শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৩১, সোমবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৫

বিনিয়োগের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন

ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
বিনিয়োগের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন

সম্প্রতি এক আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন উদ্যোক্তা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিশেষ করে বিদ্যমান বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেন, বর্তমানে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। এই অবস্থায় তাঁরা বিনিয়োগের জন্য উৎসাহ বোধ করছেন না। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে দেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে।

তখন উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। তাঁদের মতে, বিনিয়োগ আহরণের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা একমাত্র শর্ত না হলেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকলে বিনিয়োগ নীতিমালার ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত হয়। সেই অবস্থায় ব্যক্তি খাতের উদ্যোক্তারা নতুন করে বিনিয়োগের ব্যাপারে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে কথাটি আরো বেশি প্রযোজ্য। স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা নানা আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে চাইলেই বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন না। তাঁরা নিজ দেশে বিনিয়োগে বাধ্য হন। কিন্তু বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কোনো দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বেলায় সম্পূর্ণ স্বাধীন। তাঁরা চাইলে একটি দেশে বিনিয়োগ করতে পারেন কিংবা না-ও করতে পারেন। অর্থাৎ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁরা সম্পূর্ণ স্বাধীন। কিন্তু স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ইচ্ছা করলেই নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বিনিয়োগযোগ্য পুঁজি নিয়ে যেতে পারেন না। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা হচ্ছেন ‘শীতের অতিথি পাখি’র মতো।

শীতের অতিথি পাখি কোনো জলাশয়ে প্রচুর খাবারের সন্ধান এবং জীবনের নিরাপত্তা না পেলে আশ্রয় গ্রহণ করে না। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ঠিক তেমনই। কোনো দেশে বিনিয়োগ করে পর্যাপ্ত মুনাফা অর্জন এবং বিনিয়োগকৃত পুঁজির নিশ্চিত নিরাপত্তা না পেলে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী চাইলেই তাঁর বিনিয়োগ গন্তব্য পরিবর্তন করতে পারেন। আর কোনো দেশে যদি স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা পর্যাপ্ত পরিমাণে বিনিয়োগ না করেন, তাহলে সে দেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আগ্রহী হন না। বিদেশি বিনিয়োগ সাধারণত দুইভাবে হতে পারে। প্রথমত, সরাসরি পুঁজি বিনিয়োগ করা এবং দ্বিতীয়ত, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যৌথভাবে বিনিয়োগ করা। যৌথভাবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত বিশ্বাসযোগ্য স্থানীয় উদ্যোক্তা খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। যদি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব থাকে, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কোনো দেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সেই দেশটির বিনিয়োগ পরিবেশ, আইনিকাঠামো, মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনা ইত্যাদি বিষয় খুব ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রণীত বিভিন্ন জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কিন্তু বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন খুব একটা সুখকর নয়।

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ সূচকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে অত্যন্ত নিম্নমানের বলে মন্তব্য করা হয়। সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য করার ক্ষেত্রে ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭৬তম। বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস সূচক প্রকাশ বন্ধ আছে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক ‘বিজনেস রেডি’ শীর্ষক একটি নতুন সূচক প্রকাশ করেছে। এতে ৫০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দেখানো হয়েছে চতুর্থ সারিতে। অর্থাৎ বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করার পরিবেশ এখনো উন্নত হয়নি।

বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশ ভালো নয়, এটি নানাভাবে প্রমাণ করা যেতে পারে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকালে জিডিপি-প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট রেশিও ২৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। অনেক দিন ধরেই জিডিপি-প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট রেশিও ২৩-২৪ শতাংশে ওঠানামা করছে। যেমন—২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপি-প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট রেশিও ছিল ২৪.৯৪ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরে এটি ছিল ২৩.৭০ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপি-প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট রেশিও আরো কিছুটা কমে দাঁড়ায় ২৩.৬৪ শতাংশ। নানাভাবে চেষ্টা করা সত্ত্বেও কোনোভাবেই ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো যাচ্ছে না। গত সরকারের আমলে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল। কিন্তু সরকারি খাতে বিনিয়োগ বেড়েছিল। নানা ধরনের মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়। অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ রাজস্ব আহরণ করতে না পারার কারণে ঢালাওভাবে বিদেশি ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে। এই ঋণকৃত অর্থ দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটে নেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ ক্রমেই বিদেশি ঋণনির্ভর একটি দেশে পরিণত হতে চলেছে। বিগত সরকার আমলে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার অতিক্রম করে যায়। অবস্থা এমন হয়েছে যে ভবিষ্যতে নতুন করে ঋণ গ্রহণ করে পুরনো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে।

বিদেশি বিনিয়োগ একটি দেশের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিদেশি বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন দ্রুততর করতে চায়। কিন্তু বিনিয়োগযোগ্য পুঁজির স্বল্পতা থাকায় কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিনিয়োগ করা সম্ভব হয় না। ব্যক্তি খাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিনিয়োগ না হলে সে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয় না। শিল্প-কারখানা গড়ে না উঠলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় না। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না হলে একটি দেশের দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। বিশ্বে এমন অনেক দেশ আছে, যারা প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। কিন্তু শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই একটি দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত হয় না। প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা গেলেই কেবল টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটানোর জন্যও বিদেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। বিদেশ থেকে যে বিনিয়োগ আসে, তা সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে যুক্ত হয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ গঠনে পণ্য রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সের পাশাপাশি সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ আহরিত হলে উদ্যোক্তারা তাঁদের দেশ থেকে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ নিয়ে আসেন। বিদেশি বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখে।

বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগ আহরণের ক্ষেত্রে একটি সম্ভাবনাময় দেশ হলেও এ ক্ষেত্রে আমাদের অর্জন চোখে পড়ার মতো নয়। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, পৃথিবীতে এত দেশ থাকলে বিদেশি উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত কেন নেবেন? ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ার দাবি রাখে। বাংলাদেশ হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় গেটওয়ে। বাংলাদেশে রয়েছে ১৭ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। বিশ্বে এমন অনেক দেশ আছে, যেখানে দু-তিনটি দেশ মিলেও ১৭ কোটি মানুষ নেই। বাংলাদেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কয়েক বছর আগের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিস্ময়কর উত্থান ঘটেছে। তিন দশক আগে বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিবারের হার ছিল ১২ শতাংশ। এখন তা ২০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে ভোগপ্রবণতা ও সামর্থ্য উভয়ই বেড়েছে। বিশেষ করে গ্রামের দরিদ্র পরিবার থেকে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য গমনের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যাঁরা বিদেশে যাচ্ছেন, তাঁরা রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। এই রেমিট্যান্সের অর্থ দিয়ে লোকাল বেনিফিশিয়ারিরা নিজেদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটাচ্ছে। আগে শহরে যেসব বিলাসজাত সামগ্রী ব্যবহৃত হতো, এখন গ্রামে সেগুলো পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশে শিল্প স্থাপন করে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করা হলে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চল থেকে শুল্ক রেয়াত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন—ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা প্রদান করে। বলা হয়, বাংলাদেশে সস্তায় বিপুলসংখ্যক শ্রমশক্তির নিশ্চিত জোগান রয়েছে। এটি বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার অন্যতম কারণ হতে পারে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, সস্তা শ্রমিকের চেয়ে দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত শ্রমিকের চাহিদা বেশি।

নানা ধরনের সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পারছে না। ২০২১ সালে বাংলাদেশ ১১৪ কোটি মার্কিন ডলার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আহরণ করতে সক্ষম হয়। ২০২২ সালে ১০২ কোটি মার্কিন ডলার এবং ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ৭১ কোটি মার্কিন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ আহরণ করে। গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশ ১০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ আহরণ করতে সক্ষম হয়েছে। এটি গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বিদেশি বিনিয়োগ আহরণ। বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি গন্তব্য হওয়া সত্ত্বেও বিনিয়োগ তেমন একটা আসছে না। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি বিভিন্ন সেবা খাতের অভ্যন্তরীণ সুশাসনের অভাব বিনিয়োগ আহরণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে স্থানীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আহরণের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন যাতে গ্রহণযোগ্য এবং সুষ্ঠু হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর স্থানীয় ও বিদেশি উদ্যোক্তারা বর্ধিত মাত্রায় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সুশাসন নিশ্চিত করা, যাতে একজন বিনিয়োগকারীর কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়    

এই বিভাগের আরও খবর
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
সর্বশেষ খবর
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিতে টাইগার যুবারা
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিতে টাইগার যুবারা

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

অত্যাধুনিক বায়ো-ক্যাপসুল উৎক্ষেপনের পরিকল্পনা ইরানের
অত্যাধুনিক বায়ো-ক্যাপসুল উৎক্ষেপনের পরিকল্পনা ইরানের

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাজীপুরে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ রাজশাহী বিভাগে নেই
নির্বাচনের তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ রাজশাহী বিভাগে নেই

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেন ঘরোয়া ক্রিকেটারেই বাজি ধরছে আইপিএলের দলগুলো
কেন ঘরোয়া ক্রিকেটারেই বাজি ধরছে আইপিএলের দলগুলো

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টুঙ্গিপাড়ায় উন্মুক্ত বইপাঠ প্রতিযোগিতা
টুঙ্গিপাড়ায় উন্মুক্ত বইপাঠ প্রতিযোগিতা

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

১৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা
বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

নানা আয়োজনে সিকৃবির যুগপূর্তি উদযাপন
নানা আয়োজনে সিকৃবির যুগপূর্তি উদযাপন

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীতে ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শীতে গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা, কীভাবে মিলবে স্বস্তি?
শীতে গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা, কীভাবে মিলবে স্বস্তি?

২৫ মিনিট আগে | জীবন ধারা

১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার
১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার

২৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

অমর একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারি
অমর একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারি

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ভেজাল সার তৈরির কাঁচামাল জব্দ
শ্রীপুরে ভেজাল সার তৈরির কাঁচামাল জব্দ

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পোস্টাল ভোট : নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতদের নিবন্ধন ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বর
পোস্টাল ভোট : নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতদের নিবন্ধন ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বর

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

আরও তিন হত্যা মামলায় ছোট সাজ্জাদের জামিন
আরও তিন হত্যা মামলায় ছোট সাজ্জাদের জামিন

৩৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি 'অযৌক্তিক': পুতিন
রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি 'অযৌক্তিক': পুতিন

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা, গৃহকর্মীর দোষ স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা, গৃহকর্মীর দোষ স্বীকার

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

আরও ৬৭ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আরও ৬৭ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

৩৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুদানে ড্রোন হামলায় শতাধিক নিহত
সুদানে ড্রোন হামলায় শতাধিক নিহত

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাইফয়েড টিকাদানে অসামান্য অবদান: গাইবান্ধা পৌরসভাকে সম্মাননা
টাইফয়েড টিকাদানে অসামান্য অবদান: গাইবান্ধা পৌরসভাকে সম্মাননা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
বগুড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ মারা যাচ্ছেন ভারতের নির্বাচন কর্মীরা, কেউ করছেন আত্মহত্যা
হঠাৎ মারা যাচ্ছেন ভারতের নির্বাচন কর্মীরা, কেউ করছেন আত্মহত্যা

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন বরুণ, নতুন উচ্চতায় ভারতীয় স্পিনার
শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন বরুণ, নতুন উচ্চতায় ভারতীয় স্পিনার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার
রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়ি আটকে ৭ দফা দাবি ছাত্র-জনতার
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়ি আটকে ৭ দফা দাবি ছাত্র-জনতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সড়ক ছাড়লেন জুলাই ঐক্যের কর্মীরা, যান চলাচল স্বাভাবিক
সড়ক ছাড়লেন জুলাই ঐক্যের কর্মীরা, যান চলাচল স্বাভাবিক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনেই ভারত পরাজিত হয়েছিল : কংগ্রেস নেতা
অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনেই ভারত পরাজিত হয়েছিল : কংগ্রেস নেতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রটারড্যামে যাচ্ছে বাংলাদেশের তিন সিনেমা
রটারড্যামে যাচ্ছে বাংলাদেশের তিন সিনেমা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

১০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে
মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসিকে ১১ কোটি টাকার অতিবিরল ঘড়ি উপহার দিলেন অনন্ত
মেসিকে ১১ কোটি টাকার অতিবিরল ঘড়ি উপহার দিলেন অনন্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ব্রি.জে. (অব.) শামছুল ইসলাম
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ব্রি.জে. (অব.) শামছুল ইসলাম

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর
পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ
জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার
হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা