শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ০২:১৩
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:১০
প্রিন্ট করুন printer

ট্রাম্পকে ছেড়ে গেলেন মেলানিয়া, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

ট্রাম্পকে ছেড়ে গেলেন মেলানিয়া, ভিডিও ভাইরাল

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী মেলানিয়ার ভিডিও মাঝে মধ্যেই ভাইরাল হয়। কখনো অদ্ভুত কায়দায় মেলানিয়াকে ডাকা বা প্রকাশ্যে স্বামীর হাত ধরতে না চাওয়া ইত্যাদি নিয়ে বিভিন্ন সময় ট্রাম্প দম্পতির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। স্বামী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সদ্য সাবেক ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও হোয়াইট হাউস ছেড়েছেন স্বাভাবিকভাবেই। এসময় ভিডিওতে দেখা যায়, তাকে নিয়ে একটি পোজ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন স্বামী ট্রাম্প। কিন্তু সেই পোজ দিতে নারাজ মেলানিয়া। ট্রাম্পকে এড়িয়ে গিয়ে বিলাসবহুল গাড়িতে সরাসরি উঠে যান মেলানিয়া।

ফ্লোরিডায় এমনই এক দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী হয়েছে। মেলানিয়ার এমন কর্মকাণ্ডে স্বাভাবিকভাবেই মিডিয়ারও নজর কাড়ল।সস্ত্রীক ট্রাম্প যখন সেখানে বিমান থেকে নামেন তখন তাদের ছেঁকে ধরে মিডিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। কিন্তু স্বামীকে ছেড়ে এগিয়ে যান মেলানিয়া। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। অনেকে হাসি ঠাট্টাও শুরু করেছে। 

ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ার একটি আনকোরা পেজ থেকে আপলোড করা হয়। যেখানে মাত্র ৫ হাজার সাবস্ক্রাইবার। কিন্তু ওই ভিডিওর ভিউ ইতিমধ্যে ৫০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। পরে ওই ভিডিওটি জায়গা করে নেয় দ্য গার্ডিয়ানসহ বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম গুলোতে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:৩৫
প্রিন্ট করুন printer

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস: বিয়েতে খরচ ৩০ লাখ, সমাধি হয় মাত্র ১০ রুপিতে!

অনলাইন ডেস্ক

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস: বিয়েতে খরচ ৩০ লাখ, সমাধি হয় মাত্র ১০ রুপিতে!
নবাব ওয়াজির আলি খান

উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি ছিলেন অযোধ্যার নবাব। ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দে তার বিয়েতে খরচ হয়েছিল ৩০ লাখ রুপি। তার মাত্র ২৩ বছর পরে বন্দিদশায় অবর্ণনীয় যন্ত্রণার পর মৃত্যু হয়েছিল নবাব ওয়াজির আলি খানের। তাকে সমাধিস্থ করতে ব্রিটিশ শাসক খরচ করেছিল ১০ রুপি। কলকাতার কাসিয়াবাগানে কোথায় হারিয়ে গিয়েছে সেই সমাধি।

নবাবি ওয়াজিরের জন্ম ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দের ১৯ এপ্রিল। তিনি ছিলেন নবাব আসফউদদৌল্লাহর বোনের ছেলে। পরে তাকেই দত্তক নেন অপু্ত্রক নবাব। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ওয়াজিরের বিয়ের আয়োজন করেন তার পালক পিতা। কয়েক মাস ধরে লখনউয়ে চলে তার বিয়ের উৎসব।

তার ৩ বছর পরে মৃত্যু হল আসফউদদৌল্লাহর। ব্রিটিশদের সমর্থনে সিংহাসনে অভিষেক হল ওয়াজিরের। তিনি কিন্তু ব্রিটিশদের সুরে সুর মেলাতে পারলেন না। প্রথম থেকেই বিরোধ বাঁধতে শুরু করল। ব্রিটিশদের মোকাবিলা করার ক্ষমতা কিন্তু ছিল না ওয়াজিরের। তিনি পরিবর্তে ব্রিটিশদের অপদস্থ করতে শুরু করলেন।

ওয়াজিরের আচরণ ধুরন্ধর ব্রিটিশের কাছে স্পষ্ট হতে সময় নিল না। তারা সিংহাসন থেকে তাকে সরিয়ে বসালেন দ্বিতীয় সাদাত আলিকে। তিনি ছিলেন সম্পর্কে ওয়াজিরের আত্মীয় । সিংহাসনচ্যুত ওয়াজিরকে বার্ষিক ৩ লাখ রুপি ভাতায় বারাণসী নির্বাসনে পাঠানো হল।

অসহায় ওয়াজিরকে সেই নির্বাসন দণ্ড মেনে নিতে হল। লখনউ থেকে তিনি চলে গেলেন বারাণসী। সেখানে রেসিডেন্ট জর্জ চেরীর দরবারে তাকে তলব করা হল। এর পর তার নির্বাসন ঠিকানা কোথায় হবে, ঠিক হওয়ার কথা ছিল ওই দরবারেই। ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ জানুয়ারি পদচ্যুত নবাব হাজির হলেন চেরীর দরবারে।

ঠিক তলব রক্ষা উদ্দেশ্য ছিল না ওয়াজিরের। তিনি সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন অনুগত ফৌজদের। তারা আক্রমণ করল চেরী-কে। ওয়াজিরের ফৌজের আক্রমণে প্রাণ হারালেন চেরী। মৃত্যু হল ক্যাপ্টেন কনওয়ে এবং মিস্টার গ্রাহামেরও।

এরপর ওয়াজির চললেন বারাণসীর তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট স্যামুয়েস ডেভিসের বাসভবনের দিকে। সেখানে বাড়ির সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ডেভিস সাহেব একা বর্শাহাতে ঠেকিয়ে রাখলেন তাদের আক্রমণ। তাকে রক্ষা করতে ব্রিটিশ বাহিনী চলে আসায় ঘটনাস্থল ছেড়ে পালান ওয়াজির ও তার সঙ্গীরা।

এই ঘটনা পরিচিত ‘বারাণসী তাণ্ডব’ নামে। বারাণসী ছেড়ে অনুচরসমেত ওয়াজির চলে গেলেন দাক্ষিণাত্যের বেরার প্রদেশে (বর্তমানে হায়দরাবাদ)। কিন্তু সেখানে গিয়ে শেষরক্ষা হল না। ব্রিটিশ ফৌজদের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। বন্দি ওয়াজিরকে পাঠিয়ে দেওয়া হল তৎকালীন রাজধানী কলকাতায়।

ব্রিটিশদের বিচারে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন অতীতের নবাব। তার জীবনের বাকি দিনগুলো কেটেছিল ফোর্ট উইলিয়ামের এক নির্জন কুঠুরিতে। অনাহারে বন্দিদশা কেটেছিল অতীতের অযোধ্যার সিংহাসনের উত্তরাধিকারীর। তেষ্টায় কাতর হয়ে গেলেও বরাদ্দের বেশি একফোঁটা পানিও তাকে দেওয়া হত না।

১৮১৭ খ্রিস্টাব্দের ১৫ মে কলকাতায় মৃত্যু হয়েছিল ওয়াজির আলি খানের। তখন তার বয়স মাত্র ৩৭ বছর। তার শেষকৃত্যের জন্য ফোর্ট উইলিয়াম থেকে বরাদ্দ করা হয়েছল মাত্র ৭০ রুপি। কবর দেওয়ার খরচ হিসেবে পড়েছিল সাকুল্যে ১০ রুপি।

তখনকার নিরিখে যদিও সেই বরাদ্দ কম ছিল না ঠিকই। কিন্তু যখন মনে পড়ে ওই ঘটনার ২৩ বছর আগে ওয়াজিরের বিয়েতে ৩০ লাখ রুপি লখনউয়ের বাতাসে উড়েছিল, তখন তার ভাগ্যের পরিহাস সত্যি বেশি কটু মনে হয়।

৩৭ বছরের জীবনে নবাবের শেষ ১৭ বছর কেটেছিল কারাগারে। অযোধ্যার সিংহাসনে ছিলেন মাত্র ৪ মাস। ১৭৯৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭৯৮ সালের ২১ জানুয়ারি। তারপরই সিংহাসনচ্যুত হন।

রেখে গিয়েছিলেন ৪ সন্তানকে। তারা হলেন মির্জা জালালউদ্দিন হায়দর আলি জান বাহাদুর, নবাব মুবারক উদ-দৌলা, মির্জা মহম্মদ আলি খান এবং শাহিবজাদি সাদাতউন্নিসা বেগম। তাদের মধ্যে মুবারক উদ দৌলা পরবর্তীতে চলে গিয়েছিলেন অটোমান সাম্রাজ্যের দিকে। তবে তার সম্বন্ধেও খুব বেশি জানা যায়নি। বাকিরাও মিলিয়ে গিয়েছেন কালের স্রোতে।

ওয়াজির আলি খানের সমাধিও আজ হারিয়ে গিয়েছে। গোমতীপারের শহর থেকে শুরু হয়ে তার যাত্রা শেষ হয়ে গিয়েছিল গঙ্গার ধারে বাংলায়। কলকাতার মাটি নিজের কোলে টেনে নিয়েছে ৪ মাস নবাবের দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পাওয়া এই হতভাগ্য অকালমৃতকে। সূত্র: আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:২১
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:২৮
প্রিন্ট করুন printer

গ্রিন কার্ডের বিষয়ে ট্রাম্পের আদেশ বাতিল বাইডেনের

অনলাইন ডেস্ক

গ্রিন কার্ডের বিষয়ে ট্রাম্পের আদেশ বাতিল বাইডেনের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্থানীয় সময় বুধবার গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের ফের মার্কিন নাগরিকত্ব লাভের সুযোগ করে দিয়েছেন। বৈধ অভিবাসনের বিষয়ে বিদ্যমান বাধাও দূর করেছেন। অভিবাসন নিয়ে এসব বাধা তৈরি করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর প্রকাশ করেছে।

ট্রাম্পের ওই আদেশ অনেক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারিতে মার্কিনীদের বেকারত্বের হার কমাতে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেসময় ট্রাম্প এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে বলেছিলেন, করোনাভাইরাস মহামারিজনিত কারণে উচ্চ বেকারত্বের মধ্যে মার্কিন শ্রমিকদের রক্ষা করা দরকার ছিল। 

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞাটি প্রত্যাহার করেছেন। বাইডেন বলেছেন, ট্রাম্পের এই আইন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে মার্কিন নাগরিকদের পরিবারের সদস্য ও বৈধ স্থায়ী বাসিন্দারা এখানে আসতে পারেনি। সারা বিশ্বে মেধাবীদের কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষিত হয়নি।  

দায়িত্ব নেওয়ার পর মুসলিমদের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞাসহ ট্রাম্পের বেশ কয়েকটি অভিবাসন নীতি বদলে দিয়েছেন জো বাইডেন।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:১৩
প্রিন্ট করুন printer

ভূতের আছর থেকে পরিবারকে বাঁচাতে খুনির পৈশাচিক কাণ্ড!

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভূতের আছর থেকে পরিবারকে বাঁচাতে খুনির পৈশাচিক কাণ্ড!
খুনি অ্যান্ডারসন

প্রতিবেশীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে তার হৃৎপিণ্ড রান্না করে খেয়েছেন ঘাতক পরিবার। এমনই পৈশাচিক কাণ্ড ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা প্রদেশে। ভূতের আছর থেকে বাঁচতে এই গা শিউরে ওঠা বিভৎস পরিকল্পনা করে হত্যাকারী। খবর ডেইলি মেইলের।

জানা গেছে, লরেন্স অ্যান্ডারসন (৪২) ওকলাহোমার চিকাশার বাসিন্দা। তিনি গত ৯ ফেব্রুয়ারি তার প্রতিবেশী আন্দ্রেয়া লিন ব্ল্যাঙ্কেনশিপকে (৪১) ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ। পরে অ্যান্ডারসন তার হৃৎপিণ্ড কেটে বের করে নেন। এরপর হৃৎপিণ্ড নিয়ে যান তার চাচা-চাচির বাড়ি। ওই ব্যক্তি (লরেন্স অ্যান্ডারসন) আলু দিয়ে হৃৎপিণ্ড রান্না করেছিলেন। তার ইচ্ছা ছিল রান্না করা ওই হৃৎপিণ্ড তার পরিবারকে খাওয়াবেন। ভূতের আছর থেকে তার পরিবারকে বাঁচাতে এই কাজ করেছিলেন। 

তবে এত কিছু করেও রক্ষা পাননি খুনি অ্যান্ডারসন। স্থানীয় পুলিশ তাকে আটক করে ওই ঘটনার দিনই। বর্তমানে লরেন্স অ্যান্ডারসন স্থানীয় গ্রেডি কাউন্টি জেলে বন্দি। তার অভিযোগগুলো এখন বিচারাধীন। গ্রেডি কাউন্টির জেলা অ্যাটর্নি জেসন হিক্স বলেছেন, তার মৃত্যুদণ্ডের নথিপত্র ‘টেবিলে রয়েছে’।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০৩
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০৪
প্রিন্ট করুন printer

মিয়ানমারে সেনা শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত

অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমারে সেনা শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত

মিয়ানমারে সেনা শাসনের বিরুদ্ধে আজও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। সকাল থেকেই দাওই শহরে রাস্তায় শান্তিপূর্ণ মিছিল করে কয়েকশ মানুষ। এছাড়া ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় নেমেছেন চিকিৎসক, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তিন সপ্তাহ ধরে চলমান এ বিক্ষোভে সাত শতাধিক মানুষকে আটক করেছে জান্তা সরকার। এদিকে থাইল্যান্ড সফরে গেছেন জান্তা সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উন্না মং লুইন। দক্ষিণপূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ান সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করতে প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে গেলেন তিনি। সেখানে থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর এই উদ্যোগ নিয়ে সন্দেহ পোষণ করছেন মিয়ানমারে গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলনরতরা। তারা মনে করছেন এই উদ্যোগের মাধ্যমে জান্তা সরকারকে বৈধতা দেওয়া হতে পারে।  

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৫৫
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

আসছে হিলারি ক্লিনটনের রাজনৈতিক উপন্যাস 'স্টেইট অব টেরর'

অনলাইন ডেস্ক

আসছে হিলারি ক্লিনটনের রাজনৈতিক উপন্যাস 'স্টেইট অব টেরর'
ফাইল ছবি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নারী রাজনীতিবিদ হিসেবে একাধিক পরিচয় রয়েছে তার। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার পাশাপাশি সামাজিক কাজে লিপ্ত থাকতে ভালোবাসেন হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন। বর্ণময় তার ক্যারিয়ার। তিনি নিজে স্বনামধন্য লেখিকা এবং উকিলও বটে। বিল ক্লিনটন দুই দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তখন ফার্স্ট লেডি হিসেবে আট বছর হোয়াইট হাউসে পার করেন হিলারি। পরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন। আরও পরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়েন।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে হিলারি বিশ্ব মঞ্চে দাপটের সঙ্গে কাজ করেন। আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ নীতিতে হিলারির কূটনৈতিক দক্ষতাকে সমীহের চোখে দেখা হয়। ২০১৬ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হন হিলারি। তবে তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যান। সেই হিলারি এবার একটি উপন্যাস লিখছেন। অবশ্য শুধু উপন্যাস না বলে রাজনৈতিক রোমাঞ্চ ইতিহাস বলাই উচিত।

জনপ্রিয় কানাডিয়ান লেখক লুইস পেনির সঙ্গে যৌথভাবে উপন্যাসটি লিখছেন তিনি। বইটি আগামী অক্টোবরে বাজারে আসবে বলে জানানো হয়েছে। 'স্টেইট অব টেরর' নামের রাজনৈতিক থ্রিলারধর্মী উপন্যাসটিতে ইতিহাস নয়, জোর দেওয়া হয়েছে আধুনিক সময় বিশ্বকে নাড়িয়ে দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের ঘটনার ওপর। ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচন, যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার সম্পর্ক, রাজনীতির কুটচাল, নায়ক-খলনায়কসহ সবই থাকবে বইটিতে।

হিলারির বর্ণনায় উঠে আসতে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভ্লাদিমির পুতিনসহ সমসাময়িক নানা চরিত্র। ট্রাম্প যুগে আমেরিকার ছবি কেন নিম্নমুখী হয়েছে তা নিয়েও বর্ণনা থাকতে পারে। বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকার সময় ওসামা বিন লাদেন হত্যায় কীভাবে নীল নকশা করেছিল আমেরিকা তা নিয়েও আলাদা করে উল্লেখ থাকতে পারে এই বইয়ে। ইতিমধ্যেই প্রকাশনা সংস্থা জানিয়েছে বইটির চাহিদা বাজারে যথেষ্ট। এখন দেখার বিষয় হলো হিলারির এই বই বাজারে কতটা ঝড় তুলতে পারে। 

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর