Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ মার্চ, ২০১৯ ১২:২৪
আপডেট : ২৪ মার্চ, ২০১৯ ১৩:৫০

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

মাদারীপুরে কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি কম, ৩ ঘণ্টায় একটি ভোট

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুরে কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি কম, ৩ ঘণ্টায় একটি ভোট
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্র

মাদারীপুরের রাজৈর ও কালকিনি উপজেলায় সকাল থেকে ভোট গ্রহন চলেছে। আইন শৃংখলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে নির্ধারিত সময়ে ভোট গ্রহন শুরু হলেও ভোটার উপস্থিতি খুবই কম দেখা গেছে। এর মধ্যে কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের জজিরা কেন্দ্র তিন ঘণ্টায় একটি বুথে একটি ভোট পড়েছে। 

রাজৈর উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মহসিন মিয়া দাবি করেছেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন কেন্দ্র দখল করেছে। সাধারণ অনেক ভোটারই ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি নেই। পাশের সরমঙ্গল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রর চিত্রও একই । তবে এই কেন্দ্র মোট ভোট ৩৭০৭ টি। সকাল ১১টায় ভোট পড়েছে মাত্র ৬৫০ ভোট। 

এই কেন্দ্রর প্রিজাইডিং অফিসার শুষেন বালা জানান, সকালে ভোটার উপস্থিতি বেশি ছিলো এখন একটু কম। কালকিনির খাসেরহাট সৈয়দ আবুল হোসেন স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ১১.২০ মিনিটে একটি বুথে একটি ভোটও পড়েনি।

জানা যায়, রাজৈর উপজেলায় ৩ জন চেয়ারম্যান, ৫ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও ৩ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। আর কালকিনি উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে যাওয়ায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। জেলার এ দুটি উপজেলার ১শ’ ৬২টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮শ’ ১০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯শ’ ৬৫ জন, আর পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮শ’ ৪৫ জন। 

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার জানান, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৮শ’ ৭ জন পুলিশ, ৩৫ জন র‌্যাব সদস্য, ১ হাজার ৯শ’ ৪৪ জন আনসার সদস্যসহ ৪ প্লাটুন বিজিবি নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালতও নিয়োজিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ তাফসীর


আপনার মন্তব্য