শিরোনাম
প্রকাশ : ১ মার্চ, ২০২১ ১৯:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

২৭টি ডিম পেড়েছে বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপ

শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট

২৭টি ডিম পেড়েছে বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপ
ডিমগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে বালুর মধ্যে রাখা হয়েছে

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে ২৭টি ডিম পেড়েছে বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপ ‘বাটাগুর বাসকা’। রবিবার সন্ধ্যায় একটি বাটাগুর বাসকা কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্রের পুকুর পাড়ে ডিমগুলো পাড়ে। ডিমগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে বালুর মধ্যে রাখা হয়েছে। ৬৫ থেকে ৬৭ দিনের মধ্যে এসব ডিম থেকে বাচ্চা ফুটবে বলে জানিয়েছে সুন্দরবন বিভাগ।

সুন্দরবনের করমজলের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির জানান, ২০০০ থেকে পৃথিবীতে খুঁজে না পাওয়া বিলুপ্ত প্রজাতির ৮টি বাটাগুর বাসকা কচ্চপ খুঁজতে খুঁজতে ২০০৮ সালে আমাদের দেশের নোয়াখালী ও বরিশালের বিভিন্ন জলাশয়ে সন্ধান মেলে। এই ৮টি বাটাগুর বাসকার মধ্যে  ৪টি পুরুষ ও ৪টি স্ত্রী ছিল। ওই বছরই প্রজননের জন্য ৮টি বাটাগুর বাসকা গাজীপুরে নিয়ে যায় বন বিভাগ। কয়েক বছরে ৯৪টি বাচ্চা দিয়েছিল ৮টি মা কচ্ছপ বাটাগুল বাসকা। সেখানে ভালো সাড়া না পাওয়ায় ২০১৪ সালে মূল ৮টি বাটাগুর বাসকা ও তাদের জন্ম দেওয়া ৯৪টি ছানাসহ করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়।

তিনি জানান, এই কেন্দ্রে  ২০১৭ সালে দুটি বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের ৬৩টি ডিম থেকে ৫৭টি বাচ্চা জন্ম নেয়। এরপর ২০১৮ সালে দুটি কচ্ছপের ৪৬ ডিম থেকে ২১টি বাচ্চা, ২০১৯ সালে একটি কচ্ছপের ৩২টি ডিম থেকে ৩২টি বাচ্চা, ২০২০ সালের ১০ মে একটি কচ্ছপের ৩৫টি ডিম থেকে ৩৪টি বাচ্চা জন্ম নেয়। সর্বশেষ আজ সন্ধ্যায় একটি বাটাগুর বাসকা কচ্ছপ ২৭টি ডিম পেড়েছে। এগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে বালুর মধ্যে রাখা হয়েছে। ৬৫ থেকে ৬৭ দিনের মধ্যে এসব ডিম থেকে বাচ্চা ফুটবে।

করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র থেকে ২০১৭ সালে ২টি, ২০১৮ সালে ৫টি, ২০১৯ সালে ৫টি বাটাগুল বাসকা কচ্ছপ সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে অবমুক্ত করা হয় বলে জানান এই কর্মকর্তা। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর