শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩০

পাসপোর্ট জব্দের পরও পি কে হালদার পালালেন কীভাবে : হাই কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাসপোর্ট জব্দ থাকার পরও প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার কীভাবে বিদেশে পালিয়ে গেলেন তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। একই সঙ্গে পি কে হালদারের মামলার সর্বশেষ অগ্রগতিও জানাতে বলেছে আদালত। গতকাল বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। বাংলাদেশ  ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ। আদালত বাংলাদেশ ব্যাংকের তিনটি বিভাগে ২০০৮ সাল থেকে কর্মরতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ১৫ মার্চের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছে। এ ছাড়া পি কে হালদার যেদিন দেশত্যাগ করেন সেদিন বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের দায়িত্বরতদের এবং দুদকের দায়িত্বে কে ছিলেন তার তালিকাও দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের তিনটি বিভাগে ২০১০ সাল থেকে কর্মরত ৩৯৪ জন কর্মরত কর্মকর্তার তালিকা দাখিল করা হয়। ওই তিন বিভাগে ২০০৮ থেকে ২০২০ সালে দায়িত্বে থাকাদের নাম, পদবি, ঠিকানা সরবরাহ করতে ২১ জানুয়ারি নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট। একই সঙ্গে ওই সময়ে অর্থ পাচার রোধে এসব কর্মকর্তার ব্যর্থতা আছে কিনা এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা তা ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে বলা হয়েছিল। এ আদেশ অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ডিপার্টমেন্ট অব ফিন্যানশিয়াল ইনস্টিটিউশন্স অ্যান্ড মার্কেটস-১৪৭ জন, ফিন্যানশিয়াল ইনস্টিটিউটশন্স ইন্সপেকশন ডিপার্টমেন্ট-৫৭ জন, ইন্টারনাল অডিট ডিপার্টমেন্ট-১৯০ জন ২০১০ সাল থেকে কর্মরত আছেন। এর আগে ২০০৮ ও ২০০৯ সালে ম্যানুয়েল সিস্টেম থাকায় তাদের তালিকা প্রণয়নে সময় চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ছাড়া জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে ব্যর্থ বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ জন্যও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সময় প্রয়োজন। ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিনে ‘পি কে হালদারকে ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাইবে দুদক’ শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে ১৯ নভেম্বর তাকে বিদেশ থেকে ফেরাতে এবং গ্রেফতার করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়ে স্বতঃপ্রণোদিত আদেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট।

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর