শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:৪৪

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইনের দাবি

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ণসহ আইএলও প্রণীত বিশ্বব্যাপী কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন কনভেশন অনুসমর্থনের দাবি জানিয়েছেন নারী অধিকার রক্ষায় আন্দোলনরত নেতৃবৃন্দ। একইসঙ্গে তারা বলেন, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনাগুলো কোন প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়নি। তাই দাবি আদায়ে গণস্বাক্ষর কর্মসূচির সূচনা করেছি।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে রবিবার মানবাধিকার ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর জোট ‘জেন্ডার প্লাটফরম বাংলাদেশ’ আয়োজিত  সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জোটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক আইনুন নাহার। উপস্থিত ছিলেন আওয়াজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নাজমা আক্তার, ইন্ডাস্ট্রি অল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সভাপতি রুহুল আমিন, লেবার ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল জেড এম কামরুল আনাম, কর্মজীবী নারীর পরিচালক রাহেলা রাব্বানী, ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) পরিচালক নাজমা ইয়াসমিন, মন্ডিয়াল এফ এন ভি বাংলাদেশের কনসালটেন্ট শাহীনুর রহমান, ফেয়ার ওয়্যার ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি বাবলুর রহমান, মহিলা আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট হাসিনা রশিদ প্রমুখ। 

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি যৌন হয়রানি মুক্ত কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করতে রিট পিটিশন দায়ের করে। ২০০৯ সালে মহামান্য হাইকোর্ট কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ১১ দফা নির্দেশনা প্রদান করে। কিন্তু সে নির্দেশনা অনুযায়ী এখনও কর্মস্থল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কোন আইন হয়নি, নির্দেশনাগুলো কোন প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়নি। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে এই জোট গঠিত হয়। এই জোট ‘কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন ২০১৮’-এর খসড়া প্রণয়ন করে সরকারের আইন মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করে। তখন আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, আবার সরকার গঠন করতে পারলে এ বিষয়ে আইন করবো। এছাড়া এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের নারী এমপিদের সাথে আমরা মতবিনিময় করেছি। তাদের পরামর্শে আমরা আইন প্রণয়ণের সপক্ষে জনমত গড়তে গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আশা করি সরকার এই বছর আইন প্রণয়ন করতে উদ্যোগী হবেন। 


বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব

 


আপনার মন্তব্য

close