শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫২, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

রাজধানীর ফুটপাতে উচ্ছেদ

হকার পুনর্বাসনে জোর দেওয়ার সুপারিশ

হলিডে ও সান্ধ্য মার্কেটে স্থায়ী সমাধান ♦ হকারদের ডিজিটাল ডেটা বেইস তৈরি জরুরি ♦ রাজধানীর ওপর চাপ কমাতে বিভাগীয় শহরে কর্মসংস্থানের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
হকার পুনর্বাসনে জোর দেওয়ার সুপারিশ

রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক ও ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং দুই সিটি করপোরেশন সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে। গত বুধবার থেকে শুরু হয় অভিযান, তা চলে গত রবিবার পর্যন্ত। রাজধানীর গুলিস্তান, নিউমার্কেট ও সায়েন্সল্যাব এলাকার ফুটপাত ও সড়কের দখলমুক্তি ঘটেছে। তাতে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। 

তবে নাগরিক এই স্বস্তির পেছনেই দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন প্রায় তিন লাখ হকার। তাঁদের জীবন-জীবিকা টিকে আছে এই ফুটপাত ঘিরেই। অতীতেও বহুবার উচ্ছেদ করা হয়েছে, কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন না থাকায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই ফুটপাত ফিরে গেছে হকারদের দখলে।

নগর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল উচ্ছেদই স্থায়ী সমাধান নয়, বরং হকারদের ডিজিটাল ডেটা বেইসের আওতায় এনে পরিত্যক্ত সরকারি জমিতে ‘হলিডে মার্কেট’ বা ‘স্টিল অবকাঠামো’র স্থায়ী মার্কেট নির্মাণ করে দেওয়া যায়।

অন্যথায় প্রতিবছর ফুটপাত ঘিরে যে তিন হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি চলে, তা উচ্ছেদ অভিযানকে বারবার ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে রাখবে।
বাংলাদেশ হকার্স ফেডারেশনের (রেজি: বি-২১৫৯) সভাপতি এম এ কাশেম বলেন, ‘হকারদের সঠিক পুনর্বাসন সবাই চায়। কিন্তু পুনর্বাসন ছাড়াই হকার উচ্ছেদ হলে এরা পরিবার নিয়ে চলবে কিভাবে? আগে আমরা দেখেছি, অনেক জায়গায় পুনর্বাসনের কথা বলা হলেও মেয়ররা এসে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করার আগেই তাঁদের মেয়াদ শেষ হয়েছে। হকারদের আর নিশ্চিত আয়ের পথ তৈরি হয় না। তাই আগে হকারদের পুনর্বাসন করতে হবে।’

‘অভিযান বনাম পুনর্দখল’ : সম্প্রতি সায়েন্সল্যাব, নিউমার্কেট, গুলিস্তান ও ফার্মগেটে উচ্ছেদ চালানো হয়। তাতে সড়ক ও ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরে। তবে অভিযান শেষে পুলিশ চলে যাওয়ার পরপরই হকাররা আগের জায়গায় ফিরে আসে। হকারদের দাবি, পেটের দায়েই তাঁরা বারবার ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।নিউমার্কেটের এক হকার বলেন, ‘আমাদের যদি বিকল্প জায়গা দেওয়া হয়, তবে রাস্তায় বসব না।’

যদিও বিভিন্ন সময়ের উচ্ছেদের পরের চিত্রের সঙ্গে এবার কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা গেছে। গুলিস্তানে গত মঙ্গলবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়,  উচ্ছেদের পর আগের মতো দখলবাজি হচ্ছে না। রাস্তায় নেই কোনো অস্থায়ী দোকান। ফুটপাতগুলোও অনেকটা ফাঁকা। পথচারীরা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই চলাচল করতে পারছেন। গুলিস্তান মাজার এলাকায় আগের মতো যানজট নেই। জিরো পয়েন্ট থেকে ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত মূল সড়কের দুই পাশে চলাচলকারী নাগরিকদের মুখে ছিল স্বস্তি।

বেসরকারি কর্মজীবী সুলতানা হাবীব বলেন, ‘আমার বাসা নবাবপুর, অফিস পল্টনে। অল্প পথ হলেও কখনো রিকশা ছাড়া চলাচল করতে পারিনি। এখন হেঁটে অফিসে যাচ্ছি। মানুষের ধাক্কাধাক্কি নেই, মানুষের জটলা না থাকায় ছিনতাইয়ের ভয়ও কম।’ অন্যদিকে ফুটপাতে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত নিজেদের অস্থায়ী দোকান না থাকায় হতাশ দোকানিরা। দোকানি সেলিম মিয়া বলেন, ‘মাজারের কাছে আমার একটা জুতার দোকান আছিলো। এখন দোকান বহাইতে দেয় না। হুনছি আর নাকি ব্যবসায় বইতে পারমু না। কিভাবে চলমু জানি না, দেহি কী হয়।’

হকারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ ও ব্যর্থতা : তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, অতীতে ঢাকার ফুটপাতের হকারদের পুনর্বাসন করার জন্য কিছু স্থান তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। এসব স্থানের মধ্যে ছিল—ওসমানী উদ্যানের একটি অংশ, মুক্তাঙ্গন, মিরপুর মাজার রোডসংলগ্ন খালি জায়গা, যাত্রাবাড়ীর বর্তমান সবজির আড়ত, নটর ডেম কলেজ ও আইডিয়াল স্কুলের সামনের অংশ। এ ছাড়া ছিল মিরপুর-১ থেকে শাহআলী মাজার পর্যন্ত খালি জায়গা, যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজার সংলগ্ন পরিত্যক্ত জমি, পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টার একটি স্থান, বায়তুল মোকাররম এলাকার পূর্ব পাশে প্রায় ৩২ কাঠা সরকারি জায়গা। এসব জায়গায় মার্কেট তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি। এ ছাড়া হকারদের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) দেওয়ার উদ্যোগ, হকারদের বয়োবৃদ্ধ, শিক্ষিত ও অশিক্ষিত তিন শ্রেণিতে ভাগ করা, বয়োবৃদ্ধ হকারদের নির্দিষ্ট স্থানে ব্যবসার সুযোগ দেওয়া, শিক্ষিত হকারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে পাঠানো বা চাকরির ব্যবস্থা, আর অশিক্ষিত হকারদের নির্ধারিত স্থানে ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি।

হলিডে মার্কেট : ২০০৭ সালে রাজধানীতে হলিডে মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। নানা জটিলতায় এটি মাঝেমধ্যে বন্ধ থাকলেও, পরে চালুর উদ্যোগ নেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় ১৬টি সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয়, যার মধ্যে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি স্থানে বাজার চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলসংলগ্ন এলাকা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আগারগাঁওয়ে একটি হলিডে মার্কেট চালু রয়েছে।

মতিঝিলের হলিডে মার্কেটে বিশেষ সময়ে ক্রেতার চাপ থাকে। ঈদ বা অন্য সময়ে রীতিমতো উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শুক্র ও শনিবার ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে ভ্যান, ত্রিপল ও চাটাই পেতে বসে শত শত দোকান। ক্রেতারা দরদাম করে কেনাকাটার সুযোগ পান, আর বিক্রেতারাও অল্প লাভে বেশি বিক্রি করতে পারেন। ফলে উভয় পক্ষই সন্তুষ্ট থাকে। উচ্ছেদের পর দোকান হারানো হকাররা মনে করেন, তাঁদের জন্য এ ধরনের মার্কেট আরো চালু করা দরকার। 

তাঁরা দাবি করছেন, পুনর্বাসন না করা পর্যন্ত উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে, লাইনম্যান নামধারিদের দল বিবেচনা না করে গ্রেপ্তার করতে হবে, অসাধু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়া তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে—সরকারের হকারদের জন্য নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া ভুয়া হকার সংগঠনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া; হকার পুনর্বাসনে নীতিমালা তৈরি। 

দুই সিটি করপোরেশনের অবস্থান : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকার, পথচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে বসেছি। সমাধানের জন্য কাজ করছি। প্রাথমিকভাবে মিরপুর-১০-এর ফুটপাত দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’

হকার উচ্ছেদ ও তাঁদের পুনর্বাসন নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘রাজধানীতে এলোমেলোভাবে হকার বসার সুযোগ রাখা হবে না। নির্দিষ্ট কিছু জায়গা চিহ্নিত করে সেখানেই সীমিত আকারে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সান্ধ্যকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেটের পরিকল্পনা করছি। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার এই দুই দিন হলিডে মার্কেট চালুর চিন্তা রয়েছে। পাশাপাশি অফিস সময়ের পর নির্দিষ্ট কিছু স্থানে সান্ধ্যকালীন বাজার বসতে পারে।’

প্রশাসক জানান, ঢাকা মহানগরীর সব জায়গায় এ ধরনের কার্যক্রম চালু করা হবে না। কয়েকটি নির্দিষ্ট স্পট নির্ধারণ করে শুধু সেখানেই হকারদের ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হবে।

তাঁর মতে, শুধু ঢাকায় পুনর্বাসন সম্ভব নয়। নদীভাঙনসহ নানা কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ ঢাকায় আসে। তাই বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহীসহ অন্যান্য এলাকায় কাজের সুযোগ বাড়ানো গেলে ঢাকায় মানুষের চাপ কমবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ফুটপাতেই সান্ধ্যকালীন মার্কেট বসানো হবে না। বরং গুলিস্তানসহ কিছু নির্দিষ্ট জায়গা নির্বাচন করা হবে, যেখানে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে। এসব স্থান চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা : নগর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, ‌‘ঢাকা থেকে হকার উচ্ছেদে দীর্ঘমেয়াদি সুফলতা পেতে কেবল উচ্ছেদ না করে পরিকল্পিত পুনর্বাসন ও হকারদের তালিকাভুক্ত প্রয়োজন।  সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও বিকল্প কর্মসংস্থান ছাড়া উচ্ছেদ কার্যকর হয় না, যা হকারদের আবারও ফুটপাতে ফিরিয়ে আনে।’

তিনি বলেন, ‘ফুটপাতে কে, কখন বসছেন তা চিহ্নিত করতে হকারদের ডেটা বেইস তৈরি করে তালিকাভুক্ত করা জরুরি, অন্যথায় হকারের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। হকারদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে উচ্ছেদের পাশাপাশি নির্দিষ্ট স্থানে বা সময়ে (যেমন- রাতের বাজারে) পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’

সূত্র : কালের কণ্ঠ

এই বিভাগের আরও খবর
মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া
মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ
গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত
বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত
কাঁটাবনের আবাসিক ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
কাঁটাবনের আবাসিক ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর কাঁটাবনে ১৪ তলা ভবনের দুটি ফ্ল্যাটে আগুন
রাজধানীর কাঁটাবনে ১৪ তলা ভবনের দুটি ফ্ল্যাটে আগুন
আদাবরে বিকাশের দোকান মালিককে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই: প্রধান আসামি গ্রেফতার
আদাবরে বিকাশের দোকান মালিককে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই: প্রধান আসামি গ্রেফতার
সর্বশেষ খবর
মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া
মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া

এই মাত্র | নগর জীবন

বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’
‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে
অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ
নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা
সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা
হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না: এমপি খায়ের ভূঁইয়া
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না: এমপি খায়ের ভূঁইয়া

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ
গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিঁথির কণ্ঠে ‘বসন্তের কোকিল’, প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ!
সিঁথির কণ্ঠে ‘বসন্তের কোকিল’, প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ!

৪৬ মিনিট আগে | শোবিজ

সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন

৪৯ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী

৫১ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

লালমনিরহাটে মাদক কারবারিদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত
লালমনিরহাটে মাদক কারবারিদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৩০৪৩
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৩০৪৩

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম

৫৯ মিনিট আগে | পরবাস

নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার
নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক