শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ মার্চ, ২০২১ ০১:০০
প্রিন্ট করুন printer

যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুরিকে মারধর

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুরিকে মারধর

মুন্সীগঞ্জে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্বামী দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে স্ত্রী রজনি আক্তার (২২) ও তার বাবা মোঃ সামছুল হক (৫০), মা এবং ফুফুকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারধরের ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় নির্যাতিতা রজনি আক্তারকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) ঘটনাটি ঘটেছে জেলার টঙ্গিবাড়ী উপজেলার টঙ্গিবাড়ী -সোনারং ইউনিয়নের বুড়িবাড়ী এলাকায়। এ ঘটনায় টঙ্গিবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় আরও ক্ষিপ্ত হয়েছেন অভিযুক্ত দ্বীন ইসলাম।

জানা গেছে, গত রবিবার (২১ মার্চ) যৌতুকের টাকার দাবি করে নিজঘ রে স্ত্রী রজনিকে আটকে ব্যাপক মারধর করে স্বামী দ্বীন ইসলাম। পরে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর অবস্থায় রজনি আক্তারকে উদ্ধার করে তার বাবাকে খবর দিলে তিনি এসে রজনি আক্তারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে এঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলামেক প্রধান আসামি করে টঙ্গিবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নির্যাতিতার বাবা সামছুল হক। এতে যেন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন দ্বীন ইসলাম। তাই মঙ্গলবার মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়ে বাদী সামছুল হক, নির্যাতিতার মা ও ফুফুকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন দ্বীন ইসলাম।

এ ব্যাপারে নির্যাতিতার বাবা মামলার বাদী মোঃ সামছুল হক বলেন, মেয়ে রজনিকে বিয়ে দেয়ার পর থেকে যৌতুকের দাবিতে একাধিকবার মারধর করে গুরুতর আহত করেন দ্বীন ইসলাম। এসব ঘটনায় স্থানীয় ভাবে একাধিকবার সালিশি বৈঠকে এমন কাজ আর করবেনা বলেন শিকারোক্তি দিলেও তা বারবার অমান্য করে সে। গত ২১ মার্চ মেয়ের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয়। পরে রজনির চিৎকার আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে রজনিকে উদ্ধার করে। পরে মঙ্গলবার আমাকে পেয়ে মামলা উঠিয়ে নেয়ার হুমকি দিয়ে আমাকে আমার স্ত্রী ও আমার বোনকে ব্যাপক মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় আমার মেয়েকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে মঙ্গলবার বিকালে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি।  

মারধরের ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হারুন রশিদ জানান, এসব ঘটনার সাথে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলামকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর