শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:২৩, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল, ২০২৬

এত শক্তিধর হয়েও ইরান যুদ্ধে কেন জয় পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র, সিএনএনের বিশ্লেষণ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
এত শক্তিধর হয়েও ইরান যুদ্ধে কেন জয় পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র, সিএনএনের বিশ্লেষণ

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। দেশটি ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে গোটা মধ্যপ্রাচ্য অগ্নিগর্ভে পরিণত হয়েছে। এছাড়া বিশ্ব জালানি পরিহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এতে বিশ্বের জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থেকেও কেন দ্রুত জয় পাচ্ছে না আমেরিকা- এই প্রশ্ন এখন গোটা বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রে। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ইরানের কৌশলগত পাল্টা চাল, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তার প্রভাব এবং রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে এই যুদ্ধ ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। ফলে শক্তির লড়াই নয়, এখন মূল প্রতিযোগিতা কে কতটা চাপ সৃষ্টি করতে পারে সেই ‘প্রভাব বিস্তারের’ খেলায়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই যুদ্ধ নিয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইউক্রেনের হাতে কোনও ‘কার্ড’ নেই বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই বলে থাকেন। কিন্তু ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এখন আমেরিকার নিজের অবস্থান নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। সামগ্রিকভাবে দেখলে, জনসংখ্যা, সামরিক শক্তি ও অর্থনীতির দিক থেকে ইরানের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র অনেক এগিয়ে। এর সঙ্গে ইসরায়েলের শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা ও গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক যুক্ত হলে তেহরানের সঙ্গে এই লড়াইটি অসম বলেই মনে হয়।

তবে বাস্তবে ইরান তাদের সীমিত শক্তিকেই কৌশলগতভাবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভীষণ চাপ সৃষ্টি করছে। নিজেদের জনগণকে বড় ধরনের ক্ষতি সহ্য করতে বাধ্য করেও তারা টিকে আছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, ইরান বরং কৌশলগত উদ্যোগ নিজেদের হাতে নিতে পেরেছে।

যুদ্ধের এক মাস পর এটি এখন শক্তির লড়াই নয়, বরং ‘লিভারেজ’ বা প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে। ট্রাম্পের হাতে বেশি শক্তি থাকলেও নিশ্চিত জয় পেতে হলে তাকে বড় ধরনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি মেনে নিতে হতে পারে, আর এটি তিনি এড়িয়ে চলতে চান।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি হারাতে না পারলেও ইরান একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। আর তা হচ্ছে- হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া। এটি বিশ্ব জ্বালানি রফতানির একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতি চাপে পড়ে গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও রাজনৈতিক চাপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ট্রাম্পের কূটনৈতিক সাফল্য কি সীমিত?
সিএনএন বলছে, হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ওই ব্রিফিংয়ে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, ইরান কয়েক দিনের মধ্যে অতিরিক্ত ২০টি তেলবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে, এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কূটনৈতিক সাফল্য।

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার তথ্যানুযায়ী, যুদ্ধের আগে প্রতিদিন ১০০টির বেশি জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ ব্যবহার করতো। সে তুলনায় ২০টি জাহাজ খুবই সামান্য। অর্থাৎ, এই ‘সাফল্য’ আসলে যুদ্ধের কারণে তৈরি সমস্যার সামান্য অংশ কমানো ছাড়া কিছু নয়।

বাস্তবতা হলো- যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সামরিক শক্তি ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে পারে। কিন্তু যদি মার্কিন নৌবাহিনী সেখানে যায় এবং ইরান হামলা চালায় বা কোনও জাহাজ ডুবিয়ে দেয়, তাহলে তা ইরানের জন্য বড় বিজয় হবে।

এছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে স্থল অভিযানে গেলে মার্কিন সেনাদের হতাহতের ঝুঁকি থাকবে। আর এটিও ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও দুর্বল করতে পারে।

খার্গ দ্বীপ ও সম্ভাব্য ঝুঁকি
উত্তর পারস্য উপসাগরে ইরানের তেল রফতানির কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখলের বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্রের বিবেচনায় রয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের তেল নিয়ন্ত্রণে নিতে চান। এতে ইরানের অর্থনীতি দুর্বল হতে পারে, তবে এতে ইরান আত্মসমর্পণ করবে এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং তারা আরও আক্রমণাত্মক হতে পারে এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার আগ্রহ কমে যেতে পারে।

পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক অগ্রগতি হচ্ছে বলে ট্রাম্প দাবি করলেও ইরান তা অস্বীকার করছে। একই সঙ্গে ট্রাম্প তেহরানকে আলোচনায় আনতে নজিরবিহীন হামলার হুমকিও দিচ্ছেন। এ অঞ্চলে হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনা এবং আকাশপথে মোতায়েনযোগ্য হাজারেরও বেশি সেনা পাঠানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইউরেশিয়া গ্রুপের সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা ইয়ান ব্রেমার বলেন, এটি উত্তেজনা কমানোর পথ নয়, বরং পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার ইঙ্গিত। 

এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, চুক্তি না হলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র ও খার্গ দ্বীপ ধ্বংস করে দিতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্র এমন হামলা চালাতে সক্ষম হলেও, পাল্টা হামলা হলে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর ওপর বড় প্রভাব পড়বে। বৈশ্বিক বাজার অস্থির হয়ে উঠবে, মন্দার ঝুঁকি বাড়বে। এমনকি মরুভূমি অঞ্চলে পানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ লবণমুক্তকরণ প্ল্যান্টে হামলা চালানো হলে তা যুদ্ধাপরাধের প্রশ্নও সামনে আনতে পারে।

নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আরেকটি বড় ‘কার্ড’ রয়েছে। আর তা হচ্ছে— ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা। তেলের রফতানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইরানের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটিতে সাম্প্রতিক বিক্ষোভও এর কারণেই শুরু হয়েছিল। যদিও সেই বিক্ষোভ নিরাপত্তা বাহিনী কঠোরভাবে দমন করে।

তবে ইরানের তেল রফতানি বন্ধ করার চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন একপর্যায়ে ইরানি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতেও বাধ্য হয়।

এছাড়া হোয়াইট হাউসের ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবেও এমন অনেক শর্ত রয়েছে, যা তেহরান সহজে মেনে নেবে না। যেমন ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বা হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন ইরানের ওপর হামলার সংখ্যা প্রকাশ করছে। এটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ের হতাহতের হিসাবের সঙ্গে তুলনার ঝুঁকি তৈরি করছে। কারণ সেটি পুরো যুদ্ধের বাস্তব চিত্র আড়াল করেছিল।

লেভিট বলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা ধ্বংসের চাপ থেকে বাঁচতে আলোচনায় আসতে আগ্রহী হচ্ছে। তবে এই মূল্যায়ন বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মিলছে না।

ইরানের কৌশলগত সুবিধা
সামরিকভাবে পিছিয়ে থাকলেও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে ইরান বড় কৌশলগত সুবিধা পেয়েছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে আফ্রিকা ও এশিয়ার জ্বালানি ও অর্থনীতিতে পড়েছে। যদি আরও কয়েক সপ্তাহ এই পরিস্থিতি চলতে থাকে, তাহলে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে এবং ট্রাম্পের ওপর অভ্যন্তরীণ চাপও বাড়বে।

এছাড়া যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর ওপরও বড় প্রভাব পড়ছে। কারণ পর্যটন ও বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে চায় এসব দেশ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বেশিরভাগ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে বলে দাবি করলেও, ইরান অল্প কিছু হামলা চালিয়েই বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে সক্ষম হচ্ছে।

আর তাই যুদ্ধ আরও যত দীর্ঘ হবে, ট্রাম্পের ওপর চাপও তত বাড়বে এবং তাকে এমন একটি চুক্তি করতে হতে পারে, যা তাকে শক্তিশালী নয়, বরং দুর্বল অবস্থানেই নিয়ে যাবে।

সময় ফুরিয়ে আসছে
দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে ইরানের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার জরুরি। অন্যদিকে ট্রাম্পের ধৈর্যও সীমিত। দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান না হলে তিনি এমন পদক্ষেপ নিতে পারেন, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে।

কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের কর্মকর্তা ত্রিতা পারসি বলেন, একবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ট্রাম্পের পক্ষে পিছু হটা কঠিন হয়ে যাবে। তার মতে, ইরানের হাতে সময় কিছুটা বেশি থাকলেও তা সীমাহীন নয়।

মূলত যুদ্ধে ‘লিভারেজ’ বা প্রভাব বিস্তারের খেলা তখনই মূল্যবান, যখন তা কৌশলগত বিজয় এনে দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- দুই পক্ষেরই কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা রয়েছে। তবে যদি কেউই অপর পক্ষকে সমাধানের পথ না দেখায়, তাহলে এই সংঘাত শুধু দুই দেশ নয়, পুরো বিশ্বকে বড় বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে। সূত্র: সিএনএন

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা
৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি
রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
হরমুজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজ: ইউকেএমটিও
হরমুজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজ: ইউকেএমটিও
নিজের ছবিযুক্ত বিশেষ পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
নিজের ছবিযুক্ত বিশেষ পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা
হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
সর্বশেষ খবর
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

এই মাত্র | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী
মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী

৯ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা
দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা

১০ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি
ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা
‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ
উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

২৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি
২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে ৪ জনের মৃত্যু
চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে ৪ জনের মৃত্যু

৩৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেষ বাঁশিতে হতাশ ইরান, বিশ্বকাপে বাঁচার শেষ আশা যেভাবে এখন অন্যদের হাতে
শেষ বাঁশিতে হতাশ ইরান, বিশ্বকাপে বাঁচার শেষ আশা যেভাবে এখন অন্যদের হাতে

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সোনালি বুট পরে অনুশীলনে রোনালদো
সোনালি বুট পরে অনুশীলনে রোনালদো

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৫৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

শ্বাসনালীতে দুধ আটকে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু
শ্বাসনালীতে দুধ আটকে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দু’টি বোটসহ আটক ২১
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দু’টি বোটসহ আটক ২১

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন
অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনোহরগঞ্জে তিন বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কার, দুভোর্গ চরমে
মনোহরগঞ্জে তিন বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কার, দুভোর্গ চরমে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কঙ্গো ও উজবেকিস্তান
শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কঙ্গো ও উজবেকিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাকৃবি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি সেমিনার
গাকৃবি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি সেমিনার

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অভিজাত গোলরক্ষকদের তালিকায় ভোজিনহা
অভিজাত গোলরক্ষকদের তালিকায় ভোজিনহা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেঙ্গু কমে আসছে : মেয়র শাহাদাত
বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেঙ্গু কমে আসছে : মেয়র শাহাদাত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’
‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক