Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০১:৩৬

স্থানীয় যুবকের ছুরিকাঘাতে রাবি ছাত্রলীগ নেতা আহত

রাবি প্রতিনিধি

স্থানীয় যুবকের ছুরিকাঘাতে রাবি ছাত্রলীগ নেতা আহত
আটক আরিফ ইসতিয়াক রোমেল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইমতিয়াজ আহমেদ নামে শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাকে ছুরিকাঘাত করেছেন স্থানীয় কয়েক যুবক। এ ঘটনায় এক যুবককে আটকে রেখে মারধর করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশি পাহারায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রোববার রাত ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পাশে ছুরিকাঘাতের এ ঘটনা ঘটে।

আহত ইমতিয়াজ আহমেদ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন। 

ছাত্রলীগের মারধরের শিকার স্থানীয় যুবক আরিফ ইসতিয়াক রোমেল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সান্ধ্য কোর্সের (মাস্টার্স) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ছাত্রলীগের কর্মী বলে দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রলীগের একাধিক নেতা-কর্মী জানায়, রাত ৮ টার দিকে বঙ্গবন্ধু হলের পাশে দোকানে নাস্তা খাচ্ছিলো সহ-সভাপতি গোলাম সারোয়ার ও ইমতিয়াজ। এসময় বহিরাগত বেশ কয়েকজন এসে হঠাৎ ইমতিয়াজের গলায় ছুরি মেরে পালিয়ে যায়। পালানোর সময় রোমেলকে আটক করে বঙ্গবন্ধু হলের অতিথি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রাখে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। এরপর রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে বের করা হয়। 

সুত্র জানায়, এদিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটে মোটরসাইকেলে ধাক্কাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান ইমতিয়াজ। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। সেসময় বাঁধন নামে স্থানীয় এক যুবকের মাথা ফেটে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরে ইমতিয়াজের ওপর এ হামলা চালানো হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, স্থানীয় কয়েকজন যুবক এসে আমাদের সাংগঠনিক সম্পাদককে ছুরিকাঘাত করেছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে ভেবে দেখব। তবে কাজলার ঘটনা আর এই ঘটনা এক কি না সেটা আমরা জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। আর এই ছেলে সেই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না সেটাও দেখা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শিবলী ইসলাম বলেন, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে এসে শিক্ষার্থীর ওপর হামলা করবে এটা তো কখনই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই আমরা বিষয়টা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি।

মতিহার থানার তদন্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলম বলেন, খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে আসি। পরে আটক রোমেলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
  

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য