শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ মার্চ, ২০২০ ২৩:২৬

‘বাইরে ভাইরাস ঘরে অভাব’

মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা

‘বাইরে ভাইরাস ঘরে অভাব’

রিকশাচালক অলিউল্লাহ। বাসা কুমিল্লা শহরতলির বউবাজারে। ১০ জনের পরিবার। সকাল ৮টায় বের হয়েছেন। ১০টা পর্যন্ত কোনো ভাড়া পাননি। বিরস বদনে বসে আছেন নগরীর কাপ্তান বাজারে। তিনি বলেন, ‘গত তিন-চার দিন ধইরা রাস্তায় মানুষ কম, তাই ভাড়া কম। আগে পাইতাম দিনে পাঁচ-ছয়শ’ টাকা। এহন পাই দুই-তিনশ’। হাওলাত-বরাত শুরু হইয়া গেছে। হুনছি সামনে রাস্তায় মানুষ নামব না। তহন কী করমু। বাইরে বাইর হইলে ভাইরাসে ধরব। ঘরে থাকলে না খাইয়া মরমু। কী করমু বুঝতে পারছি না।’ শ্রমিকদের সূত্র জানায়, কুমিল্লা নগরীতে রয়েছে ১০ হাজারের ওপর রিকশাচালক, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক আছে পাঁচ হাজারের মতো। সিএনজিচালিত অটোরিকশা আছে চার হাজারের ওপর। রেস্টুরেন্ট আছে সাড়ে তিন শতাধিক। প্রতিটি রেস্তোরাঁয় কর্মচারী আছে গড়ে ১৫ জন। ফুটপাথে বসা শরবত, চা, বাদাম, তালাচাবি বিক্রেতা আছে তিন শতাধিক। প্রত্যেকের পেছনে রয়েছে পরিবারের ৮-১০ জন সদস্য। স্থানীয় এবং উত্তরবঙ্গের দিনমজুর রয়েছে। প্রেস, বিপণিবিতানের শ্রমিক, হাসপাতালের স্টাফ অনেককে ছুটি দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই দৈনিক আয়ের ওপর জীবিকা নির্বাহ করেন। জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর বলেন, হতদরিদ্রদের জন্য সরকার টাকা ও খাদ্য বরাদ্দ করবে। বরাদ্দ এলে আশা করি সংকট কেটে যাবে।


আপনার মন্তব্য