শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৭:৩৯

হিলি বন্দরে পিয়াজ আসার খবরে দাম কমেছে কেজিতে ১০-২০ টাকা

দিনাজপুর প্রতিনিধি

হিলি বন্দরে পিয়াজ আসার খবরে দাম কমেছে কেজিতে ১০-২০ টাকা

দিনাজপুরের হিলি বন্দর দিয়ে পিয়াজ আসার খবর শুনে একদিনের ব্যবধানে সেখানকার পাইকারি বাজারে দাম কমেছে কেজিতে ১০-২০ টাকা। অপরদিকে পিয়াজের মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তারা

জানা যায়, বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা শর্তসাপেক্ষে তুলে নিলে যেকোনো সময়ে ওপারে আটকা পড়া পিয়াজের ট্রাকগুলো দেশে প্রবেশ করবে। আগের খোলা ঋণপত্রের বিপরীতে সীমান্তের ওপারে আটকে পড়া যেসব পিয়াজ বোঝায় ট্রাকের এক্সপোর্টের অনুমতি মিলেছে, অথচ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি, সেসব পিয়াজ বোঝায় ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে। কিন্তু বুধবার সকাল থেকে আসার কথা থাকলেও দুপুর পর্যন্ত কোনো পিয়াজের ট্রাক প্রবেশ করেনি।

গত সোমবার অভ্যন্তরীণ বাজারে পিয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে হঠাৎ করেই ভারত পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে ওইদিন বন্দর দিয়ে কোনো পিয়াজ আমদানি হয়নি। 

আমদানিকারকরা বলছেন, হিলি স্থলবন্দর সীমান্তের ওপারে প্রায় দুই শতাধিক পিয়াজ বোঝায় ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে।

হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে পিয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা জানান, সোমবার ভারত পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেওয়ার পর পরই দাম বেড়ে যায়। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পিয়াজের দাম বাড়াতে থাকে, আগের দিন যে পিয়াজ ৩৫ টাকা কেজি দরে কিনে নিয়ে গেছেন, পরদিন তা বেড়ে ৬৫-৭০ টাকা হয়ে যায়। ঘণ্টায় ঘণ্টায় যেন পিয়াজের দাম বাড়ছিল। বুধবার আবার পিয়াজ কিনতে এসে দেখেন দাম কিছুটা কমেছে। পিয়াজ বুধবার বন্দর দিয়ে আসছে, এই খবরেই দাম কমে গেছে।

বর্তমানে হিলির আড়তগুলোতে প্রতি কেজি পিয়াজ ৫২-৬০ টাকা, খুচরা ৫৫-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দিনাজপুরের বাজারে বাড়তি দামই রয়েছে বলে বিক্রেতারা জানান। 

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রফতানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন জানান, দেশে পিয়াজের রফতানি ভারত সরকার সোমবার সকাল থেকে হঠাৎ বন্ধ করে দেয়। তবে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন রবিবার যেসব পিয়াজ রফতানির জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে, শুধুমাত্র ওইগুলোর বিপরীতে পিয়াজ রফতানি করার অনুমতি দিতে পরে। একইসঙ্গে ওপারে প্রায় দুই শতাধিক ট্রাক আটকা পরে রয়েছে ও ১০ হাজার মেট্রিক টন পিয়াজের এলসি খোলা রয়েছে, তার বিপরীতেও পিয়াজগুলো দেওয়ার জন্য তাদের অনুরোধ জানিয়েছি। 

এ বিষয়ে তারা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে। তবে এখনো লিখিত কোনো জবাব পায়নি। অনুমতি পেলেই পিয়াজ আসবে বলেও জানান তিনি।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর