শিরোনাম
প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর, ২০২০ ১০:২০
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২০ ১০:৫১
প্রিন্ট করুন printer

টিআই-এর প্রতিবেদনে উঠে এল দেশে দুর্নীতির চিত্র!

অনলাইন ডেস্ক

টিআই-এর প্রতিবেদনে উঠে এল দেশে দুর্নীতির চিত্র!

বাংলাদেশে বিভিন্ন সেক্টরে সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি চিত্র উঠে এল আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)- এর প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৭২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি দুর্নীতিই হচ্ছে সবচেয়ে ‘বড় সমস্যা’। গত ১২ মাসে যারা সরকারি সেবা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে ২৪ শতাংশ মানুষ একবারের জন্য হলেও ঘুষ দিয়েছেন।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের ‘গ্লোবাল করাপশন ব্যারোমিটার-এশিয়া ২০২০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি গত মঙ্গলবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)  নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিদ্যমান সরকারি সেবাগুলোর মধ্যে নাগরিকদের সবচেয়ে বেশি ঘুষ দিতে হয় পুলিশের কাছ থেকে সেবা নিতে গিয়ে। শতাংশের হিসাবে তা হল ৩৭%। আবার সংস্থাটির দুর্নীতির হিসাবে স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে হয় ৩৫ শতাংশ।

মূলত এশিয়া অঞ্চলের ১৭টি দেশের ওপর চালানো জরিপ থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)।

এসব দেশের মোট ২০ হাজার নাগরিকের ওপর এই জরিপ চালানো হয়। ২০১৯ সালের মার্চ মাস থেকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ১৭টি দেশের মধ্যে এক-চতুর্থাংশে একনায়ক শাসনব্যবস্থা চালু আছে। সেসব দেশে জনগণের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার যেমন সীমিত, তেমনি সীমিত বাকস্বাধীনতাও। জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রতি চারজনে একজন বলেছেন, তাদের দেশে দুর্নীতি একটি বড় সমস্যা। এই প্রতিবেদনে সার্বিকভাবে দেখা গেছে যে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনে একজন সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছেন।

সরকারি দুর্নীতিকে ‘বড় সমস্যা’ বলে মনে করেন, এমন মানুষের সংখ্যার দিক থেকে সবার ওপরে আছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির প্রায় ৯২ শতাংশ মানুষ এমনটা মনে করেন। তাইওয়ানের ৯১ শতাংশ এবং মালদ্বীপের ৯০ শতাংশ মানুষ মনে করেন, তাদের দেশে সরকারি দুর্নীতি অন্যতম বড় সমস্যা। ভারতে এটি ৮৯ শতাংশ। তুলনামূলক নিজ দেশে সরকারি দুর্নীতিকে বড় সমস্যা মনে করেন না কম্বোডিয়া (৩৩%) ও মিয়ানমারের (৫০%) মানুষ।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর