মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত ১২টি দোকান ও রেস্তোরাঁ লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। সোমবার দুপুর পৌনে দুইটা এবং আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৃথক সময়ে আঘাত হানা ঝড়ে এ ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। এতে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র ২০ সেকেন্ডের ঝড়েই শিমুলিয়া ঘাটের সারি সারি রেস্তোরাঁর টিনের চাল উড়ে যায় এবং কাঠামো ভেঙে পড়ে। এতে পুরো এলাকা জুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শিমুলিয়া ঘাটের ‘মাওয়া কুটুমবাড়ি’ ও ‘ইলিশ বাড়ি’ রেস্তোরাঁর এক মালিক বলেন, হঠাৎ করে ঝড় এসে সবকিছু উড়িয়ে নিয়ে গেছে। আমাদের রেস্তোরাঁসহ আশপাশের সবগুলোরই একই অবস্থা। সামনে ঈদ, এই সময়ে এমন ক্ষতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন।
এদিকে একই সময়ে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতে লৌহজং উপজেলার কনকসার গ্রামে প্রায় ৮ মণ ওজনের একটি গরু মারা যায়। এতে স্থানীয় খামারির বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে শিমুলিয়া ঘাটের হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সরকারিভাবে সাধ্যমতো সহায়তা প্রদান করা হবে।
বিডি প্রতিদিন/এএম