শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৩৫, রবিবার, ০২ আগস্ট, ২০১৫

নিউইয়র্কে আ স ম রব

\\\'জনগণের মুখ বন্ধ করে রাখার পরিণতি ভয়াবহ\\\'

নিউইয়র্ক থেকে এনআরবি নিউজ:
অনলাইন ভার্সন
\\\'জনগণের মুখ বন্ধ করে রাখার পরিণতি ভয়াবহ\\\'

নিউইয়র্কে এক সমাবেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী এবং জাসদ নেতা আ স ম আব্দুর রব বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘মানুষের মুখ বন্ধ করে রাখার পরিণতি ভয়াবহ। ইতিহাস সে সাক্ষ্য দেয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার চারদিকে যারা রয়েছেন তারা সকলেই চাটুকার। ওদের কবল থেকে বের হয়ে জনতার কাতারে আসুন, তাহলে তা হবে বঙ্গবন্ধুর কন্যার জন্য অত্যন্ত শুভ একটি উদ্যোগ।’ তিনি আরও বলেন, ‘টিভি টক শো বন্ধ করার মধ্যে গণতান্ত্রিক রীতি অনুসরণের কোন আভাস নেই।’

রব উল্লেখ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে এসেছি চিকিৎসার জন্যে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনার জন্য আসিনি। তবুও জনজীবনের নিরাপত্তার কথা বলতেই হবে। এখন কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেন না যে, ঘর থেকে বের হবার পর সুস্থমতো আবার ফিরতে পারবেন। জনজীবনে নিরাপত্তা বলতে কিছুই নেই।’ রব অভিযোগ করেন, ‘যুবসমাজকে নষ্ট করা হচ্ছে সুপরিকল্পিতভাবে। শিক্ষাঙ্গনে অস্ত্র, মদ ও গাজা ইত্যাদি ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ছাত্রদেরকে ‘তেলইজমে’ পরিণত করা হয়েছে। অর্থাৎ ‘ক্ষমতাসীনদের তেল মারো আর মাল কামাও’-এভাবে মেধাহীন করা হচ্ছে বাংলাদেশকে।’

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস রচিত হয়নি বলে অভিযোগ করে জাসদ নেতা আ স ম আব্দুর রব বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় অথবা সামাজিকভাবে সঠিক ইতিহাস আজও তৈরি হয়নি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অথবা স্বাধীনতা সংগ্রামের। যত ইতিহাস হয়েছে সবগুলোতেই একাত্তরের ২৫ মার্চ থেকে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কথা লেখা হয়েছে। তাহলে বাষট্টিতে সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক, কাজী আরিফদের নেতৃত্বে গঠিত নিউক্লিয়াসের ভূমিকা কোথায়?

নিউক্লিয়াসকে অস্বীকার করা হলে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতেন কীভাবে?’ রব বলেন, ‘মিথ্যার বেসাতি করে লাভ নেই। সত্য মাটি ফেড়ে বের হবেই।’ ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এ মিথ্যাচার চলতে থাকলে আমি আশ্চার্য হবো না যে, এক সময় হয়তো বলা হবে যে, বিদেশীরাই আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে’-মন্তব্য করেন রব।

‘একাত্তরের ২ মার্চ স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন, ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইস্তেহার পাঠ, ৭ মার্চে রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ঘোষণা ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম’-এসব তাহলে কী’-প্রশ্ন রাখেন রব।

মুুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা বিদেশীদের স্বীকৃতি প্রদানের প্রতি ইঙ্গিত করে রব বলেন, ‘নিজেরা নিজেদের স্বীকৃতি দিতে পারি না, অথচ বিদেশীদের ঘটা করে অ্যাওয়ার্ড দিচ্ছি। মধুপুরে একটি চার্চের ফাদার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। তাকে সম্মান জানানো হচ্ছে না কেন? ফাদার হলি নামক আরেকজন খ্রিস্টান, যিনি বাংলাদেশে আঙ্গুর চাষ করেছেন, তারও অপরিসীম অবদান রয়েছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে।’ ‘যৌথ বাহিনী এক হাজার বছরেও বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে পারতো না যদি সাড়ে ৭ কোটি বাঙালির ৯৯ ভাগই মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় না দিতেন। তাই আমি মনে করি সাড়ে ৭ কোটি বাঙালিই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন’-মন্তব্য রবের।

‘বঙ্গবন্ধু, কর্ণেল তাহের, খালেদ মোশারফ, জেনারেল জিয়া, জেনারেল মঞ্জুর নিহত হবার ঘটনা থেকেও আমরা শিক্ষা নিতে পারিনি। এখনও কোন দলের মধ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সকলেরই টার্গেট হচ্ছে ক্ষমতায় গিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটেপুটে খাবার। মগের মুল্লুকে পরিণত করা হয়েছে বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডটিকে’-ক্ষোভের সাথে বলেন রব।

‘বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার নেই। বন্ধ করা হচ্ছে টক শো। টিভি স্টেশনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রুদ্ধ করা হয়েছে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার’-অভিযোগ রবের। ‘মুখ বন্ধ করে রাখার পরিণতি কতটা ভয়াবহ তার সাক্ষী ইতিহাস। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার চারদিকে যারা রয়েছেন, তারা সবাই চাটুকার। চাটুকারদের কথায় বিশ্বাস না করে জনগণের কাতারে আসুন, তা সকলের জন্যেই মঙ্গলের হবে’-পরামর্শ রবের।

প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশের মেধাবিরা বিদেশে এসে গবেষণায় কৃতিত্ব দেখাচ্ছেন। বৃটিশ পার্লামেন্টের মেম্বার হচ্ছেন। মহাকাশে যারা যাচ্ছেন তাদের খাদ্য প্রণালী প্রস্তুত করছেন বাঙালিরা। অথচ এসব মেধাকে নিজ দেশের কল্যাণে ব্যবহারের সুযোগ নেই। রাজনৈতিক কারণে মেধাবিদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়ার এ প্রবণতা রুখতে হবে জাতীয় স্বার্থে-বলেন রব।
একাত্তরের মত আবারো জনগণের ঐক্য দরকার, আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ করতে হবে। যার মধ্য দিয়ে ১৬ কোটি মানুষ বিশ্ব দরবারে উন্নত রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে-মন্তব্য আ স ম রবের।

শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে লক্ষ্মীপুর জেলা কল্যাণ সমিতি কর্তৃক প্রদত্ত সংবর্ধনা সমাবেশে রবের স্ত্রী বিশ্ব বাঙালি ফাউন্ডেশনের সভানেত্রী তানিয়া রব ছাড়াও উদ্যমী প্রবাসীদের মার্কিন আইটি সেক্টরে কাজ পাইয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে অপরিসীম ভূমিকা পালনকারী ‘পিপল এন টেক ইন্সটিটিউট’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফও বক্তব্য রাখেন। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি তসলিম উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে গভীর রাত অবধি চলা এ সমাবেশের সঞ্চালক ছিলেন আশরাফুল হাসান বুলবুল। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, জাসদের প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক মুজিবর রহমান এডভোকেট প্রমুখ। শুরুতে আ স ম রব এবং তানিয়া রবকে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

বিডি-প্রতিদিন/০২ আগস্ট, ২০১৫/মাহবুব

এই বিভাগের আরও খবর
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন
বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’
‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে
অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ
নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা
সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা
হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না: এমপি খায়ের ভূঁইয়া
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না: এমপি খায়ের ভূঁইয়া

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ
গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিঁথির কণ্ঠে ‘বসন্তের কোকিল’, প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ!
সিঁথির কণ্ঠে ‘বসন্তের কোকিল’, প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ!

৪১ মিনিট আগে | শোবিজ

সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন

৪৪ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী

৪৬ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

লালমনিরহাটে মাদক কারবারিদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত
লালমনিরহাটে মাদক কারবারিদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৩০৪৩
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৩০৪৩

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম

৫৪ মিনিট আগে | পরবাস

নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার
নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান
মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক