শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:৫৯

রোমাঞ্চকর জয়ে সেমিতে বার্সা

ক্রীড়া ডেস্ক

রোমাঞ্চকর জয়ে সেমিতে বার্সা

দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বার্সেলোনা। লা লিগায় একের পর এক ম্যাচ জয় করছে। লিগের পয়েন্ট তালিকায় ছাড়িয়ে গেছে রিয়াল মাদ্রিদকে। কোপা দেল রে কাপেও দারুণ এক ম্যাচ জয় করেছে কাতালানরা। বুধবার কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সেলোনা ৫-৩ গোলে হারিয়েছে গ্রানাডাকে। আট গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচটা বেশ উপভোগ করেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। অল্পের জন্য পরাজয় থেকে বেঁচে গেছে বার্সেলোনা।

ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে রবার্ট কেনেডি এবং ৪৭তম মিনিটে রবার্তো সোলদাদুর গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় গ্রানাডা। বার্সেলোনার পরাজয় মেনে নিয়ে অনেকেই খেলা দেখা বন্ধ করছিলেন। ঠিক এ সময়ই ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে আতোয়ান গ্রিজমানের গোলে ব্যবধান কমায় কাতালানরা। তারপরও জয়ের পথ অনেক বাকি ছিল। নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যোগ করা সময়ের খেলা শুরু হয়েছে। বার্সেলোনা পিছিয়ে আছে। এবারে জর্দি আলবা দলের পরাজয় রুখতে এগিয়ে আসেন। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার কিছুক্ষণ আগে দারুণ এক গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তিনি। ম্যাচ অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিটে গড়ায়। ১০০তম মিনিটে গ্রিজমানের গোলে এগিয়ে যায় কাতালানরা। তবে গ্রানাডা ১০৩তম মিনিটে ভিকোর গোলে সমতায় ফিরে। ১০৮তম মিনিটে ডাচ তারকা ডি জঙের গোলে ফের এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ১১৩তম মিনিটে জর্দি আলবা জয়ের ব্যবধান বাড়ান।

ম্যাচটা জিততে কষ্ট হলেও বার্সেলোনা দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে। ম্যাচের ৭৯ ভাগ সময় বল দখলে রেখেছে। ১০৬১ বার বল চালাচালি (পাস) করেছে নিজেদের মধ্যে। পাসিংয়ের ক্ষেত্রে ৮৯ ভাগই ছিল সঠিক। প্রতিপক্ষকে একবারও কর্নার কিক নিতে দেয়নি। বিপরীতে নিজেরা ১৮বার কর্নার কিক নিয়েছে। সবমিলিয়ে দুর্দান্ত এক ফুটবল ম্যাচ উপহার দিয়েছেন মেসিরা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ জিতল কাতালানরা। ১৮ জানুয়ারি সর্বশেষ তারা অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের কাছে স্প্যানিশ সুপারকাপের ফাইনালে হেরেছিল ৩-২ গোলে।

কোপা দেল রে কাপে এছাড়াও সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে সেভিয়া এবং লেভান্তে। কোয়ার্টার ফাইনালে সেভিয়া ১-০ গোলে হারিয়েছে আলমেরিয়াকে। অন্যদিকে লেভান্তে ১-০ গোলে হারিয়েছে ভিয়ারিয়ালকে। গত রাতে চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে রিয়াল বেটিস ও অ্যাথলেটিক বিলবাও। কোপা দেল রে কাপ থেকে আগেই বিদায় নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।

 


আপনার মন্তব্য