শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৩৯

প্রথম দিন ব্যর্থ টাইগাররা

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রথম দিন ব্যর্থ টাইগাররা

একবার নয়, চার চারবার জীবন পেয়েছেন মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। রবীচন্দন অশ্বিনের বলে স্লিপে একাই তিনবার ক্যাচ ছেড়েছেন আজিঙ্কা রাহানে। ক্যাচ ছেড়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। স্বাগতিকদের বাজে ফিল্ডিংয়ে নতুন জীবন পেয়েছেন টাইগার ক্রিকেটাররা। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। খেলতে পারেননি লম্বা ইনিংস। যার প্রভাবে ল-ভ- হয়েছে দল। সাত স্পেশালিষ্ট ব্যাটসম্যান নিয়েও গুটিয়ে গেছে মাত্র ১৫০ রানে। সাদা পোশাকে লাল বলের পরীক্ষায় অকৃতকার্য ইনিংসের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৫৮.৩ ওভার। জবাবে ভারত ইনফর্ম রোহিত শর্মার উইকেট হারিয়ে দিন পার করেছে ৮৬ রান তুলে। আজ দ্বিতীয় দিন পয়মন্ত ইন্দোরে খেলতে নামবে হাতে ৯ উইকেট নিয়ে ৬৪ রানে পিছিয়ে। বোলার শাসিত প্রথম দিনে ইন্দোরে উইকেটের পতন হয়েছে ১১টি। টি-২০ সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলে সমীহ আদায় করে নেন পরাক্রমশালী ভারতের। রঙিন পোশাকের মাহমুুদুল্লাহরা আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও ভালো করবে, এমনটাই স্পষ্ট ছিল সাদা চোখে। নিষেধাজ্ঞার জন্য নেই সাকিব। পরিবারকে সময় দিতে আসেননি তামিম। দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের অনুপস্থিতিতে এমনিতেই হ্রাস পেয়েছে দলের শক্তি। তার উপর আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে টানা ৫ ম্যাচ জয়ী ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামে টি-২০ সিরিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে। কিন্তু হোলকার স্টেডিয়ামের সকালের কুয়াশায় শামী, ঈশান্ত, উমেশের গতি, সুইং, রিভার্স সুইং ও বাউন্সের বিপক্ষে অসহায় ছিলেন মুমিনুল বাহিনী। দুর্ভাগ্য সঙ্গী ছিল স্পিনার অশ্বিনের। স্বাগতিক বোলারদের দুর্বিষহ বোলিংয়ের বিপক্ষে সাবলীল ছিলেন না কোনো টাইগার ব্যাটসম্যান। নাইমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট, খালেদ মাহমুদ সুজন, হাবিবুল বাশারের পথ ধরে ১১ নম্বর অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে মুমিনুল হকের। সাবলীল ব্যাটিং করে ৩৭ রান করে বলের লাইন না বুঝে বোল্ড হন অশ্বিনের আর্মারে। দুবার স্লিপে জীবন পেয়ে ৪৩ রান করেন সাবেক অধিনায়ক মুশফিক। মুমিনুল ও মুশফিক চতুর্থ জুটিতে ৯৮ রান যোগ করে ম্যাচে ফিরিয়েছেন দলকে। কিন্তু দুজনের বিদায়ের পর বাংলাদেশ শেষ ৬ উইকেট হারায় মাত্র ৩৫ রানে! সবুজ ঘাসের উইকেটে মুস্তাফিজ ছাড়া বাংলাদেশের অনভিজ্ঞ বোলিং বিভাগকে সামলাতে খুব বেগ পেতে হয়নি ভারতের। দুই পেসার আবু জায়েদ রাহী ও এবাদত হোসেন একত্রে টেস্ট খেলেছেন ১০টি। জায়েদ রাহী ইনিংসের অষ্টম ওভারে ইনফর্ম রোহিতকে সাজঘরে ফিরিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু মায়াঙ্ক আগারওয়াল ও চেতেশ্বর পুজারা অবিচ্ছিন্ন থাকেন ৭২ রান যোগ করে। আগারওয়াল ব্যাট করছেন ৩৭ ও পুজারা করছেন ৪৩ রানে।


আপনার মন্তব্য