শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:২৫, শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

শিশুর মতো সরল সত্যবাদীর বড় অভাব

ফাইজুস সালেহীন
অনলাইন ভার্সন
শিশুর মতো সরল সত্যবাদীর বড় অভাব

একই সঙ্গে গভীর বেদনা, অন্তহীন কান্না এবং অশেষ গৌরবচিহ্নিত আমাদের দিনপঞ্জিকার দুটি তারিখ ২৫ ও ২৬ মার্চ। যারা বলেন, একাত্তর আবার কী, একাত্তরের প্রজন্ম ইতিহাসের নিকৃষ্ট প্রজন্ম-এই দিনগুলো ফিরে ফিরে আসে তাদের আঁতে ঘা দেওয়ার জন্য। তারা যন্ত্রণাবিদ্ধ হন, আত্মগত পাপ তাদের হয়তো শরবিদ্ধ করে। করুণা করা ছাড়া তাদের জন্য আমরা আর কী করতে পারি।

পরিতাপের বিষয়, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জাতিসংঘ ১৯৭১ সালের গণহত্যার স্বীকৃতি দেয়নি। সংবাদের এই অংশটুকু নিয়ে স্বাধীনতাবিরোধীদের ডুগডুগি বাজাবার কোনো সুযোগ নেই। জাতিসংঘের স্বীকৃতি না মেলার কারণ এই নয়, একাত্তরে বাংলাদেশে কোনো গণহত্যা হয়নি! এই স্বীকৃতি না পাওয়ার কারণ ঘাতক পাকিস্তান ও তার একাত্তরের মিত্র দেশগুলোর অব্যাহত বিরোধিতা। পাকিস্তান এবং তার এদেশীয় দোসররা এখন পর্যন্ত গণহত্যার বিষয়টি সাদামনে স্বীকার করে নেয়নি। ক্ষমাও চায়নি। পাকিস্তান একাত্তরের গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাইলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সহজেই একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির পথে কোনো কূটনৈতিক বাধা থাকবে না। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির নেতিবাচক ভূমিকাও দুর্ভাগ্যজনক। এই শ্রেণিটির ক্রমাগত অবিমৃশ্যকারিতার ফলে এখনো কিছু বাজে লোক মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বিষোদ্গার করতে কুণ্ঠিতবোধ করছে না। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর তারা সাপের পাঁচ পা দেখতে শুরু করেছিল। ভাবতে শুরু করেছিল, তারাই বাংলাদেশের রাজনীতির মেইন স্ট্রিম হয়ে গেছে। ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনে তারা বড় ধরনের ধাক্কা খেলেও নীতিতে অটল রয়েছে।

জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হওয়ার পর দেশ গঠনের কাফেলায় যুক্ত হওয়ার পরিবর্তে তারা আন্দোলনের হুমকি দিয়ে চলেছে। তারা দেশ গঠন এবং জাতীয় জীবনের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথে সহযোগিতার পরিবর্তে জুলাই সনদ নিয়ে পড়ে আছে। জুলাই সনদের মূল বিষয়টিই হচ্ছে সংবিধান। বিদ্যমান শাসনতন্ত্র বাংলাদেশের কোনো সমস্যা নয়, যদিও কোনো কোনো সংশোধনী গণতন্ত্রের পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান সংশোধন করায় বিরাট সমস্যা তৈরি করেছিল। সেই সংশোধনীর সুবিধা গ্রহণ করে আওয়ামী লীগ বিনা ভোটে বা রাতের ভোটে দীর্ঘকাল ক্ষমতা আঁকড়ে ছিল। শেখ হাসিনা হয়ে উঠেছিলেন  কর্তৃত্ববাদী একনায়ক। কর্তৃত্ববাদের আমব্রেলার নিচে সমবেত রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, রাজনৈতিক সুশীল, সাংবাদিক ও আমলারা ‘রাজা যত বলেন, পারিষদ বলেন শতগুণ’-ধরনের বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়ে উঠেছিলেন। এদের  মধ্যে হ্যানস ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসনের স্যাটায়ায়া রূপকথা দ্য এমপেরর’স নিউ ক্লথ গল্পের সেই সরল শিশুটির মতো সত্যবাদী একজনও ছিলেন না। সেই গল্পটি নিশ্চয়ই অনেকের জানা আছে।

একদা প্রবল প্রতাপশালী এক নৃপতি তার পারিষদের উদ্দেশে বললেন, আমাকে এমন একজন তাঁতি এনে দাও, যে আমাকে মখমলের এমন এক  পোশাক বুনে দিতে পারবে, যা কোনো খারাপ লোকের দৃষ্টিগোচর হবে না। এবং যে পারবে, তাকে পুরস্কার দেওয়া হবে সহস্র স্বর্ণমুদ্রা। তথাস্তু! রাজ্যময় ঢেঁড়া বাজিয়ে এই সন্দেশ এলান করে দেওয়া হলো। পরদিন মিহিন থেকেও মিহিন মখমলের পোশাক নিয়ে শত শত তাঁতি এসে ভিড় করলেন প্রাসাদের সিংহদুয়ারে। কেবল একজন এলেন খালি হাতে। এক এক করে তাঁতিদের ডাক পড়তে লাগল দরবারে। রাজা একটি পোশাক হাতে নেন আর নাকচ করে দেন। সব শেষে এলেন খালি হাতে সেই জোলা। তিনি এসে রাজাকে বললেন, গোস্তাকি মাফ হয় আলামপনা।

তা বেশ! আলামপনা! অনুমতি প্রার্থনা করি, কানে কানে দুটো কথা বলার। বেশ তো! বলো দেখি কী কথা! বলে রাজা কাত হয়ে কান বাড়িয়ে দিলেন।

তাঁতি জাহাপনার কানে কানে বলল, এ এক আশ্চর্য পোশাক হে রাজন। কিন্তু কোনো বোকার সন্তান এই পোশাক দেখতে তো পাবেই না, ছুঁয়েও স্পর্শসুখ লাভ করবে না।

রাজা বললেন। বাহ্! বাহ্! এ তো দারুণ ব্যাপার! তা দেখাও দেখি তোমার সেই অত্যাশ্চর্য মখমল।

আজব কারিগর তার খালি দুই হাতে এমন ভান করলেন যেন তিনি একটি ইস্তিরি করা পোশাক ধরে রেখেছেন। হাঁটু গেড়ে বসে তিনি রাজার হাতে তুলে দিলেন সেই অদৃশ্য পোশাক। পোশাকটি হাতে নিয়ে রাজার মুখ লজ্জায় লাল হয়ে গেল। হায় আল্লা তিনি নিজেও তো পোশাকটি দেখতে পাচ্ছেন না। হাতে যে ধরেছেন তা-ও টের পাচ্ছেন না। তাহলে তিনি নিজেও কী বোকার সন্তান? রাজা বোকা হলে প্রজারা মানবে কেন!

অবিলম্বে রাজা ঢোক গিলে নিজেকে সামলে নিয়ে ফিকে হাসি দিয়ে সভাসদের উদ্দেশে বললেন, সত্যিই এ এক দারুণ পোশাক! তোমরা কি আমার অভিনব পোশাকটি দেখতে পাচ্ছ? সভাসদ সবাই প্রথমে মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। পরে সমস্বরে বলল, জি হুজুর! আমরা দেখতে পাচ্ছি। সত্যিই এ এক দারুণ পোশাক। নজর খুব সূক্ষ্ম না হলে দেখা কঠিন! কে না হতে চায় জ্ঞানী সুশীল!

অতঃপর তাঁতি রাজাকে পোশাক পরিয়ে দেওয়ার ভান করলেন। রাজা এখন সম্পূর্ণ নগ্ন। কিন্তু সভাসদ বলল, বাহ্! বাহ্! কী দারুণ! কী দারুণ!

এখন এই অত্যাশ্চর্য পোশাকটি পরে প্রজাসাধারণকে দর্শন দেবেন মহারাজ। রাজ্যজুড়ে ঢেঁড়া পিটিয়ে ঘোষণা করা হলো, আজ রাজা এক অলৌকিক পোশাক পরে এই পথে নগর পরিভ্রমণ করবেন। প্রজাগণকে আন্ডাবাচ্চাসহ পথিপার্শ্বে যথাসময়ে সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান থাকতে আদেশ করা হলো। শর্ত থাকে কোনো গর্দভ প্রজা এই অত্যাশ্চর্য পোশাকটি দেখতে পাবে না। যে দেখতে না পাবে, সেই বোকা প্রজার গর্দান নেওয়া হবে। এতে কোনো করুণা বা কার্পণ্য করা হবে না। এই রাজ্যে কোনো বোকার স্থান হবে না।

অতঃপর হাতির পিঠে চড়ে নগ্ন রাজা নগর পরিভ্রমণে বের হলেন। দুপাশে দণ্ডায়মান পুরবাসী করতালি দিয়ে বলতে লাগল, আরে বাহ্! বাহ্! কী দারুণ এক মখমলের পোশাক পরেছেন মহান রাজা। আফসোস বোকা লোকেরা তা দেখতে পাচ্ছে না। ঠিক সেই সময়ে এক সরল শিশু হাততালি দিয়ে বলতে লাগল, আহা কী মজা! কী মজা! হাতির পিঠে ন্যাংটা মহারাজা! সেই সত্যবাদী সরল শিশুর চিৎকারে পুরবাসী সংবিৎ ফিরে পেল। সমস্বরে সবাই বলতে লাগল, হ্যাঁ! হ্যাঁ! সত্যই আমাদের রাজা নিবস্ত্র হয়ে গেছেন। কে আছ রাজাকে পোশাক দাও!

রাজা লজ্জিত ও ক্রোধান্বিত হলেন। কোথায় সেই হতচ্ছাড়া জোলা! ওই প্রতারক জোলাকে হাজির কর। আমি এখনই উহার গর্দান লইব। তখন সহাস্য বদনে উদয় হলেন সেই বুদ্ধিমান তাঁতি। তার হাতে মোটা কাপড়ের বস্ত্র। তিনি রাজাকে বললেন, অধমের গর্দান নিতে হয় নেবেন। তার আগে জাহাঁপনা, এই পোশাকটি পরে লজ্জা ঢাকুন। তাঁতি রাজাকে মোটা পোশাকটি পরিয়ে দিলেন। সেই পোশাকে লেখা ছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক!’

আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি অভাব রাজার পারিষদে সত্যবাদী সরল শিশুর। বড় বেশি প্রয়োজন সত্যবাদী সরল শিশুর মতো পারিষদের এবং সুশীলেরও। এই অভাব না ঘটলে, শেখ হাসিনা একনায়ক হয়ে উঠতেন না, এরশাদ নির্বাচিত সরকার হটিয়ে স্বৈরাচারের মুকুট পরতে পারতেন না, বাকশাল এসে সংবিধানের বক্ষ বিদীর্ণ করতে পারত না। এমনকি হিটলার-মুসোলিনিরও জন্ম হতো না।

গল্প হলো। এই গল্প যে যেমন বোঝার বুঝে নেবেন। এবার প্রসঙ্গান্তরে যাওয়া যাক। নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার তার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে এক এক করে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, ধাপে ধাপে। শিগগিরই স্বাস্থ্য কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের কাজ শুরু হবে। দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং দলের ভিতরে শুদ্ধি অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে। এসব বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে বলে শোনা যাচ্ছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে খাল কাটা কর্মসূচিরও উদ্বোধন হয়েছে। গৃহীত সব কর্মসূচি গণমুখী; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। তবে বলতে দ্বিধা নেই, সব ভালোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো ও গঠনমুখী কর্মসূচিটি হলো খাল কাটা। জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দৃষ্টিগ্রাহ্য অবদান সৃষ্টি করেছিল। সেচব্যবস্থার অভূতপূর্ব সম্প্রসারণ ঘটেছিল। জিয়াউর রহমান সম্ভবত চীনের হোয়াংহো নদী খনন প্রকল্প থেকে প্রেরণা লাভ করেছিলেন। ১৯৫০ দশকে চীন হোয়াংহো ও আরও কয়েকটি নদী খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষিতে বিপ্লব এনেছিল। কৃষি উৎপাদনের পাশাপাশি বনায়ন, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পায়ন, আবাদি জমি সম্প্রসারণসহ আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল। বিপ্লব-উত্তর চীনের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে হোয়াংহো নদী খনন প্রকল্প ছিল সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে কার্যকর কর্মসূচি। হোয়াংহো বা ইয়েলো রিভার প্রবাহকে তখন বলা হতো চীনের দুঃখ। খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের পর সেই হোয়াংহোই চীনের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহে রূপান্তরিত হয়েছিল। আমাদের দেশেও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির বিপ্লবের সূত্রপাত করেছিলেন। এরশাদ ক্ষমতায় এসে সেই কর্মসূচি বন্ধ করে দেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ব-দ্বীপ পরিকল্পনার আওতায় ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্প গ্রহণ করলেও পরে তা মাটি ও বালুখেকোদের করতলগত হয়ে যায়। নদীর দুই পারে লাখ লাখ হেক্টর আবাদি জমি বেরোবে বলে সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। বলা হয়েছিল দুপারে ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও বনায়ন করা হবে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে বালু ও মাটি তুলে নদীর দুই পারে হাজার হাজার হেক্টর জমি দখল করে বালু ও মাটি খলা বানানো হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে মাটি ও বালুর অন্যায্য ব্যবসার মাধ্যমে আত্মনং বৃদ্ধির কাজে। তা না হলে ডেল্টা প্ল্যান চীনের মতোই দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারত। কিন্তু সেদিকে সরকারের মনোযোগ ছিল না।

আমরা আশা করি, আওয়ামী লীগের ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মতো ফাঁপা কাজের আর পুনরাবৃত্তি ঘটবে না। খাল কাটা কর্মসূচি দেশ গঠনে ফলপ্রসূ হোক-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
সর্বশেষ খবর
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

২৮ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা
৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?
চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?

১৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

১১৪ ঘণ্টা পর সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
১১৪ ঘণ্টা পর সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ
আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

‘হতে পারে আমি ভুক্তভোগীদের পাশেই ছিলাম’, এপস্টাইন ইস্যুতে বিল গেটসের স্বীকারোক্তি
‘হতে পারে আমি ভুক্তভোগীদের পাশেই ছিলাম’, এপস্টাইন ইস্যুতে বিল গেটসের স্বীকারোক্তি

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর লক্ষ্য নকআউট, হাইতির সামনে সম্মান রক্ষার লড়াই
মরক্কোর লক্ষ্য নকআউট, হাইতির সামনে সম্মান রক্ষার লড়াই

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিরক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না ইরান
প্রতিরক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না ইরান

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা
গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা

৩২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট
মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট

৩৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে বিদ্যালয়টি, শিক্ষার্থী কমেছে তিন ভাগেরও বেশি
জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে বিদ্যালয়টি, শিক্ষার্থী কমেছে তিন ভাগেরও বেশি

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, পেনাল্টি না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা
রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, পেনাল্টি না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী
জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী

৪৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিরতির পরে খেলবেন নেইমার, চোটে ছিটকে গেলেন রাফিনহা
স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিরতির পরে খেলবেন নেইমার, চোটে ছিটকে গেলেন রাফিনহা

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে ফ্রান্স, ইউরোপেও স্বস্তি নেই
রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে ফ্রান্স, ইউরোপেও স্বস্তি নেই

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় সর্বজনীন পেনশন মেলা উদ্বোধন
চুয়াডাঙ্গায় সর্বজনীন পেনশন মেলা উদ্বোধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী আটক
মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী
দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই জমজমাট
মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই জমজমাট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত
চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটের লড়াইয়ে একাদশে পরিবর্তন আনবে দক্ষিণ কোরিয়া
নকআউটের লড়াইয়ে একাদশে পরিবর্তন আনবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাত দিয়ে টানতেই উঠছে নতুন রাস্তার পিচ, কাজ বন্ধ করে দিলো জনতা
হাত দিয়ে টানতেই উঠছে নতুন রাস্তার পিচ, কাজ বন্ধ করে দিলো জনতা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে না : মন্ত্রী
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে না : মন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির ফিটনেসে মুগ্ধ রোনালদো
মেসির ফিটনেসে মুগ্ধ রোনালদো

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি কেন সেদিন চটে গিয়েছিলেন?
মেসি কেন সেদিন চটে গিয়েছিলেন?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ