কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দিনের মতো দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে থানার ওসিসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
টান লক্ষ্মীয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যে শুক্রবার শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ চলে আজ শনিবার বিকাল পর্যন্ত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষ্মীয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যে লক্ষ্মীয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়। খেলায় দুই পক্ষের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলে রাত পর্যন্ত। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। আজ শনিবার দুপুর থেকে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়ে চলে বিকাল পর্যন্ত।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি)সহ উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস বলেন, খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে থানার ওসি ও একাধিক পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বিডি-প্রতিদিন/জেডআর