শিরোনাম
২১ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:৪৮

চকরিয়ায় মহিলা মেম্বারের বিরুদ্ধে সবজি ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

চকরিয়ায় মহিলা মেম্বারের বিরুদ্ধে সবজি ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় নারী ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে দরিদ্র কৃষকের মরিচ ও সীম ক্ষেতের গাছ কেটে নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের রুস্তম আলী চৌধুরী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় জমির মালিক জাফর আলমকে (৬০) লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আহত জাফর আলম চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। জাফর আলম ওই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাছিম আলীর ছেলে। 

জানা যায়, জমির মালিক জাফর আলম দীর্ঘ ৫০ বছরের অধিক সময় ধরে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের লক্ষ্যারচর মৌজার বিএস ৮৬৩ নম্বর খতিয়ানের ১০ শতক জমি চাষাবাদ করে আসছেন। গত বছর ওই জমি জনৈক হাজী মফজল আহমদ এর ওয়ারিশদের কাছ থেকে ক্রয় করে ভোগ দখলে রয়েছেন। ওই জমিতে তিনি মরিচ, সীমসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি ক্ষেত করেছেন। সড়কের পাশে হওয়ায় ওই জমির উপর লোভ পড়ে লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের ১,২,৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য বেবীর। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বেবী তার স্বামী আয়ুব আলী ও মো. হোছনের নেতৃত্বে আরো ৫-৬জন ভাড়াটিয়া লোকজন এনে জমির ক্ষেতের গাছগুলি কেটে দেয়। এসময় বাধা দিতে গেলে জমির মালিক জাফর আলমকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

জমির মালিক জাফর আলম বলেন, ৫০ বছরের ১০ শতক জমি চাষাবাদ করে আসছি। গত বছর আমি এসব জমি ক্রয় করি। পরে একইভাবে চাষাবাদ করি। বেবী মেম্বার তার জমি দাবি করে আমার জমির ক্ষেত নষ্ট করে দেয়। আমি ধারদেনা করে জমিতে চাষাবাদ করেছি। ক্ষেত নষ্ট করে দেওয়ায় আমি দেনা পরিশোধ নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলাম। 

এ বিষয়ে বেবি মেম্বার বলেন, এই জমি আমাদের পূর্ব পুরুষদের। ভাঙনে অধিকাংশ জমি মাতামুহুরী নদীতে চলে যায়। অবশিষ্ট জমি আমাদের মালিকানাধীন। 

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, জমির মালিক জাফর আলম বিষয়টি আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সামাজিকভাবে বসে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান বলেন, কৃষকের সবজি ক্ষেত নষ্ট করার বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল     

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর