শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ অক্টোবর, ২০২০ ২৩:৩৭

কীভাবে আদায় হবে বিশাল অর্থ ফিরছেন না পি কে হালদার

নিজস্ব প্রতিবেদক

কীভাবে আদায় হবে বিশাল অর্থ ফিরছেন না পি কে হালদার

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) অর্থ পাচারের ঘটনায় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার আজ দেশে ফিরছেন না। গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে ২৫ অক্টোবর (আজ) এমিরেটস এয়ারওয়েজে একটি ফ্লাইটে করে তিনি দেশে ফিরতে চান বলে হাই কোর্টকে জানিয়েছিল আইএলএফএসএল। সঙ্গে একটি টিকিটের কপিও সংযুক্ত করা হয়েছিল কোম্পানির আবেদনে। পরে দেশে ফেরামাত্র তাকে গ্রেফতারে করতে নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত।

খুরশীদ আলম খান বলেন, প্রথমে ফোন করে এবং পরে মেইল করে আইএলএফএসএলের আইনজীবী জানিয়েছেন, পি কে হালদার করোনার কারণে ২৫ অক্টোবর ফিরছেন না। আমরা বিষয়টি আদালতকে জানাব।

দুই বিনিয়োগকারীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ১৯ জানুয়ারি এক আদেশে পি কে হালদারসহ সংশ্লিষ্ট ২০ জনের ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট। পি কে হালদার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থেকে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর মধ্যে দেশে ফিরতে প্রশান্ত কুমার হালদার এ বিষয়ে আদালতের কাছে আবেদন করতে কোম্পানিটির কাছে একটি পত্র দেন। এরপর কোম্পানিটি আদালতে আবেদন করে। ৭ সেপ্টেম্বর আদালত তিনি কখন কীভাবে আসবেন তা জানাতে বলে। পরে ২০ অক্টোবর একটি আবেদন করে আইএলএফএসএল। যেখানে নির্বিঘেœ দেশে আসার কথা বলা হয়েছে এবং সেখানে ২৫ অক্টোবরের একটি টিকিটের কপিও সংযুক্ত করা হয়। ২১ অক্টোবর হাই কোর্ট এ বিষয়ে এক আদেশ দেয়। আদেশে দেশে আসার সঙ্গে সঙ্গে তার গ্রেফতার নিশ্চিত করতে বলা হয়। গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা লোপাট করে পি কে হালদার বিদেশে পালিয়ে যান বলে চলতি বছরের শুরুতে খবর আসে। এরপর আইএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের পাশাপাশি তার সম্পত্তি জব্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এর আগে আইএলএফএসএলে রাখা আমানতের টাকা ফেরতের নির্দেশনা চেয়ে সাত ব্যক্তি হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন। ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট গত ২১ জানুয়ারি পি কে হালদার, তার মা, ভাই এবং ওই কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১৯ জনের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দেয়। তাদের দেশত্যাগ ঠেকাতে ওই নির্দেশ দেওয়া হলেও পি কে হালদার তত দিনে লাপাত্তা হয়েছেন বলে খবর আসে গণমাধ্যমে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর