Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ মার্চ, ২০১৯ ২১:৫০

আওয়ামী লীগ-বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে গুলি-ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১৫

কুমিল্লা প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগ-বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে গুলি-ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১৫
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার বরুড়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। 

এঘটনায় ইট-পাটকেলের আঘাতে পুলিশ, পথচারীসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। পুলিশ টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। 

শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বরুড়া উপজেলা সদরে দু'পক্ষের মাঝে এ ঘটনা ঘটে। রাত সোয়া ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার বিকেলে বরুড়া উপজেলা সদরের বাজারে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে এমপি সমর্থিত দলের বিদ্রোহী প্রার্থী সোহেল সামাদের পক্ষেও প্রচারণা চালানো হয়। এক পর্যায়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মীরা নৌকার প্রার্থীর কর্মীদের ধাওয়া করে ককটেল বিস্ফোরণ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এ সময় ইট-পাটকেলের আঘাতে পুলিশ, পথচারীসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়। এসময় পুলিশ বিদ্রোহী প্রার্থী সমর্থিত নাছির (৩০) নামের এক নেতাকে আটক করে।

বরুড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এএনএম মইনুল ইসলাম ও তার বড় ভাই কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম বলেন, এমপির লোকজন নৌকার প্রার্থীর কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে স্থানীয় এমপি নাছিমুল আলম চৌধুরী নজরুল ও বিদ্রোহী প্রার্থী সোহেল সামাদের মোবাইলে ফোনে কল করলে উভয়ে রিসিভ করে পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন। 

এদিকে বরুড়া থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২৬ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে ও ১০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে, বরুড়া বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য