শিরোনাম
প্রকাশ : ২৮ জুন, ২০২১ ০৯:১১
প্রিন্ট করুন printer

‘বাসেই বসে ছিলাম, হঠাৎ বিকট শব্দের পর দেখি ভাঙা গ্লাসে শরীর কেটে-ছিঁড়ে গেছে’

অনলাইন ডেস্ক

‘বাসেই বসে ছিলাম, হঠাৎ বিকট শব্দের পর দেখি ভাঙা গ্লাসে শরীর কেটে-ছিঁড়ে গেছে’
Google News

রাজধানীর মগবাজারে ভবন বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত ও আহত স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে হাসপাতাল এলাকা। এ ঘটনায় আহতদের রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৭ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৯ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্ফোরণের খবর দেখে হাসপাতালে নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজছেন অনেকে। 

এ ঘটনায় হতাহতদের অনেকে ছিলেন পথচারী। মগবাজারে বিস্ফোরণে আহত শিক্ষার্থী শাহ নেওয়াজ বলেন, ‘বাসেই বসে ছিলাম। হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণ। একটু পর দেখি ভাঙা গ্লাসের বিভিন্ন অংশ লেগে শরীর কেটে-ছিঁড়ে গেছে। আশপাশের অনেকেই রক্তাক্ত। মনে হলো মুহূর্তের মধ্যে কোনও ধ্বংসযজ্ঞ নেমে এসেছে।’

এদিকে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরণ সাতজন নিহত, আশপাশের সাতটি ভবন ও তিনটি বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটা নাশকতা কী না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নাশকতা হলে সেখানে বোমার বিস্ফোরণ হতো, স্প্লিন্টার পাওয়া যেত। স্প্লিন্টারের আঘাতে মানুষ ক্ষতবিক্ষত হতো। কিন্তু বাসে কোনো স্প্লিন্টারের কণা পাওয়া যায়নি। অতএব নিশ্চিতভাবে বলা যায় গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণ ঘটেছে, বোমার কোনো ঘটনা এখানে নাই। 

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সন্ধ্যা ৭ টা ৩৪ মিনিটে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কীভাবে এই বিস্ফোরণ তা জানার জন্য কমিটি গঠন করেছেন। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, গ্যাস বিস্ফোরণ থেকে এই বিস্ফোরণ হয়েছে। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এই বিভাগের আরও খবর