবিবেচনাহীন কাজ যেন না হয় সেটি খেয়াল রাখতে হবে।

এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, উপাচার্যের চেয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ চেয়ার। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্ণধারের  নিষ্কলঙ্ক থাকা সবার প্রত্যাশিত। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে যারা স্বার্থকে তুচ্ছ করে জ্ঞানসাধনায় নিয়োজিত থাকেন, প্রশাসনিক দক্ষতা ও একাডেমিক দক্ষতা রয়েছে তাদেরই নিয়োগ দেওয়া উচিত। দলে সম্পৃক্ত থাকতে পারে বা দলের শুভানুধ্যায়ী হতে পারে, তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়া কার্যকর থাকতে হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর