শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩৩, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি

নানক : রাজনীতি মানেই দুর্নীতি - দ্বিতীয় পর্ব
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি

২০০৯ সালে প্রতিমন্ত্রী থাকার পর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল করলে জাহাঙ্গীর কবির নানককে আর মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি। ধারণা করা হয়, শেখ হাসিনা তার ব্যাপক সীমাহীন দুর্নীতির খবর জেনেছিলেন। এ কারণেই তাকে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হলেও জাহাঙ্গীর কবির নানক বিনা ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। মন্ত্রী না হলে কী হবে, এমপি হিসেবে তিনি শুরু করেন ব্যাপক লুটপাট এবং ভূমি দখল। এ সময় জাহাঙ্গীর কবির নানক মোহাম্মদপুরের দিকে নজর দেন। দুর্নীতি, সন্ত্রাস এবং মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত করেন নিজ নির্বাচনি এলাকাকে। মোহাম্মদপুরে বিভিন্ন বাড়িঘর, জমিজমা দখলের দিকে মনোনিবেশ করেন। একের পর এক জমি দখল করতে থাকেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। আর এ সময় তার সহায়তাকারী হিসেবে আসেন আরেক আওয়ামী লীগের এমপি প্রয়াত আসলামুল হক। আসলামুল হক মূলত জমির দালালি ব্যবসা করতেন। সেই সূত্রে তিনি কোথায়, কোন জমি বিতর্কিত, কোথায় খাস জমি আছে কিংবা কোন জমির মালিকের অবস্থা দুর্বল ইত্যাদি তথ্যগুলো জাহাঙ্গীর কবির নানককে দিতেন। জাহাঙ্গীর কবির নানক সেই অনুযায়ী তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে এসব জমিজমা এবং সম্পদ দখল করতেন। উল্লেখ্য, জাহাঙ্গীর কবির নানক আওয়ামী লীগের একমাত্র নেতা, যিনি ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং আওয়ামী লীগের পর্যায়ক্রমে নেতা হয়েছিলেন। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পর তিনি যুবলীগের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। যুবলীগের চেয়ারম্যান হওয়ার সময় তিনি তার সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক তৈরি করেন। এ সময় নানকের পৃষ্ঠপোষকতায় সম্রাট, খালেদসহ শীর্ষ সন্ত্রাসীরা যুবলীগের ছায়াতলে আসেন। জাহাঙ্গীর কবির নানক ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের হরতাল, আন্দোলন ইত্যাদিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন। বিভিন্ন বাসে গানপাউডার দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে ফেলা এবং নারকীয়ভাবে হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। বিশেষ করে ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর বিএনপির ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন লগি-বৈঠা আন্দোলনের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। সেদিন সাপের মতো জামায়াতের লোকজনকে পেটানো হয়। এখান থেকেই নানক সন্ত্রাসীদের গডফাদার হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন। তার সেই অভিজ্ঞতা তিনি কাজে লাগান দ্বিতীয় দফায় এমপি হয়ে। এ সময় তিনি মন্ত্রণালয় কর্তৃক নয়, বরং এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস শুরু করেন। শুরু করেন ভূমি দখল, চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন। মোহাম্মদপুরের অন্যতম একটি এলাকা জেনেভা ক্যাম্প। জেনেভা ক্যাম্প হলো মাদক এবং অবৈধ অস্ত্রের অভয়ারণ্য। এখানে নানারকম মাদক কেনাবেচা যেমন হতো, তেমনি অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচার জায়গা। ২০১৪ সালের পর অল্প সময়ের মধ্যে নানক মোহাম্মদপুর এলাকার জেনেভা ক্যাম্প তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। জেনেভা ক্যাম্পের সব মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ আসে তার হাতে। এ সময় নানকের নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী জেনেভা ক্যাম্পের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। ২০১৫ সালে মাদক এবং অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জেনেভা ক্যাম্পে নানকের ক্যাডারদের সঙ্গে জেনেভা ক্যাম্পবাসীর বিরোধ সৃষ্টি হয়। এখানে সহিংসতার ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়। সেই বিরোধে জাহাঙ্গীর কবির নানক পুলিশের সহায়তা নিয়ে জেনেভা ক্যাম্পের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন। এখানে মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান ব্যবসার মাসোহারা যেত নানকের পকেটে। নানকের দ্বিতীয় মনোযোগ ছিল বসিলা এলাকা। মোহাম্মদপুর পেরিয়ে বসিলার অনেক বিরান জমিজমা। যেখানে নিরীহ মানুষেরা বসবাস করতেন। বেশির ভাগ জমিই খালি পরে থাকতঅ সেই জমি জাহাঙ্গীর কবির নানক একে একে দখল করতে থাকেন। যেই তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে, এসব দখলের বিরুদ্ধে কথা বলতে চেয়েছে তাকেই গুম করা হয়েছে অথবা বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। জাহাঙ্গীর কবির নানকের এই আগ্রাসি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকাবাসী এক ভয়ংকর আতঙ্কের মধ্যে থাকতেন সব সময়। পুরো মোহাম্মদপুর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে জমি নিয়ে কিছু বিরোধ আছে, যেখানে জমি নিয়ে কিছু দুর্বলতা আছে সেখানেই জাহাঙ্গীর কবির নানকের কালো থাবা পড়ত। এ সময় গোটা মোহাম্মদপুরে ভূমি দখলদার হিসেবে আবির্ভূত হন জাহাঙ্গীর কবির নানক। একের পর এক জমি দখল, বাড়ি দখল করে নানক এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। এর ফলে নানক হয়ে ওঠেন এলাকার অঘোষিত গডফাদার। শুধু জমি দখল নয়, নানকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে শুরু হয় বাজার দখল কার্যক্রম। যেখানেই নানক দেখেছেন বিভিন্ন রকম কাঁচা বাজার বা বড় বাজার বসেছে, সেই বাজারগুলোর দিকে নানকের নজর পড়ে। এ বাজারগুলো দখল করার জন্য নানক একের পর এক ক্যাডার বাহিনী নিয়োগ দেন। শুধু তাই নয়, মোহাম্মদপুর তার নির্বাচনি এলাকায় এ সময় যে কোনো উন্নয়ন কাজ হলে বাড়িঘর নির্মাণ বা অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ, দোকানপাট নির্মাণ হলে নানককে কমিশন দিতে হতো। নানক পুরো মোহাম্মদপুরে একটা বিকল্প সরকারব্যবস্থা কায়েম করেন, যেখানে তাকে টাকা না দিয়ে কোনো নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব ছিল না। প্রথম দিকে এ নিয়ে লোকজন আপত্তি করলে পরবর্তীতে দেখা যায় যে পুলিশ নানকের পক্ষে কাজ করেন। ফলে সাধারণ মানুষও প্রতিবাদহীন, অসহায় হয়ে পড়েন।

মোহাম্মদপুর এলাকা যে সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হয়েছিল সেটি মূলত জাহাঙ্গীর কবির নানকের জন্যই। এর মাধ্যমে জাহাঙ্গীর কবির নানক পুরো এলাকার কর্তৃত্ব গ্রহণ করেন। নানক তার সন্ত্রাসী তৎপরতার মাধ্যমে অবৈধ অর্থ উপার্জনের জন্য একটি ক্যাডার বাহিনী করে ছিলেন। মোহাম্মদপুরের অন্তত পাঁচটি এলাকায় তৈরি করেছিলেন টর্চার সেল। যারাই নানকের বিরোধিতা করত, প্রতিবাদ করার চেষ্টা করত তাদের টর্চার সেলে নিয়ে যাওয়া হতো এবং নির্যাতন করা হতো। এ সময় নানকের বিরুদ্ধে কেউ টুঁশব্দ করা মানেই ছিল টর্চার সেলে নির্যাতন ভোগ। বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নানক মোহাম্মদপুর এলাকা, বসিলা এলাকায় প্রায় ১০০ বিঘা জমি অবৈধভাবে দখল করেছেন। এ জমিগুলোর ব্যাপারে তিনি দুটি কাজ করতেন। প্রথমত, এ জমিগুলোর কিছুটা তিনি আসলামুল হক এবং অন্যদের কাছে বিক্রি করে দিতেন। ভূমি পাওয়ার পর বিনিময়ে আসলামুল হক বাজারমূল্য দিতেন জাহাঙ্গীর কবির নানককে। দ্বিতীয়ত, তিনি কিছু কিছু জমি তার নিজস্ব ক্যাডারদের দিতেন। সেই ক্যাডারদের কাছ থেকেও তিনি অর্থ আদায় করতেন। এভাবেই জাহাঙ্গীর কবির নানক পাঁচ বছরে বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে যান। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নানক শুধু মোহাম্মদপুর এলাকায় ২৮টি ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন বলে বাংলাদেশ প্রতিদিনের কাছে নিশ্চিত তথ্য আছে। এসব ফ্ল্যাট থেকে ভাড়া আহরণ করা এবং ফ্ল্যাটগুলো কেনার পর আবার অন্যজনের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার মাধ্যমে নানক অর্থ উপার্জনের নিত্যনতুন কলাকৌশল আবিষ্কার করেছিলেন। জাহাঙ্গীর কবির নানকের পাঁচ বছরের রাজত্বে মোহাম্মদপুরবাসীর দম বন্ধ হয়ে উঠেছিল। শুধু তাই নয়, এ সময় জাহাঙ্গীর কবির নানক মোহাম্মদপুরে নানারকম অপকর্মের মধ্যে নিজেকে জড়িয়েছিলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট গিয়েছিলেন সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। এ সাক্ষাতের সময় নানকের ক্যাডার বাহিনী ওই গাড়ির ওপর হামলা করে। নানকের নির্দেশে এ হামলা পরিচালিত হয়। লুণ্ঠন, দুর্বৃত্তায়ন, লুটপাট যেন শেখ হাসিনা ক্ষমা করে দেন সেজন্য শেখ হাসিনার প্রিয়ভাজন হতেই মার্শা বার্নিকাটের ওপর আক্রমণ পরিচালনা করেছিলেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। কিন্তু এ আক্রমণ পরিচালনা করে নানকের হিতে বিপরীত হয়। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হয় ব্যাপকভাবে। ফলে ২০১৮ সালে নির্বাচনে নানক আর মনোনয়ন পাননি। কিন্তু পাঁচ বছরে তিনি মোহাম্মদপুরে যে অত্যাচার, নিপীড়ন, ভূমি দখল, বাজার দখল, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন তা এলাকার মানুষ এখনো ভুলতে পারে না।

এই বিভাগের আরও খবর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
অঙ্গীকার করতে হবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে
অঙ্গীকার করতে হবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে
ঢাকায় ১২৩ সংগঠনের ১,৬০৪ বার অবরোধ
ঢাকায় ১২৩ সংগঠনের ১,৬০৪ বার অবরোধ
দেশে ভোটার সাড়ে ১২ কোটি
দেশে ভোটার সাড়ে ১২ কোটি
সংস্কার জীবন্ত প্রক্রিয়া, জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে
সংস্কার জীবন্ত প্রক্রিয়া, জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বাকৃবি হল ত্যাগের নির্দেশ
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বাকৃবি হল ত্যাগের নির্দেশ
আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ
আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ
প্রতিবন্ধীরা ভোটাধিকার পাবেন
প্রতিবন্ধীরা ভোটাধিকার পাবেন
হত্যাচেষ্টা মামলায় ফখরুলকে অব্যাহতি
হত্যাচেষ্টা মামলায় ফখরুলকে অব্যাহতি
তারা এখন পাটের ব্যাগ বানাবে
তারা এখন পাটের ব্যাগ বানাবে
দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত
দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত
সুষ্ঠু ভোট নিয়ে সংশয়ের কথা জানাল বিএনপি
সুষ্ঠু ভোট নিয়ে সংশয়ের কথা জানাল বিএনপি
সর্বশেষ খবর
হোটেল ওয়েস্টিনে মিলল মার্কিন নাগরিকের লাশ
হোটেল ওয়েস্টিনে মিলল মার্কিন নাগরিকের লাশ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকৃবি ও চবিতে হামলার রাতে ঘটনায় শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল
বাকৃবি ও চবিতে হামলার রাতে ঘটনায় শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভ্রমণে গিয়ে এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি
ভ্রমণে গিয়ে এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

‘মুনিয়ার ঘটনায় তৌহিদ আফ্রিদি রেহাই পেয়েছে পিএম অফিসের জন্য’
‘মুনিয়ার ঘটনায় তৌহিদ আফ্রিদি রেহাই পেয়েছে পিএম অফিসের জন্য’

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিপিএলে সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরি
সিপিএলে সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নড়াইলে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪
নড়াইলে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল
আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা
গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের
চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার
শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন
পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?
কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার
রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ
আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য
ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি

সম্পাদকীয়

রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়
রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি
মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও
স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!
ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

বেগম জিয়া না মজনু? প্রচারণায় অন্যান্য দল
বেগম জিয়া না মজনু? প্রচারণায় অন্যান্য দল

নগর জীবন

পশ্চিমা বাজারের ওপর নির্ভরতা পোশাক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ
পশ্চিমা বাজারের ওপর নির্ভরতা পোশাক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ

পেছনের পৃষ্ঠা

জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের
জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের

মাঠে ময়দানে

৫৬ জেলে এখনো নিখোঁজ
৫৬ জেলে এখনো নিখোঁজ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির পাঁচ মনোনয়নপ্রত্যাশী জোর প্রচারণায় জামায়াত
বিএনপির পাঁচ মনোনয়নপ্রত্যাশী জোর প্রচারণায় জামায়াত

নগর জীবন

রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা
রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

গুজব সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয় শেয়ারবাজারে
গুজব সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয় শেয়ারবাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থী কম
শিক্ষার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থী কম

পেছনের পৃষ্ঠা

আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ
আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবার খুলছে সুন্দরবন
আবার খুলছে সুন্দরবন

পেছনের পৃষ্ঠা

অশুভ শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান : তারেক রহমান
অশুভ শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান : তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ আশ্রয়ণের ঘর বসবাসের অনুপযোগী
জরাজীর্ণ আশ্রয়ণের ঘর বসবাসের অনুপযোগী

নগর জীবন

ভয়াবহ হয়ে উঠছে নারী নির্যাতন
ভয়াবহ হয়ে উঠছে নারী নির্যাতন

নগর জীবন

দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত
দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত

প্রথম পৃষ্ঠা

১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান
১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার
বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার

দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই
কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই

পেছনের পৃষ্ঠা

কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর

প্রথম পৃষ্ঠা

মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫
মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫

দেশগ্রাম

ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে
ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে

প্রথম পৃষ্ঠা

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি
ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি

পূর্ব-পশ্চিম

কুড়িগ্রামে ১০ টাকার হাসপাতাল
কুড়িগ্রামে ১০ টাকার হাসপাতাল

দেশগ্রাম