শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ আগস্ট, ২০২১ ২৩:১৬

কাবুল ছেড়ে দোহায় ১২ বাংলাদেশি ও আফগান নারী শিক্ষার্থীরা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Google News

আফগানিস্তানে আটকে পড়া ১২ বাংলাদেশি ও চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনে অধ্যয়নরত দেড় শতাধিক আফগান নারী শিক্ষার্থী কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছেছেন। এর মধ্যে আফগান ওয়্যারলেসে চাকরি করা ছয়জন প্রকৌশলী শুক্রবার রাতে দোহায় পৌঁছেন। ব্র্যাকে কাজ করা ছয় বাংলাদেশি ও চট্টগ্রামে পড়াশোনা করা দেড় শতাধিক আফগান নারী শিক্ষার্থী গত রাতে দোহায় পৌঁছেন। শিগগিরই তারা একটি চার্টার্ড বিমানে বাংলাদেশে আসবেন। কাবুল ছেড়ে আসা ইঞ্জিনিয়ার রাজীব বিন ইসলাম গত সন্ধ্যায় দোহা থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠান আফগান ওয়্যারলেস কোম্পানির সহায়তা ও আয়োজনে আমরা ছয়জন শুক্রবার কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে পারি। সেখানে মার্কিন দূতাবাস ও ইউএস আর্মির সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্য নাগরিকদের সঙ্গে আমরা মার্কিন সামরিক বিমানে উঠে কাবুল ত্যাগ করে দোহায় পৌঁছি। দোহা পৌঁছানোর পর আমরা ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। মন্ত্রণালয় থেকে কাতারের বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দূতাবাস কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমাদের বাংলাদেশে পৌঁছানোর বিষয়ে দূতাবাস সহযোগিতা করছে। আমরা ছয়জনই নিরাপদ ও সুস্থ আছি।’ আফগানিস্তান থেকে ব্র্যাক কর্মী মিজানুর রহমান গত সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা ব্র্যাকের ছয় কর্মী অনেক জিজ্ঞাসাবাদের পর আজ (শনিবার) বিকাল ৩টায় কাবুল বিমানবন্দরে প্রবেশের অনুমতি পাই। বিমানবন্দরে ঢোকার আগে তালেবানরা কঠোরভাবে চেক করেছে। আমরা এখন বিমানবন্দরের ভিতরে অবস্থান করছি। যে কোনো সময় আমাদের বিমানের ব্যবস্থা হবে এবং আমরা কাবুল ত্যাগ করব।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে থাকা ১৫ জনের মধ্যে তিনজন কাবুলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ভয়ে বিমানবন্দরে আসেননি। তারা ব্র্যাকের বাসস্থানে নিরাপদে আছেন।’ ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশে পড়াশোনা করা চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনের শিক্ষার্থীরা দোহায় পৌঁছেছেন। তারা সবাই দোহায় ইউএস মিলিটারি বেজে আছেন। তাদের শিগগিরই বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে।’ সূত্র জানান, আফগান ১৬০ শিক্ষার্থীর মধ্যে কয়েকজন দোহায় আসতে পারেননি। যারা এসেছেন তাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর বিমানের ব্যবস্থা করেছে। সে বিমান সরাসরি কাবুল থেকে চট্টগ্রাম চলে আসতে পারে।