আর্জেন্টিনা জলসীমায় মাছ ধরা বিদেশি জাহাজের অর্ধেকেরও বেশি ট্র্যাকিং বন্ধ করে বাধ্য হয়ে কৌশলে কার্যক্রম লুকিয়ে রেখেছে। যার ৬৬ শতাংশ ঘটনার জন্য চীনা নৌবহর দায়ী।
এছাড়াও এনজিও গ্লোবাল ফিশিং ওয়াচের তথ্য বিশ্লেষণ করে ওশেনা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আর্জেন্টিনার জলসীমায় প্রায় ৭০ শতাংশ দৃশ্যমান মাছ ধরার জন্য ৪৩০টিরও বেশি চীনা পতাকাযুক্ত জাহাজ দায়ী।
ওশেনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৮০০টি জাহাজ, যার অর্ধেকেরও বেশি চীন থেকে এসেছে, জানুয়ারি ২০১৮ থেকে এপ্রিল ২০২১ এর মধ্যে আর্জেন্টিনার জলসীমার ২০ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ সিস্টেমের (এআইএস) মাধ্যমে প্রায় ৯ লাখ ঘণ্টা মাছ ধরেছে।
ওশেনা বিশ্লেষকরা বলছেন, আর্জেন্টিনার কাছে মাছ ধরা চীনা জাহাজের মধ্যে ১৭৩টি তাদের এআইএস বন্ধ হওয়ার এক মাসের মধ্যে ট্রান্সশিপমেন্ট ছিল।
'মাছ ধরার সময় আপনি মহাসাগরে যেখানে আছেন সেখানে আপনার লুকিয়ে থাকা উচিত নয়। তারা যদি আইনগত কিছু করে থাকে তবে তারা কেন এটি বন্ধ করে দিয়েছে? তাদের এআইএস চালু রাখা উচিত যাতে বিশ্ব দেখতে পারে কী ঘটছে', বলেন ওশেনায় মার্কিন প্রচারণার উপ-ভাইস-প্রেসিডেন্ট বেথ লোয়েল।
এদিকে, এসসিএমপি জানিয়েছে, চীনা জাহাজগুলো আর্জেন্টিনা এবং ইকুয়েডরের মতো দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর পানির চারপাশে একত্রিত হচ্ছে। চীনের অবৈধ নৌবহরে মাছ ধরার ঘটনা সমালোচনার মুখে পড়েছে।
বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির