শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১১, শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫

বিশেষ সাক্ষাৎকার

স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অস্বস্তি থাকলে বিদেশি বিনিয়োগ আসে না

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অস্বস্তি থাকলে বিদেশি বিনিয়োগ আসে না

অর্থনীতি এখন কোন পথে? ব্যবসা-বাণিজ্য কি মন্দায়? শিল্প-উদ্যোগ-বিনিয়োগে স্থবিরতা আর কত দীর্ঘায়িত হবে? অর্থনীতির শ্বেতপত্র বাস্তবায়িত হচ্ছে না কেন? এসব বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক অ্যাট কোর্টল্যান্ডের অধ্যাপক ড. বিরূপাক্ষ পাল। 

প্রশ্ন : অর্থনীতি একটা ক্রান্তিকাল পার করছে। আপনার মূল্যায়ন কী?

উত্তর : অর্থনীতির দুটি পাপ থাকে। একটি হচ্ছে বেকারত্ব আরেকটি হচ্ছে মূল্যস্ফীতি। বেকারত্ব হচ্ছে একটি মধ্যমেয়াদি সমস্যা।

রাতারাতি এর সমাধান করা যায় না। আর মূল্যস্ফীতিকে স্বল্প সময়ের মধ্যে সমাধান করতে হয়। এই দুটি পাপই সব সময় সরকারকে খেদায়। এটা আমেরিকায়ও হয়। যদি এই দুটি বেড়ে যায়, তাহলে সরকার অজনপ্রিয় হয়ে যায়।
বাংলাদেশে যে কোটা আন্দোলন হলো এটাও কিন্তু বেকারত্বের ফসল। এটা বেড়েছিল বলেই ছাত্ররা হতাশাগ্রস্ত হয়েছে। তারা চাকরি পাচ্ছিল না।

এ জন্য আন্দোলনে শামিল হয়েছে। আর বাংলাদেশ সরকারকে আরো অজনপ্রিয় করেছে কভিডের সময় থেকে যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, এটা সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। তারা ওই সময় বেপরোয়াভাবে টাকা ছাপিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারের অযোগ্যতা বা ফিজিক্যাল গ্যাপটাকে পূরণের চেষ্টা করেছে। এখন এই দুটি বিষয়ের সমাধান করতে হবে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি করলে মানুষ কিছু না কিছু কাজ দেবে। মানুষ যদি দুটি দোকানও করে, সেখানেও কিন্তু দুজন লোকের কাজের সুযোগ হয়। আমাদের দেশে তো অর্থনৈতিক কার্যক্রম ৮৫ শতাংশ ইনফরমাল খাতে হয়। আর ১৫ শতাংশ হয় ফরমাল খাতে। বেকারত্বের সমাধান যদি করা যায় তাহলে মূল্যস্ফীতি থাকলেও তা সহনীয় থাকে। কারণ তখন মূল্যস্ফীতি থাকলেও মানুষ যেহেতু কাজ পাচ্ছে, তাই সে কিনতে পারছে। তখন তার বেতন বাড়ছে, সে বাজারে গিয়ে কিনতে পারছে। এই সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পরে প্রথম মনোযোগটা দরকার ছিল এই দিকে। আর অর্থনীতির দুর্বল হওয়ার আরেকটা কারণ ছিল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি। নতুন সরকার এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে এটা হতে পারে। যেদিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া দরকার ছিল তা হলো ব্যবসা-বাণিজ্যটাকে স্বাভাবিকভাবে চলতে দেওয়া উচিত ছিল। বিকল্প তৈরি না করে সব কিছুর মধ্যে একটা প্যানিক সৃষ্টি করা উচিত হয়নি। এ কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যটা থমকে গেছে আর চাঁদাবাজি বেড়েছে। চাঁদাবাজিটা রাজনৈতিক কারণে হয়, কারণ অনেকে অভুক্ত ছিল গত ১৫ বছরে। তারা চাঁদাবাজি শুরু করেছে, যার জন্য সার্বিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যটা খারাপ হয়েছে এবং শিল্প মালিকরা ছাঁটাই শুরু করেছেন। এরপর ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়েছে। এ সময় ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়া মানে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো। বাংলাদেশ এমন কোনো বিপর্যয়ে যায়নি যে সব কিছু বন্ধ করে দিতে হবে।

প্রশ্ন : সরকার কি ঠিকমতো মনোযোগ দেয়নি?

উত্তর : যদি বৈশ্বিক মন্দা শুরু হয়ে যেত তাহলে মানা যেত। বরং বিশ্ব অর্থনীতিটা এখন ধীরে ধীরে ভালোর দিকে যাচ্ছে। অর্থনীতির দিকে মনোযোগটা না বাড়ানোয় সংকট বেড়েছে। এর ফলে কিছু রাজনৈতিক, কিছু আদর্শিক, কিছু নৈতিক প্রশ্ন, কিছু ভাষাগত সংযোজন-বিয়োজন সেগুলোর পেছনে মনোযোগগুলো চলে গেছে। আর কিছুটা মব সংস্কৃতির কারণে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। তাতে ব্যবসায়ীরা যা কিছু ব্যবসা করত, তাতেও স্থবিরতা এসেছে। আর নতুন বিনিয়োগও হয়নি। এর ফলে অর্থনীতিতে দুই পাপ যেটাতে শুরু করেছিলাম সেটা প্রলম্বিত হয়েছে। এতে বেকারত্ব বেড়েছে। সরকার নিজে কোনো জরিপ না করলেও অন্য জরিপ থেকে দেখা যায় যে বেকারত্ব বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি খুব না বাড়লেও সহনীয় মাত্রায় আসেনি। সুতরাং মোটাদাগে বলা যায়, এই দুটি জায়গায় উন্নতি হয়নি। মানে হলো অর্থনীতির এই ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয়। সরকারের যদি ইতিবাচক কিছু দেওয়ার ক্ষমতা না-ও থাকে, তার পরও উচিত ছিল যাতে নেতিবাচক কিছু না হয়। মানে ‘ভিক্ষা চাই না কুত্তা সামলাও’-এর মতো অবস্থা আর কি। 

প্রশ্ন : জিডিপি প্রবৃদ্ধি কি ঠিক পথে আছে?

উত্তর :  জিডিপি মূল বিষয়। জিডিপি বাড়ল কি কমল এটা করিমন নসিমনদের কিছু যায় আসে না। এরা কাজ পেতে চায়। এরা রাইস মিলে যেতে চায়। যেকোনো মূল্যে তাদের আয়টা বাড়াতে চায়। ডাল-ভাত খেতে চায়। আগে যেমন তারা খেত। আর অপেক্ষা করতে চায় কবে নির্বাচনটা হবে, নতুন সরকার আসবে। তখন হয়তো এরা বুঝতে পারবে একটা পরিবর্তন হবে। সে জায়গাটায় সরকারের মনোযোগ বিক্ষিপ্ততা রয়েছে। অর্থনীতির যদি দুই পাপের কথা হিসাব করি, এই দুই পাপের ইন্ডিকেটর কোনোটাই ভালো নয়। মানুষ বলছে, ইনফ্লেশনটা যদিও বাড়েনি কিন্তু চরম আর উচ্চস্তরেই রয়েছে।

প্রশ্ন : শ্বেতপত্র নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

উত্তর : আমার পর্যবেক্ষণ হলো সরকার আসার পর দুটি বিষয়ে মনোযোগ দিয়েছে। একটি হলো শ্বেতপত্র রচনা। বিগত সরকারের সময়ে যে অন্যায়গুলো হয়েছে সেটা বের করা। এ কাজটি অবশ্যই প্রশংসাযোগ্য। শ্বেতপত্র রচনাটি অত্যন্ত দ্রুত তৈরি করা হয়েছে। শ্বেতপত্র নিজেকে হাস্যকর করেছে কিছুটা। যেমন—বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন যে সেভেনটিন বিলিয়ন ডলার চলে গেছে। আবার গ্লোবাল ফিন্যানশিয়াল ইনটেগ্রিটি তাদের রিপোর্টে বলেছে যে বছরে তিন-চার বিলিয়ন ডলার পাচার হয়। তারা বিভিন্ন ধাপে হিসাবটা দেয়। আবার শ্বেতপত্র বলেছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার। আবার সরকার যখন জিডিপি দেয়, তখন সেভেন পার্সেন্ট বা সিক্স পয়েন্ট ফাইভ পার্সেন্ট বলে। বিশ্বব্যাংক বলে ৬.১ শতাংশ, এডিবি বলে ৬.২ শতাংশ। এতটা বৈপরীত্য হয় না। কোথায় ১৭ বিলিয়ন আর কোথায় ২৩৪ বিলিয়ন? এটা থেকে বোঝা যায় যে শ্বেতপত্র নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মেরেছে। এই বিষয়গুলো তাদের চেক অ্যান্ড ব্যালান্স করে দেওয়া উচিত ছিল। এটা রূপকথা নয় যে শুনে শুনে দিয়ে দেওয়া যাবে।

প্রশ্ন : তাহলে কি শ্বেতপত্রও সরকারের মনোযোগে নেই?

উত্তর : পরিকল্পনা কমিশনও অর্থনীতির একটি টাস্কফোর্স করেছে। সেটার প্রধান বিআইডিএসের সাবেক মহাপরিচালক ড. কে এস মুর্শিদ। তিনি সম্প্রতি বলেছেন যে আমরা ৪০০ বা ৫০০ পৃষ্ঠার রিপোর্ট দিয়েছি। সরকারকে বলেছি, এগুলো এগুলো করতে হবে। কিন্তু কর্তাব্যক্তিরা বলেছেন, তাঁদের এত সময় নেই করার। এটা তো একটি তাবিজ না যে উনি ৪২০ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্টকে কোনোভাবে দিয়ে দেবেন; সেটা পড়ে তারা চট করে বুঝে যাবে। এ রকম তাবিজ তো অর্থনীতিবিদদের হাতে থাকে না। সংস্কার কমিশনের প্রধানের হতাশা প্রমাণ করে যে সংস্কার তো হয়নি। এটা দিয়ে প্রমাণ করে যে আমার আর নতুন করে কিছু দেওয়ার নেই। সত্যিকার অর্থে সরকারের অর্থনীতির দিকে কোনো মনোযোগ ছিল না বরং অন্যদিকে বিশেষ করে সামাজিক দিকে বিশৃঙ্খলাকারীদের প্রশ্রয় দিয়েছে বা বাড়তে দিয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ভয় পেয়েছেন।

প্রশ্ন : দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না কেন?

উত্তর : বিনিয়োগ তো এমনিতেই একটি স্থবিরতার মধ্যে ছিল। বেসরকারি বিনিয়োগ ২৪ শতাংশ। এটা যে রাতারাতি বাড়বে, সেটাও আমরা আশা করিনি। কিন্তু এখন যদি হিসাব নিয়ে দেখা যায়, তাহলে দেখা যাবে যে তাদের অংশগ্রহণ কমে গেছে। বিনিয়োগের জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি সম্মেলন করা দরকার ছিল, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিয়ে নয়। কারণ বিদেশিরা এমনিতেই বাংলাদেশকে ভালো বলবে সৌজন্যের খাতিরে। আদর আপ্যায়ন পেলে এমনি ভালো বলে। কিন্তু ওরা বিনিয়োগ করে না। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের যদি ব্যবসা কমে যায়, তাদের যদি বিনিয়োগ কমে, তাহলে বিদেশিদের ডাকলেও হবে না। বার্তাটা হলো আগে ঘর ঠিক করতে হবে। মানে একটি স্থিতিশীলতা দরকার। ভিয়েতনাম সামরিক শাসিত হলেও সেখানে একটি স্থিতিশীলতা আছে। এ কারণে সেখানে বিনিয়োগ বেশি। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অস্বস্তি থাকলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আসে না। অনেকটা পাত্র দেখার মতো। গ্রামে যখন কেউ পাত্র দেখতে আসে তখন খোঁজখবর নেয়। তারা বাড়ির পাশের দোকানদারকে জিজ্ঞেস করে ছেলেটা কেমন। ছেলের পরিবার বলল, ছেলেটা সোনা, সোনার ছেলে। তার মতো আর ছেলেই হয় না। আর দোকানে গিয়ে খবর পাওয়া গেল ছেলে বাকি খায়। আবার গাঁজাও খায়। তখন আমরা বুঝি যে এই ছেলের কাছে মেয়ে দেওয়া যাবে না। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এ রকম বিষয় দেখে। কিছু কিছু কম্পানি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার হয়তো বিনিয়োগ করেছে; কিন্তু এটাই যথেষ্ট নয়। অর্থনীতির আকার যে রকম বড় হয়েছে, সেখানে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দরকার। মোটকথা হলো আমি বুঝাতে চাচ্ছি যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা যদি স্বস্তিতে না থাকে, তারা যদি নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকে, সে জায়গায় বিদেশি বিনিয়োগকারীও আসবে না। সুতরাং বিনিয়োগের ভালো পরিস্থিতি যদি সরকার তৈরি করতে না পারে তাহলে হবে না। এটা হচ্ছে ইন্ডিকেটর। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীকে যদি আমি চাঙ্গা করতে না পারি তাহলে জিডিপি কমতে থাকবে। এই যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে আছে, এটা হলো অতীব স্থবিরতার লক্ষণ। এই পরিস্থিতিটাকে মোকাবেলা করার জন্য এক নম্বর প্রায়োরিটিতে আনতে হবে। অর্থনীতির স্বার্থে আইন-শৃঙ্খলাকে স্থিতিশীল রাখতে হয়। প্রতিটি স্থাপনা ভেঙে যাচ্ছে, দোকানপাট লুটপাট হচ্ছে, এগুলো ভালো বার্তা দেয় না।

এই বিভাগের আরও খবর
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি
দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
সপ্তাহজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের আভাস
সপ্তাহজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের আভাস
অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : তারেক রহমান
অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : তারেক রহমান
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএএইচআর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএএইচআর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
সর্বশেষ খবর
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার
সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার

১২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান
কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান

১৬ মিনিট আগে | শোবিজ

মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা
মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা

২৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা
ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

৫৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা
ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু
গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন
ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩
নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ
ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে
সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক
উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ
ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান
বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন
তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি
দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮
ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর
বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০
মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন