শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:৫১, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারি, ২০২৬

ব্যবসা-বাণিজ্যে দুরবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ব্যবসা-বাণিজ্যে দুরবস্থা

অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য রীতিমতো খাদের কিনারে। আগের মন্দা ও খারাপ পরিস্থিতির উন্নতি তো হয়ইনি, বরং আরো খারাপ হয়েছে। মূল্যস্ফীতি এখনো অসহনীয়। উচ্চ সুদের হার, বিনিয়োগ স্থবিরতা, ভোক্তার চাহিদায় ধস, বেকারত্ব বৃদ্ধি, কাঁচামাল আমদানি কম, জ্বালানিসংকট—সব মিলিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য আর বিনিয়োগের পায়ে পায়ে সংকট।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদায়ি বছরটি ছিল কেবল টিকে থাকার লড়াই। তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিলে অর্থনীতির এই গুমোট ভাব কাটবে—এমন প্রত্যাশায় বুক বাঁধছেন তাঁরা।

ব্যবসায়ীদের মতে, গত এক বছরে ব্যবসা পরিচালনার খরচ বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। কিন্তু সেই অনুপাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা না বাড়ায় পণ্যের বিক্রি কমেছে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ।

তারা বলছে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাইরেও বেসরকারি খাতে নানা কাঠামোগত সমস্যায় তারা জর্জরিত। উচ্চ সুদহার ও কঠোর ঋণনীতির কারণে বিনিয়োগ ব্যয় বেড়েছে, বিশেষ করে এসএমই ও নতুন উদ্যোক্তারা অর্থায়নে বড় বাধার মুখে পড়ছেন। ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ, তারল্যসংকট এবং দুর্বল সুশাসন ব্যাবসায়িক আস্থা নষ্ট করছে। অন্যদিকে বন্দরের অদক্ষতা ও লজিস্টিক ব্যয় প্রতিযোগিতা কমাচ্ছে, আর দক্ষ জনবল ঘাটতি ও প্রযুক্তি বিনিয়োগের ধীরগতি বেসরকারি খাতের উৎপাদনশীলতাকে দীর্ঘ মেয়াদে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

দেশের অর্থনীতি সংকটময় পরিস্থিতি পার করছে, তা উঠে এসেছে সরকারের পর্যবেক্ষণেও। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ স্টেট অব দি ইকোনমি ২০২৫’ শীর্ষক প্রতিবেদন বলছে, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি কমে গেছে, ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে ধীরগতি দেখা দিয়েছে, সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় উদ্যোক্তারা নতুন উদ্যোগ নিতে নিরুৎসাহ হচ্ছেন। ফলে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন উভয় ক্ষেত্রেই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে দুর্বল বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্প কার্যক্রমকে প্রবৃদ্ধির বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে আসে মাত্র ২ শতাংশে।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বাজারে স্থবিরতার প্রভাব সরাসরি পড়ে শিল্প ও সেবা খাতে। একই সময় কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ০.৭৬ শতাংশ, শিল্পে ২.৪৪ শতাংশ ও সেবায় ২.৪১ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকার বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ নিলেও মূল সমস্যা এখন বিনিয়োগের গতি কমে যাওয়া।

প্রতিবেদন নিয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ঝুড়ির চেয়ে নেতিবাচক ঝুড়ি বেশি ভারী। একদিকে অর্থনীতির সংগ্রাম চলছে, অন্যদিকে জীবিকার সংগ্রামও চলছে। তবে এর চেয়েও পরিস্থিতি খারাপ হতে পারত। গত দেড় বছরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, সরকারের সদিচ্ছা স্পষ্ট, কিন্তু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রগতি সীমিত।’

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত নিশ্চয়তার অভাব। ব্যাংকঋণের সুদ এখন ১৪-১৬ শতাংশের ঘরে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘গলার কাঁটা’। ডলারের দাম ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় স্থির হলেও বাজারে ডলারের অপ্রতুলতা কাটেনি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেক এলাকায় নতুন নামে চাঁদাবাজি ও শ্রমিক অসন্তোষ শিল্পাঞ্চলগুলোকে অস্থির করে তুলেছে।

মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য বিক্রিতে বড় ধস নেমেছে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কারখানার উৎপাদন লাইনে। একদিকে অবিক্রীত পণ্যের মজুদ বাড়ছে, অন্যদিকে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটে কারখানাগুলো তাদের সক্ষমতার অর্ধেকও ব্যবহার করতে পারছে না। অনেক শিল্পোদ্যোক্তা বাধ্য হয়ে কারখানার শিফট কমিয়ে দিয়েছেন, এমনকি উৎপাদন খরচ পোষাতে না পেরে কোনো কোনো ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে, যা সামগ্রিক শিল্প খাতের ভিত্তিকে নড়বড়ে করে দিচ্ছে।

ব্যবসা টিকিয়ে রাখার প্রধান রসদ যে ব্যাংকঋণ, সেটিই এখন উদ্যোক্তাদের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত এক বছরে ব্যাংকঋণের সুদহার ১৪ থেকে ১৬ শতাংশে গিয়ে ঠেকায় নতুন বিনিয়োগের পথ যেমন রুদ্ধ হয়েছে, তেমনি চলতি মূলধনের জোগান দিতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। উচ্চ সুদের কারণে একদিকে ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ বহুগুণ বেড়েছে, অন্যদিকে তারল্যসংকটের অজুহাতে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় ঋণ দিতে অনীহা দেখাচ্ছে।

বড় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকঋণ নেওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাঁরা সময়মতো ঋণের কিস্তির বাধ্যবাধকতা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রায় ৭৮ লাখ সিএমএসএমই মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এক-চতুর্থাংশ অবদান রাখছে। মোট শ্রমশক্তির ৪০ শতাংশ এসব শিল্পে জড়িত। তাদের বড় অংশই এখন সংকটে আছে বলে জানা গেছে।

বিনিয়োগের প্রধান নির্দেশক মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার হার ২০২৫ সালে পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে, যা শিল্প খাতের দীর্ঘমেয়াদি স্থবিরতারই ইঙ্গিত দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর শেষে বেসরকারি ঋণের যে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.২৩ শতাংশ, তা ২০০৩ সালের পর সর্বনিম্ন।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আশরাফ আহমেদ গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, ‘২০২৫ সালজুড়েই সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির চাপ, জ্বালানি সরবরাহ, নিরাপত্তাহীনতা, সুদের হার ও ঋণপ্রবাহের ধীরগতি বেসরকারি খাতের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি মোট চাহিদা কমিয়ে এনেছে এবং বিনিয়োগও কমে আসছে। নতুন বছরে আমরা আশা করব, নতুন সরকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।’

ট্রাম্পশুল্কে বিশ্ববাজারে চাহিদা কমায় কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রপ্তানিকারকদের। টানা চার মাস ধরে পণ্য রপ্তানি কমায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস রপ্তানি খাতেও স্বস্তি নেই। নভেম্বর মাসে রপ্তানি হয়েছে ৩৮৯ কোটি ডলারের পণ্য। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৫৪ শতাংশ কম।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক প্রথম সহসভাপতি এস এম নুরুল হক গতকাল বলেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্য তথা দেশের বেসরকারি খাতের জন্য গত বছর ভালো যায়নি। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে রপ্তানি আদেশ অনেক কমে গেছে। বেশ কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নের প্রচেষ্টা লক্ষণীয় ছিল। এসব ক্ষেত্রে বিদেশি আমদানিকারক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। যেহেতু অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেহেতু বেসরকারি খাতের গতি অনেক শ্লথ ছিল। এটাই বাস্তবতা।’

এফবিসিসিআইয়ের এই সাবেক পরিচালক বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে। দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে গতিশীল হবে। ক্ষমতাসীন সরকার বেসরকারি খাতের পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেবে। ফলে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের আস্থার সংকট নিরসন হবে এবং আমাদের অর্থনীতি গতিশীল হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই ও ডিসিসিআই নেতাদের মতে, ২০২৬ সাল হবে ‘ঘুরে দাঁড়ানোর বছর’। তাদের এই আশাবাদের পেছনে তিনটি জোরালো যুক্তি রয়েছে। তারা বলছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সফল হলে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসবে। ব্যবসায়ীরা মনে করেন, অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী বর্তমানে ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ মোডে আছেন। নির্বাচিত সরকার এলে বিলিয়ন ডলারের ঝুলে থাকা প্রকল্পগুলো আলোর মুখ দেখবে। রাজনৈতিক সরকার ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি কোনো অর্থনৈতিক রোডম্যাপ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

এফবিসিসিআইয়ের একজন সাবেক সভাপতি বলেন, “আমরা ২০২৫ সালকে একটি ‘ট্রানজিশন পিরিয়ড’ হিসেবে দেখছি। আমাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। তবে ২০২৬-এ নির্বাচনোত্তর স্থিতিশীলতা ফিরলে আমরা আবার নতুন করে বিনিয়োগের সাহস পাব।”

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে ব্যবসার প্রধান তিন প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ব্যাংক খাতের অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকট। নতুন বছরে আমার প্রথম  প্রত্যাশা অবশ্যই একটি নির্বাচিত সরকার। এ বিষয়গুলোর উত্তরণ ঘটানো আমাদের দ্বিতীয় প্রত্যাশা। এর বাইরে নির্বাচিত সরকারের কাছে প্রত্যাশা হচ্ছে ব্যবসায়ীদের সমস্যা যাতে তারা প্রাধান্য দেয়। লজিস্টিক, এনবিআরের দুর্নীতি, ট্যাক্স ও ভ্যাটের সমস্যা ও অবকাঠামো—এগুলো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। এগুলো নিয়ে নতুন সরকারকে কাজ করতে হবে।’

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক টালমাটাল অবস্থাও বিনিয়োগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন জায়গায় হামলা ও সহিংসতার ঘটনা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্বলতা সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনাগুলো বিনিয়োগ পরিবেশে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যবসায়ীদের মধ্যে গভীর আতঙ্ক তৈরি করেছে। বিনিয়োগ পরিবেশে এটি এখন একটি বড় ‘বিষফোড়া’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আর এই আস্থার জায়গাটাই এখানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি ও কাঠামোগত সংস্কারের ক্ষেত্রে কার্যত সাফল্য নেই বললেই চলে। বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির প্রায় ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। এফডিআই কমিটমেন্ট আগের বছরের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বেড়েছে। আন্ডারএমপ্লয়মেন্ট ও ‘নিট’ (শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত নয়) জনসংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় ২০০ গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে। ইউরোপীয় বাজারে চাহিদা কমেছে। আবাসন, টেক্সটাইলসহ শ্রমঘন খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। উচ্চ সুদের হার, জ্বালানিসংকট ও কম এডিপি বাস্তবায়নের কারণে ভারী শিল্প চরম চাপের মধ্যে রয়েছে।’

সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ  
 

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
অগ্রিম করের আওতায় ঢাকা, গুলশান ক্লাবসহ অভিজাত ক্লাবের সদস্যরা
অগ্রিম করের আওতায় ঢাকা, গুলশান ক্লাবসহ অভিজাত ক্লাবের সদস্যরা
বাংলা কিউআর : আর্থিক লেনদেনে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন
বাংলা কিউআর : আর্থিক লেনদেনে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন
দেশে স্বর্ণের পর রুপার দামেও বড় পতন
দেশে স্বর্ণের পর রুপার দামেও বড় পতন
কাজের অভাব ও আর্থিক সংকটে শিল্পে ধস, ৪৫৭ কারখানার ৮৬ শতাংশই স্থায়ীভাবে বন্ধ
কাজের অভাব ও আর্থিক সংকটে শিল্পে ধস, ৪৫৭ কারখানার ৮৬ শতাংশই স্থায়ীভাবে বন্ধ
নতুন করের বোঝা, ৫০ লক্ষ লোকের বেকার হওয়ার আশঙ্কা
নতুন করের বোঝা, ৫০ লক্ষ লোকের বেকার হওয়ার আশঙ্কা
দেশের রপ্তানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব : বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশের রপ্তানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব : বাণিজ্যমন্ত্রী
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো কত?
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো কত?
বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ২৩ শতাংশ
বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ২৩ শতাংশ
প্রবাসীদের জন্য নতুন ‘এনআরসিটিএ’ হিসাব চালু
প্রবাসীদের জন্য নতুন ‘এনআরসিটিএ’ হিসাব চালু
সূচকের উত্থানে সিএসইর লেনদেন বেড়েছে
সূচকের উত্থানে সিএসইর লেনদেন বেড়েছে
মার্কিন তুলা ব্যবহারকারী বাংলাদেশি পোশাকে শুল্কমুক্ত সুবিধা বাস্তবায়নে পদক্ষেপের আহ্বান
মার্কিন তুলা ব্যবহারকারী বাংলাদেশি পোশাকে শুল্কমুক্ত সুবিধা বাস্তবায়নে পদক্ষেপের আহ্বান
সর্বশেষ খবর
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

২৮ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা
৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?
চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?

১৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

১১৪ ঘণ্টা পর সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
১১৪ ঘণ্টা পর সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ
আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

‘হতে পারে আমি ভুক্তভোগীদের পাশেই ছিলাম’, এপস্টাইন ইস্যুতে বিল গেটসের স্বীকারোক্তি
‘হতে পারে আমি ভুক্তভোগীদের পাশেই ছিলাম’, এপস্টাইন ইস্যুতে বিল গেটসের স্বীকারোক্তি

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর লক্ষ্য নকআউট, হাইতির সামনে সম্মান রক্ষার লড়াই
মরক্কোর লক্ষ্য নকআউট, হাইতির সামনে সম্মান রক্ষার লড়াই

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিরক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না ইরান
প্রতিরক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না ইরান

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা
গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা

৩২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট
মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট

৩৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে বিদ্যালয়টি, শিক্ষার্থী কমেছে তিন ভাগেরও বেশি
জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে বিদ্যালয়টি, শিক্ষার্থী কমেছে তিন ভাগেরও বেশি

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, পেনাল্টি না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা
রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, পেনাল্টি না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী
জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী

৪৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিরতির পরে খেলবেন নেইমার, চোটে ছিটকে গেলেন রাফিনহা
স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিরতির পরে খেলবেন নেইমার, চোটে ছিটকে গেলেন রাফিনহা

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে ফ্রান্স, ইউরোপেও স্বস্তি নেই
রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে ফ্রান্স, ইউরোপেও স্বস্তি নেই

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় সর্বজনীন পেনশন মেলা উদ্বোধন
চুয়াডাঙ্গায় সর্বজনীন পেনশন মেলা উদ্বোধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী আটক
মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী
দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই জমজমাট
মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই জমজমাট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত
চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটের লড়াইয়ে একাদশে পরিবর্তন আনবে দক্ষিণ কোরিয়া
নকআউটের লড়াইয়ে একাদশে পরিবর্তন আনবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাত দিয়ে টানতেই উঠছে নতুন রাস্তার পিচ, কাজ বন্ধ করে দিলো জনতা
হাত দিয়ে টানতেই উঠছে নতুন রাস্তার পিচ, কাজ বন্ধ করে দিলো জনতা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে না : মন্ত্রী
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে না : মন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির ফিটনেসে মুগ্ধ রোনালদো
মেসির ফিটনেসে মুগ্ধ রোনালদো

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি কেন সেদিন চটে গিয়েছিলেন?
মেসি কেন সেদিন চটে গিয়েছিলেন?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ