Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ জানুয়ারি, ২০১৬ ২৩:২০

প্রধানমন্ত্রীর অন্যরকম এক বিকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর অন্যরকম এক বিকাল
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল গণভবনে বিশিষ্টজনদের সম্মানে চা চক্র ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন। এ সময় ছোট বোন শেখ রেহানাও সঙ্গে ছিলেন —বাংলাদেশ প্রতিদিন

এ যেন অন্য এক শেখ হাসিনা। দেশের প্রধানমন্ত্রী নন। গণভবনের খোলা মাঠে মাদুর বিছিয়ে বসলেন তিনি। সঙ্গে ছোট বোন শেখ রেহানা। অতিথিরাও বসলেন চেয়ারে। মঞ্চে সুরের মূর্ছনা। বাজছে রবীন্দ্র-নজরুল ও দেশের গান। এভাবেই গতকাল গণভবনে জমে উঠে পিঠাপুলি উৎসব। ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রিয় লেখক, কবিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পাঁচ শতাধিক মানুষ।

প্রধানমন্ত্রী সবার সঙ্গে গল্প করলেন, সেলফি তুললেন। সময় দিলেন সবাইকে, মন খুলে। তাকে তখন দেশের প্রধানমন্ত্রী মনে হয়নি। মনে হচ্ছিল গণমানুষের চিরচেনা সেই নেত্রী। তিনি এভাবেই ৮১ সাল থেকে ছুটে বেড়িয়েছেন বাংলাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। নিরাপত্তার বলয় তাকে জনগণের কাছ থেকে দূরে সরাতে পারেনি। সবার সঙ্গে মিশে গেছেন প্রাণ খুলে। বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানাও গতকাল একইরকম প্রাণবন্ত ছিলেন। তিনিও সবার সঙ্গেই কথা বললেন খোলামেলা। গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে গণভবনের লনে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে চা চক্র ও পিঠা উৎসব শুরু হয়। খোলা মাঠে ভাগে ভাগে নানা রকম পিঠা-পুলি ছাড়াও পরিবেশিত হয় কাবাব, পরটা, নানসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার। এরপরই বোন শেখ রেহানা, মেয়ে সায়মা  হোসেন পুতুল, শেখ রেহানার ছেলে রেদওয়ান মুজিব সিদ্দিককে সঙ্গে নিয়ে সেখানে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে এসেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে  খোলা মাঠে ঘাসের ওপর মাদুর পেতে বসেন তিনি। অন্যরকম এই প্রধানমন্ত্রীর আশপাশে বসে ও দাঁড়িয়েই আমন্ত্রিত অতিথিরা গল্প-গান আর কবিতায় উপভোগ করেন পিঠা উৎসব। মাগরিবের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতাদের সঙ্গে গণভবনে  বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে রাতে তিনি নৈশভোজে আপ্যায়ন করান।


আপনার মন্তব্য