শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২০:৪০
প্রিন্ট করুন printer

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে বিনিয়োগ হবে ১০ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে বিনিয়োগ হবে ১০ বিলিয়ন ডলার

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, ‘চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে ৪ বছরে ১০  বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। দেশের বৃহত্তম এ শিল্প নগরে সৃষ্টি হবে ৩০  হাজার লোকের কর্মসংস্থান।’ 

 
বুধবার সকালে শিল্পনগর পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি হেলিকপ্টারে শিল্পনগরে আসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেজা চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী, বেজা’র প্রকল্প পরিচালক ফারুক হোসেন, মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন, মিরসরাই পৌরসভার মেয়র এম গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় তিনি নির্মাণাধীন বিভিন্ন শিল্পকারখানা ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। একই সঙ্গে শিল্প নগরে কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে একটি জারুল গাছের চারা রোপণ করেন।  

পরিদর্শনকালে সালমান এফ রহমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে দ্রুত গতিতে চলছে বিভিন্ন উন্নয়নকাজ। ইতোমধ্যে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আনতে ব্যাপকভাবে কাজ করছে। দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো দেশভিত্তিক আলাদাভাবে বরাদ্দ করায় বিনিয়োগকারী দেশগুলো আগ্রহী হয়ে উঠছে।  

তিনি বলেন, ‘দেশে বিনিয়োগের জন্য জ্বালানি সংকট নেই। রাজনৈতিক পরিস্থিতিও যথেষ্ট স্থিতিশীল। ফলে অনেক দেশই এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে ক্রমশ আগ্রহী হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, মীরসরাই উপজেলায় মোট ৩০ হাজার একর জমিতে নির্মিত হবে বঙ্গবন্ধু শিল্প নগর। প্রথম পর্যায়ে ৩০ হাজার একর জমিতে শুরু হয়েছে শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ। বর্তমানে চলছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার নির্মাণ কাজ।

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার /রেজা মুজাম্মেল 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪০
প্রিন্ট করুন printer

কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে শেষ প্রচারণায় ডা. শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে শেষ প্রচারণায় ডা. শাহাদাত

কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতাদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়িয়েছেন চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। সোমবার তিনি নগরীর জামালখান, এনায়েত বাজার ও আলকরণ ওর্য়াডে গণসংযোগ করে নিজের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

গণযোগকালে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক দায়বদ্ধতা থেকে চসিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছি বিএনপি। চট্টগ্রামের জনগণের প্রত্যাশা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। বিএনপিরও প্রত্যাশা সুষ্ঠু প্রতিদ্বদ্বিতার মাধ্যমে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের নেতা, মন্ত্রী-এমপিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলেছে।

সোমবার নেতাকর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে পুরাতন বিমান অফিস রোড, আসকার দিঘীর পাড়, হেমসেন লেইন, মোমিন রোড, বৌদ্ধমন্দির, এনায়েত বাজার, তিন পুলের মাথা, আমতল, নিউ মার্কেট মোড়, ষ্টেশন রোড, বিআরটিসি মোড়, বাটালী রোড়, লাভলেইন, কাজীর দেউড়ি হয়ে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ করেন। 

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, নাগরিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক একরামুল করিম, বিএনপির কেন্দ্রিয় সদস্য ব্যারিষ্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য কামরুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, আলকরন ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী দিদারুর রহমান লাভু, জামাল খান ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবু মহসিন চৌধুরী, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী আরজুন নাহার মান্না, মহিলা দলের সাঃ সম্পাদক জেলী চৌধুরী প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

চসিকের উন্নয়ন প্রকল্পের বকেয়া ম্যাচিং ফান্ড মওকুফ চান প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চসিকের উন্নয়ন প্রকল্পের বকেয়া ম্যাচিং ফান্ড মওকুফ চান প্রশাসক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বকেয়া ম্যাচিং ফান্ড ৬৩২ কোটি ১৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। তবে এসব টাকা মওকুফে সরকারের আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চসিকের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। 

সোমবার তিনি উন্নয়ন প্রকল্পের বকেয়া ম্যাচিং ফান্ড মওকুফে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি, অর্থমন্ত্রী আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল এমপি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালউদ্দিন আহমেদ বরাবরে পৃথক চাহিদাপত্র দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ ও আন্তরিক সুবিবেচনা প্রত্যাশা করেছেন।

তিনি বলেন, চসিক একটি নাগরিক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। একজন নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল ধরণের নাগরিক সেবা চসিক নিশ্চিত করে। দুষণ ও যানজটমুক্ত পরিচ্ছন্ন আধুনিক উন্নত নগর গঠন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিতে চসিক প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এ সকল প্রতিজ্ঞা পূরণে চসিক ইতোমধ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, যা বর্তমানে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।  

তিনি বলেন, চসিক আর্থিক অসক্ষমতার কারণে নিজস্ব রাজস্ব এবং বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে সরকার থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ দিয়ে উন্নত নাগরিক সেবা প্রদান নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। মহাসড়ক, সড়ক, নর্দমা, রাস্তা, মেরামত-সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা, মশকনিধন এবং সর্বত্র আলোকায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কর্মযজ্ঞ। এ বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদনের জন্য প্রাপ্ত অর্থ খুবই অপ্রতুল। আর্থিক দৈন্যতার কারণে নাগরিক সেবার মান নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। চসিকের নিজস্ব আয়ের স্বল্পতার কারণে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দের বিপরীতে ২০Ñ৩০ শতাংশ ম্যাচিং ফান্ড নিশ্চিত করা খুবই কঠিন। এছাড়াও এক সময় টেক্স বা নগর শুল্ক থেকে প্রাপ্ত আয় ছিল অন্যতম প্রধান রাজস্ব। কিন্তু আশির দশকে সরকার সেটি বন্ধ করে দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালিত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় প্রসারের লক্ষ্যে চসিক এলাকায় আমদানি-রপ্তানি কাজে নিয়োজিত যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে সড়ক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সিটি কর্পোরেশন প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। বর্তমানে চসিকের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকেল্পের ম্যাচিং ফান্ড বাবদ বকেয়া টাকাসহ নিজস্ব তহবিলে উন্নয়ন কার্যক্রমের বকেয়া এবং কর্মকর্তা-কর্মচারিদের আনুতোষিক বাবদ প্রায় ৮৩০ কোটি টাকা’র বিশাল অর্থ ঘাটতির বোঝা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এমতাবস্থায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ম্যাচিং ফান্ড বাবদ বকেয়া টাকা মওকুফের ব্যবস্থা করা হলে নগরবাসীকে কাক্সিক্ষত সেবা প্রদান করা এবং সরকারের প্রতিশ্রুত উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।  

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪২
প্রিন্ট করুন printer

শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে মাঠে থাকবো : ডা. শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে মাঠে থাকবো : ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে মাঠে ঠিকে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসন। সোমবার প্রচার প্রচারণার শেষ দিন নসিমন ভবনে নগর বিএনপি’র কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

বুধবারের নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘কখনো রাউজান, কখনো বান্দরবান কিংবা ফেনী নোয়াখালীর লোকজন নিয়ে বৈঠক করে। বৈঠকে তারা কেন্দ্রে কেন্দ্র থাকার ঘোষণা দেয়। কী ভাবে তারা এ ধরণের কথা বলে। ডা. শাহাদাত কাউকে ভয় করে না। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মাঠে থাকবো।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী অভিযোগ করেন, রাত পর্যন্ত ৪৯ নেতা কর্মীকে তুলে নিয়ে গেছে। দলের নেতাকর্মীদের নামে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা হয়েছে। যাতে ১ হাজার জনকে আসামি করা হয়। পুলিশের হয়রানি থেকে মহিলা, শিশুরা পর্যন্ত বাদ যাচ্ছে। নির্বাচনের ঠিক দুই দিন আগে মাস্তান, চাঁদাবাজ, ইয়াবা ব্যবসায়ী দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ ঘোলাটে করার পাঁয়তারা চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অতি উৎসাহী পুলিশের দ্বারা শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, নাগরিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক একরামুল করিম, বিএনপির কেন্দ্রিয় সদস্য মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, কামরুল ইসলাম প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনের পর বিএনপি মনোনীত এ প্রার্থী রিটার্নি অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘বিএনপির মেয়র প্রার্থীর অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাদের আটক করা হয়েছে তারা ফৌজদারি মামলার আসামি নাকি বিনা কারণে আটক করা হয়েছে তা দেখবে নির্বাচন কমিশন। সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।’

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:২০
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচন : কঠোর নজরদারিতে থাকবে ২৫টি ওয়ার্ড

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম:

চসিক নির্বাচন : কঠোর নজরদারিতে থাকবে ২৫টি ওয়ার্ড

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের (চসিক) ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে কঠোর নজরদারিতে থাকবে প্রায় ২৫টি ওয়ার্ড এলাকায়। এসব ওয়ার্ডেই রয়েছেন একাধিক সংরক্ষিত-সাধারণ কাউন্সিলর, বিদ্রোহী প্রার্থী। 

ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় এসব ওয়ার্ডগুলো ঘটেছে প্রচারণার সময় খুন, নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর, প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে পোস্টার ব্যানার ছেঁড়া, হামলা, মামলাসহ একাধিক ঘটনা। এসব ওয়ার্ডগুলোর কাউন্সিলর প্রার্থীদের নানাবিধ ঘটনায় নির্বাচন কমিশনে পড়েছে প্রায় ৩৫ টার বেশি অভিযোগও। 
এসব অভিযোগের অধিকাংশই নিষ্পত্তি করা হলেও প্রতিটি এলাকায় রয়েছে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। এসব এলাকায় ভোটের উৎসবে প্রতি মূহুতেই আতংকিত আছেন ভোটাররাও। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে বিভিন্ন ঝুকিঁপূর্ণ এলাকা বা ইতিমধ্যে যে সব এলাকায় নানা ঘটনা খুন ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঘটেছিল প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা কঠোর নজরদারিতে রাখবেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও চসিক নির্বাচনের রির্টানিং অফিসার মো. হাসানুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চসিক নির্বাচনে সব এলাক হচ্ছে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রশাসন স্ব স্ব এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন। যেসব এলাকায় একের অধিক প্রার্থী রয়েছেন, যেসব এলাকায় অভিযোগের পাশাপাশি, উত্তপ্ত, ভাংচুর এবং খুনের মতো ঘটনা ঘটেছে, সেখানে কঠোর নজরদারিতে থাকবেন দায়িত্বশীলরা। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে অভিযোগের একাধিক নিষ্পত্তিও হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টতা পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:১৪
প্রিন্ট করুন printer

'মেয়রের কর্তৃত্ব বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন আইন সংশোধন জরুরি'

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

'মেয়রের কর্তৃত্ব বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন আইন সংশোধন জরুরি'

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রথম মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, সিটি কর্পোরেশনকে কার্যকর বা মেয়রের কর্তৃত্ব বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন আইন সংশোধন করতে হবে। এ মুহূর্তে সিটি কর্পোরেশন আইন সংশোধন করা না গেলে স্থানীয় সরকার কমিশন গঠন অথবা চট্টগ্রাম নগর বা বৃহত্তর চট্টগ্রামের জন্য সচিবালয়ের অধীনে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এ কমিটি সব প্রকল্প প্রণয়ন, যথাসময়ে বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতাসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের নৈসর্গিক সৌন্দর্য রক্ষায় কাজ করতে পারবে।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে চসিক নির্বাচনের নিরিখে সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা  বলেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট মো. সেলিম ও অ্যাডভোকেট লিটন গুহ।  

মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারের আবরণে স্থানীয় সরকারের টুঁটি চেপে দেওয়া হয়েছে। এ মুহূর্তে যদি সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক জনদুর্ভোগ লাঘবে কর্তৃত্ব না থাকে, তাহলে এত ব্যয়বহুল এবং জটিল। তাহলে এমন নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা কি।

তিনি বলেন, কলকাতা শহরের মেয়র নির্বাচিত কাউন্সিলরদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। লর্ড মেয়র অব লন্ডন ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স অনুযায়ী ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর উপরে অবস্থান। নিউইয়র্ক শহরের মেয়র নিউইয়র্ক পুলিশ কমিশনারসহ সব গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেন, তিনি প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত মেয়র।  

সাবেক মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম শহরে আগে ছিল ২৩টি ওয়ার্ড। আমার হাত ধরে ৪১ ওয়ার্ডের নির্বাচিত কমিশনারদের ক্ষমতা প্রদান করে কর্পোরেশন গঠনের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ১৯৮৮ সালে আমি তৃতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এ কর্পোরেশনের প্রশাসক নিযুক্ত হই। কর্পোরেশনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথে এগোতে থাকি। ১৯৮৯ সালে  কর্পোরেশনের নির্বাচিত কমিশনারদের সঙ্গে সমন্বয় করে আইন মোতাবেক চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ কার্যকর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করি।

তিনি বলেন, প্রতি সপ্তাহে হরতালের পরও দায়িত্ব পালনকালে চসিকের আয় ১২০০ শতাংশ বাড়িয়ে কর্পোরেশনকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করেছি। ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে ওয়ার্ড কমিশনার ও মহিলা কমিশনারদের উপসচিব পদমর্যাদা প্রদান করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। ১৯৯৩ সালের দিকে তৎকালীন জাতীয় সংসদে অফিশিয়াল কমিশনার পদগুলো বিলুপ্ত করে আইন প্রণয়ন করা হয়। মূলত সেই থেকেই মেয়রের আইনগত কর্তৃত্ব নগর সমন্বয় করা তথা নগর সরকার বা সিটি গভর্নমেন্টের বিলুপ্তি সাধন হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় সিটি কর্পোরেশন আইন সংশোধন হলেও অফিশিয়াল কমিশনার পদ সৃষ্টি হয়নি।  

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর