শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০১:৫৩, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধের মতো সুরক্ষা থাকবে জুলাই যোদ্ধাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
মুক্তিযুদ্ধের মতো সুরক্ষা থাকবে জুলাই যোদ্ধাদের

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা থাকবে। সব দলের ঐকমত্যে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকারনামা মেনে চলবে সরকার। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার রাজাকার হত্যার বিচার যেমন সম্ভব নয়, তেমনি জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ে জনগণের প্রতিরোধে যারা নিহত হয়েছেন, তা যুদ্ধের ময়দানের বিচার। গতকাল সোমবার ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের চতুর্থ দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারের এ অবস্থান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চান, গত ১৬ বছর পুলিশ বাহিনীর যারা আইন অমান্য করে যা কিছু করেছে, জুলাইয়ে যারা স্বপ্রণোদিত হয়ে হত্যাযজ্ঞে অংশ নিয়েছে, মানুষের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন করেছে, এর বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভাগীয় পদক্ষেপ নেবে কি না? আওয়ামী লীগ ‘পুলিশ হত্যার’ নামে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উদ্যোগ আছে কি না? জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জুলাইযোদ্ধাদের আইনি এবং সাংবিধানিক সুরক্ষায় জুলাই জাতীয় সনদে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি। অন্তর্বর্তী সরকারের ‘জুলাইযোদ্ধা সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ জারি করা হয়েছে। যা সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি বিল আকারে পাস করাতে একমত হয়েছি। ‘পুলিশ হত্যার বিচার’ হবে বলে সামাজিক মাধ্যমে যে প্রচার রয়েছে তা নাকচ করে সালাহউদ্দিন বলেছেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী সোশ্যাল মিডিয়ায় যেসব হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি করছে, সে বিষয়ে আগেও বলেছি, তাহলে তো মুক্তিযোদ্ধাদেরও বিচার করা হবে যারা ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল। গণ অভ্যুত্থানের সময় যারা হানাদার বাহিনীর মতো আন্দোলনকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালিয়েছে, তারা জনতার প্রতিরোধের মুখে কেউ কেউ প্রাণ হারিয়েছে, কেউ আহত হয়েছে, কিন্তু সেটা যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা হয়ে গেছে।

জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রতিরোধে কেউ হতাহত হয়ে থাকলে এর বিচার হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হত্যাযজ্ঞের বিচার হবে ঘোষণা করে তিনি বলেছেন, পুলিশের বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিছু মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এবং কিছু সাধারণ আদালতে রয়েছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এবং তার সহযোগী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলার রায় হয়েছে। আদালত স্বাধীনভাবে বিচার পরিচালনা করবে। সরকার হস্তক্ষেপ করবে না। এ দেশে সব গুম, খুন, হত্যাকাণ্ড এবং গণহত্যার বিচার হবেই। সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ নিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে নির্যাতন, নেতা-কর্মীদের ধরে নিয়ে পা ভেঙে ফেলা, অসুস্থ করে দেওয়া এই কালচার ছিল। এরপরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা দেখলাম মব কালচার। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এ মবের খপ্পরে পড়ে তিন শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন- যেহেতু একটা খারাপ কালচার বাংলাদেশে শুরু হয়েছে এবং আমি নিজেও একুশে ফেব্রুয়ারি সেটার একজন ভুক্তভোগী। সেটা বন্ধ করার ব্যাপারে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে? উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যত পরিসংখ্যান তিনি দিয়েছেন তা আমার কাছে নেই। আমরা দায়িত্ব নিয়েছি দেড় মাস হয়নি। এর মধ্যে ঠিক মব নয়, মবের মতো, কারণ এখানে ডেফিনেশন আলাদা করতে হবে।

তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং সেটা তদন্ত হয়, গ্রেপ্তার হয় এবং বিচারের জন্য সোপর্দ করা হয়। স্পষ্ট উচ্চারণ আমরা করেছি, দায়িত্ব নেওয়ার পরে বাংলাদেশে কোনো রকমের মব কালচার আর থাকবে না। রাস্তায় যেকোনো দাবি নিয়ে মহাসড়ক সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের যে প্রবণতা ইন্টেরিম গভমেন্টের সময় দেখা গেছে ক্ষেত্রবিশেষে সে গভর্নমেন্টের দুর্বলতার কারণে ইন্সপায়ারড হয়েছে সেটাকে আমরা কখনো অ্যালাউ করব না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি থাকবে। সেই দাবির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে, মন্ত্রণালয়ের কাছে, ডিপার্টমেন্টের কাছে অবশ্যই দাবিনামা স্মারক দেওয়া যাবে। সেজন্য জনমত সৃষ্টির জন্য সেমিনার সিম্পোজিয়াম আয়োজন এবং প্রয়োজনে সেটা একটা জনসমাবেশের মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে।

বিএনপির এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্নে বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলায় নিষ্পত্তি হয়নি। মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেতা-কর্মীদের হয়রানির হাত থেকে রক্ষা করা উচিত। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পুলিশ নির্যাতন করে একজন যুবদল নেতাকে অন্ধ করে দিয়েছে। আরেকজন রাস্তায় নিহত হন। এ মামলায় পুলিশের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত সব গায়েবি মামলা, মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা, গুম, খুন, অপহরণসহ অনাচার-অবিচার এ দেশের জনগণের ওপর হয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে পুলিশ বাহিনীর কিছু কিছু সদস্য তা করেছে। টাঙ্গাইলের ঘটনাটি দুঃখজনক। মামলা দায়ের করা হয়েছে। অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত নোটিস পেলে অবহিত করতে পারব।

মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সালাহউদ্দিন বলেছেন, কিছু মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সরকারি দল, বিরোধী দলসহ অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা কিছু সংখ্যক মামলা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাইবাছাই করে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
পরমাণু পরিদর্শক পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘না’
পরমাণু পরিদর্শক পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘না’
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ২৩ শতাংশ
বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ২৩ শতাংশ
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা জাতির জন্য ব্যর্থতা
নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা জাতির জন্য ব্যর্থতা
ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে পিস্তল বিক্রি!
ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে পিস্তল বিক্রি!
মেসিই সর্বকালের সেরা
মেসিই সর্বকালের সেরা
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কাজ নেই
সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কাজ নেই
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে হাদি হত্যাসহ তিন ইস্যু
সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে হাদি হত্যাসহ তিন ইস্যু
সর্বশেষ খবর
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা
৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?
চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?

১৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

১১৪ ঘণ্টা পর সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
১১৪ ঘণ্টা পর সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ
আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

‘হতে পারে আমি ভুক্তভোগীদের পাশেই ছিলাম’, এপস্টাইন ইস্যুতে বিল গেটসের স্বীকারোক্তি
‘হতে পারে আমি ভুক্তভোগীদের পাশেই ছিলাম’, এপস্টাইন ইস্যুতে বিল গেটসের স্বীকারোক্তি

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর লক্ষ্য নকআউট, হাইতির সামনে সম্মান রক্ষার লড়াই
মরক্কোর লক্ষ্য নকআউট, হাইতির সামনে সম্মান রক্ষার লড়াই

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিরক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না ইরান
প্রতিরক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না ইরান

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা
গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা

৩২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট
মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট

৩৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে বিদ্যালয়টি, শিক্ষার্থী কমেছে তিন ভাগেরও বেশি
জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে বিদ্যালয়টি, শিক্ষার্থী কমেছে তিন ভাগেরও বেশি

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, পেনাল্টি না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা
রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, পেনাল্টি না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী
জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী

৪৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিরতির পরে খেলবেন নেইমার, চোটে ছিটকে গেলেন রাফিনহা
স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিরতির পরে খেলবেন নেইমার, চোটে ছিটকে গেলেন রাফিনহা

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে ফ্রান্স, ইউরোপেও স্বস্তি নেই
রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে ফ্রান্স, ইউরোপেও স্বস্তি নেই

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় সর্বজনীন পেনশন মেলা উদ্বোধন
চুয়াডাঙ্গায় সর্বজনীন পেনশন মেলা উদ্বোধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী আটক
মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী
দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই জমজমাট
মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই জমজমাট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত
চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটের লড়াইয়ে একাদশে পরিবর্তন আনবে দক্ষিণ কোরিয়া
নকআউটের লড়াইয়ে একাদশে পরিবর্তন আনবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাত দিয়ে টানতেই উঠছে নতুন রাস্তার পিচ, কাজ বন্ধ করে দিলো জনতা
হাত দিয়ে টানতেই উঠছে নতুন রাস্তার পিচ, কাজ বন্ধ করে দিলো জনতা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার
রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে না : মন্ত্রী
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে না : মন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির ফিটনেসে মুগ্ধ রোনালদো
মেসির ফিটনেসে মুগ্ধ রোনালদো

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি কেন সেদিন চটে গিয়েছিলেন?
মেসি কেন সেদিন চটে গিয়েছিলেন?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ