শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর, ২০২০ ১৭:২৮
আপডেট : ২৩ নভেম্বর, ২০২০ ১৭:৩২
প্রিন্ট করুন printer

তোপের মুখে ফড়নবীশ, ‘করাচির আগে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ফেরান’

অনলাইন ডেস্ক

তোপের মুখে ফড়নবীশ, ‘করাচির আগে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ফেরান’

‘দ্রুত করাচি ভারতের অংশ হয়ে যাবে।’ মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের এই মন্তব্য ঘিরে উত্তাল মারাঠা রাজনীতি। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতা ফড়নবীশকে পাল্টা দিলেন শিবসেনা মুখপত্র সাংসদ সঞ্জয় রাউত। বললেন, ‘আগে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ফেরাক। তারপর ভারতীয় জনতা পার্টি করাচি নিয়ে কথা বলবে।’

গত বৃস্পতিবার মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় অবস্থিত ‘করাচি সুইটস’-এর নাম পরিবর্তন করে ভারতীয় নাম রাখার জন্য হুমকি দিয়েছিল শিবসেনা। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই শনিবার মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলনেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ বলেন, ‘শীঘ্রই পাকিস্তানের করাচি ভারতের অংশ হয়ে যাবে।’

বান্দ্রায় অবস্থিত ‘করাচি সুইটস’-এর নাম পরিবর্তন করে মহারাষ্ট্রীয় কোনও নাম রাখার জন্য জোরাজুরি করছিল শিবসেনা নেতা নন্দগাওকর। এর জন্য সময়ও দিতে প্রস্তুত ছিল সেনা শিবির। সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিওতে এই কথোপকথন তা ছড়িয়ে পড়েছিল। তারপরই সরগরম হয়ে ওঠে মারাঠা রাজনীতি।

এ প্রসঙ্গে শিবসেনার পক্ষ থেকে মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেছেন, ‘করাচি সুইটস’-এর নাম পরিবর্তন দলের অফিসিয়াল অবস্থান নয়। টুইটারে তিনি পোস্ট করেন, ‘গত ৬০ বছর ধরে মুম্বাইতে করাচি বেকারি ও করাচি সুইটস রয়েছে। ওদের সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও যোগ নেই। এখন তাদের দোকানের নাম বদল করতে বলারও কোনও মানে হয় না। ওই দু’টো দোকানের নাম বদল করার বিষয়টি শিবসেনার দলীয় অবস্থান নয়।’

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:১৫
প্রিন্ট করুন printer

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনতে সুপ্রিম কোর্টের অস্বীকৃতি

অনলাইন ডেস্ক

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনতে সুপ্রিম কোর্টের অস্বীকৃতি

ক্ষমতায় নেই তাই সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনবেন না মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। স্থানীয় সময় সোমবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এ অস্বীকৃতি জানান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিদেশি সরকার থেকে মুনাফা করতে পারবেন না। এ বিষয়ে দেশটির সংবিধানে বিধি আছে। বিধিটি ট্রাম্প লঙ্গন করেছেন কী না- সে বিষয়েই অভিযোগটি তোলা হয়েছিল।

মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অভিযোগ শুনতে শুধু অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, তা নয়।  ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেওয়া মতামত মুছে ফেলতে নিম্ন আদালতকেও নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ ট্রাম্প আর ক্ষমতায় নেই।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত সাবেক প্রেসিডেন্টদের বিচার হয় না। যদিও ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় ঘটছে। তাকে চলতি জানুয়ারি মাসেই দ্বিতীয়বারের মতো অভিসংশিত করে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ। এবার সিনেটে তাকে অভিসংশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 

গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল মানতে না পারলেও গত ২০ জানুয়ারি হোয়াইট হাউজ ছেড়ে চলে যান ট্রাম্প। একই দিন ক্ষমতাগ্রহণের পর পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে জো বাইডেন প্রশাসন।   

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

কাশ্মীরে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ভারতীয় পাইলট নিহত

অনলাইন ডেস্ক

কাশ্মীরে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ভারতীয় পাইলট নিহত

ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় দেশটির সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে এক পাইলট নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অপর পাইলটকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় পাঞ্জাবের পাঠানকোট থেকে সেনাবাহিনীর ওই হেলিকপ্টারটি কাশ্মীরে আসার পথে কাঠুয়া জেলার লাখানপুরে দুর্ঘটনায় পড়ে। 

ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, জরুরি অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে গুরুতর আহত হেলিকপ্টারের দুই পাইলটকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক এক পাইলটকে মৃত ঘোষণা করেন। আরেকজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, আকাশে হেলিকপ্টারটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা যায়। এরপর অবতরণের সময় তা দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:২৪
প্রিন্ট করুন printer

‘নতুন স্নায়ু যুদ্ধের’ বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সতর্ক করলেন চীনা প্রেসিডেন্ট

অনলাইন ডেস্ক

 ‘নতুন স্নায়ু যুদ্ধের’ বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সতর্ক করলেন চীনা প্রেসিডেন্ট
শি জিনপিং

বিশ্ব সম্প্রদায়কে ‘নতুন স্নায়ু যুদ্ধের’ বিষয়ে সতর্ক করলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। 

সোমবার দাভোসের ভার্চুয়াল সম্মেলনে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে মহামারী নির্মূল অসম্ভব। সেক্ষেত্রে চীনকে বর্জনের মাধ্যমে কেবল সংঘাতই বাড়বে।

শি জিনপিং বলেন, আমাদের সবাইকে নিঃসংকোচে মহামারী মোকাবেলায় অংশ নিতে হবে। সবাই যদি বর্জনের মন-মানসিকতা নিয়ে এগোই, তাহলে ‘নতুন স্নায়ু যুদ্ধ’ বেশি দূরে নয়।

শি জিনপিং আরও বলেন, করোনাভাইরাস নির্মূলে সবাইকে জোটবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কারণ হুমকি-হুঁশিয়ারি বা নিষেধাজ্ঞা শুধু দেশে-দেশে বিভাজনই সৃষ্টি করবে, বাড়াবে সংঘাত। মানবিকতা না বাড়ালে যেকোনও সংকটের সমাধান অসম্ভব।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:০৯
প্রিন্ট করুন printer

পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে দিল্লিতে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল

অনলাইন ডেস্ক

পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে দিল্লিতে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল

তিন বিতর্কিত কৃষি আইনের প্রতিবাদে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজধানী দিল্লিতে সকাল থেকেই কৃষকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। কথা ছিল স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার পর শুরু হবে ট্রাক্টর মিছিল। কিন্তু সকাল সাড়ে ৮টার দিকেই সিংঘু সীমান্তে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন কৃষকরা। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ট্রাক্টর নিয়ে দিল্লিরেতে ঢুকতে শুরু কছেন তারা। হাজার হাজার কৃষক ট্রাক্টর নিয়ে সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই মিছিল শুরু করে দেন।

ট্রাক্টর র‍্যালি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে কৃষকদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি সামলাতে কাঁদানে গ্যাসও নিক্ষেপ করে পুলিশ। 

ভারতীয় গণমাধ্যম জানা যায়, প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে তিনটি নির্দিষ্ট রাস্তায় কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল করার অনুমতি দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু মঙ্গলবার সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে সকাল সকাল মিছিল শুরু করে দেন কৃষকরা। পুলিশ বারবার অনুরোধ করে ধীর গতিতে এগোতে। কিন্তু সিংঘু সীমানায় ৫ হাজার কৃষকের জমায়েতের সামনে উপস্থিত সামান্য সংখ্যায় পুলিশকর্মীরা রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন।

পশ্চিম দিল্লি সীমান্তে, টিকরি সীমান্তেও ছবিটা কিছুটা একই রকম ছিল সকাল থেকে। যদিও সেখানে কৃষক নেতারা ঘোষণা করেন, প্রতিবাদীরা যেন শান্তি বজায় রাখেন। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তারা নিয়ম মেনে ট্রাক্টর মিছিল শুরু করবেন।

নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে সকাল থেকেই হাজার হাজার কৃষক জড়ো হয়েছেন দিল্লির বিভিন্ন সীমান্তে। দিল্লি পুলিশ রাজপথে সরকারি প্যারেডের পর কৃষকদের মিছিল শুরু করার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত কৃষকরা সকাল থেকেই শুরু করে দিয়েছেন প্রতিবাদ। যা পরে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: আনন্দবাজার।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

১৫ আগস্ট স্বাধীন হলেও কেন ২৬ জানুয়ারিই প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করে ভারত?

অনলাইন ডেস্ক

১৫ আগস্ট স্বাধীন হলেও কেন ২৬ জানুয়ারিই প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করে ভারত?

সেই ১৯৫০ সাল থেকে শুরু করে প্রত্যেক বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস। কিন্তু কেন? কী জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটি?

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীন হয় ভারতবর্ষ। তবে সেই দিনটি ভারতীয়রা বেছে নেননি। বরং লর্ড মাউন্টব্যাটন নিজেদের ইচ্ছেমতো ১৫ আগস্ট দিনটি বেছে নেয় ভারতকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করার জন্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই দিনই জাপান মিত্রশক্তির কাছে হার মানে। সেজন্যই ১৫ আগস্ট দিনটি বেছে নেয় ব্রিটিশ সরকার। তবে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট দেশ স্বাধীন হলেও ভারতের নিজস্ব কোনও সংবিধান ছিল না। সেই সংবিধানই রচিত হয় এবং ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর তা গৃহীত হয়। সেই সময় সংবিধান রচয়িতারা ঠিক করেন যে, ভারতের প্রজাতন্ত্র হয়ে ওঠা কোনও বিশেষ একটি দিনে উদযাপন করা উচিত। সেই কারণেই বেছে নেওয়া হয় ২৬ জানুয়ারি দিনটিকে। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়।

কিন্তু কেন ২৬ জানুয়ারিকেই বেছে নেওয়া হল? কেন অন্য কোনও দিন নয়?

ঐতিহাসিক মাহাত্ম্যের বিচারে বেছে নেওয়া হয় ২৬ জানুয়ারিকেই। এই কারণেই ২৬ জানুয়ারি পরিচিত হতে শুরু করল ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে। কেন ২৬ জানুয়ারিই বেছে নেওয়া হল প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে?  ১৯২৯ সালের বর্ষশেষে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে ‘পূর্ণ স্বরাজ’ আনার শপথ ঘোষণার পর ১৯৩০ সাল থেকে ২৬ জানুয়ারিকেই স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে ঔপনিবেশিক শাসনের শিকল ভেঙে ভারত যেদিন বাস্তবেই স্বাধীনতার মুখ দেখল- সেইদিন ঘটনাচক্রে ছিল ১৫ আগস্ট। যার ফলে পাল্টে গিয়েছিল ২৬ জানুয়ারির গুরুত্বও।

দীর্ঘ স্বাধীনতা আন্দোলনের পরে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পায়। ব্রিটিশ ভারত ভেঙে গিয়ে কমনওয়েলথ অব নেশমস-এর অন্তর্গত অধিরাজ্য হিসেবে দু’টি স্বাধীন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের জন্ম হয়। ১৯৪৭ সালের ২৮ আগস্ট ভারতের একটি স্থায়ী সংবিধান রচনার জন্য ড্রাফটিং কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন বি আর অম্বেদকর। 

১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর একটি খসড়া সংবিধান প্রস্তুত করে গণপরিষদে জমা দেয়। চূড়ান্তভাবে সংবিধান গৃহীত হওয়ার আগে ২ বছর ১১ মাস ১৮ দিনব্যাপী গণপরিষদ এই খসড়া সংবিধান আলোচনার জন্য ১৬৬ বার অধিবেশন ডাকে। এই সমস্ত অধিবেশনে জনসাধারণের প্রবেশের অধিকার ছিল। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর স্বাধীন ভারতের সংবিধান গৃহীত হয়। তারপর ঠিক করা হয় ১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রথম স্বাধীনতা দিবস পালনের সেই দিনটিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ভারতের সংবিধান কার্যকর হবে এবং সেদিন থেকে প্রজাতান্ত্রিক ভারতবর্ষ হিসেবে পরিচিত হবে।

বহু বিতর্ক ও কিছু সংশোধনের পর ২৪ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে গণপরিষদের ৩০৮ জন সদস্য চূড়ান্ত সংবিধানের হাতে-লেখা দু’টি নথিতে (একটি ইংরেজি ও অপরটি হিন্দি) স্বাক্ষর করেন। এর দু’দিন পর ভারতে এই সংবিধান কার্যকর হয়। সূত্র: এবিপি আনন্দ

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর