Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২৩:২০

আনিসুল হকের কুলখানি অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

আনিসুল হকের কুলখানি অনুষ্ঠিত
রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদে সদ্যপ্রয়াত ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হকের কুলখানি উপলক্ষে গতকাল পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয় —বাংলাদেশ প্রতিদিন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের   কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবারের উদ্যোগে গতকাল বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে এ উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। কুলখানিতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক, ছেলে নাভিদুল হক, দুই মেয়ে ওয়ামিক উমায়রা হক ও তানিশা ফারিয়াম্যান হক, নাতনি, ছোট ভাই সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক ও সাইদুল হক অংশ নেন। দোয়া পরিচালনা করেন আজাদ মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবদুর রহিম। আনিসুল হকের স্মৃতিচারণা করেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও সাবেক সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ। সর্বস্তরের মানুষ কুলখানিতে অংশ নেয়। স্মৃতিচারণা করে ছোট ভাই সাইদুল হক বলেন, ‘আনিসুল হকের প্রেরণার উত্স ছিলেন মা। আজ মায়েরও মৃত্যুবার্ষিকী।’ তিনি বলেন, ‘আনিসুল হক আমাদের পরিবারের সবার প্রেরণার উত্স ছিলেন। যে কোনো প্রয়োজনে তার সঙ্গে আলোচনা করে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নিতাম। এত দিন মনে করতাম আমাদের পরিবার ছোট, কিন্তু তার মৃত্যুর পর বুঝলাম পরিবার কত বড় ছিল। আনিসুল হক সহজেই মানুষকে আপন করে নিতে পারতেন। এজন্য তিনি অসুস্থ থাকা অবস্থায় সারা দেশের মানুষ তার জন্য দোয়া করেছেন।’ ছেলে নাভিদুল হক বলেন, ‘আমার বাবা যখন মারা যান তখন মনে করেছিলাম হয়তো একা হয়ে গেলাম। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর মানুষ আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তাতে আমরা সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আনিসুল হককে নগর উন্নয়নের যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তিনি মাত্র দুই বছরে তার সে দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘বিচিত্র প্রতিভার অধিকারী ছিলেন আনিসুল হক। ছিলেন সফল উদ্যোক্তা। ছিলেন আমাদের অভিভাবক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনিসুল হকের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। পরবর্তীতে কাজের মাধ্যমে তিনি বিশ্বাস অর্জন করেন। আনিসুল হকের অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।’

গত বৃহস্পতিবার রাতে লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন আনিসুল হক। গত শুক্রবার বাদ জুমা লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন আজাদ মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে বিকাল সাড়ে ৫টায় বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন আনিসুল হক।


আপনার মন্তব্য