ভোটের দিনে বন্ধ রয়েছে রাজধানীর অনেক পাবলিক টয়লেট। এতে ভোট দিতে এসে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে ভোটারদের। বিশেষ করে নারী, বৃদ্ধ, ডায়াবেটিস রোগী, বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা পড়ছেন বেশি বিপাকে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঢাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে ছিল ভোটার, পর্যবেক্ষক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়। ভোট উপলক্ষে বন্ধ মার্কেট ও শপিং মল। সেই সাথে পাবলিক টয়লেট বন্ধ থাকায় অনেককেই বিপদে পড়তে হচ্ছে।
সকাল ১০টার দিকে বৃদ্ধ শাশুড়িকে নিয়ে গুলশান মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন গুলশানের বাসিন্দা নাঈমা হায়দার। ভোট দিয়ে বের হয়ে জরুরি শৌচাগারের প্রয়োজন হয় নাঈমার শাশুড়ির। পুত্রবধূর হাত ধরে রিকশায় ছুটে যান গুলশান ডিসিসি মার্কেটলাগোয়া ডিএনসিসির পাবলিক টয়লেটে। কিন্তু টয়লেটটি বন্ধ পান।
স্থানীয় দোকানদাররা জানান, ভোট উপলক্ষে পাবলিক টয়লেট বন্ধ আছে। ততক্ষণে ৩৫ বছর ধরে ডায়াবেটিসে ভোগা বৃদ্ধ মানুষটি কাপড় ভিজিয়ে ফেলেছেন।
নাঈমা বলেন, ভোটকেন্দ্রের পাশে দুইটা ভবনের দারোয়ানকে অনুরোধ করেছিলাম। তারা জানিয়েছে, ভবনের ভেতরে বাইরের মানুষ ঢুকতে দেওয়ার অনুমতি নেই। সকাল থেকে অনেকেই টয়লেট ব্যবহার করতে এসেছিল। একজনকে দিলে সবাইকে দিতে হবে।
পরে ডিসিসি মার্কেটের পাশের পাবলিক টয়লেটে গিয়ে বন্ধ পাই। মার্কেট বন্ধ থাকায় সেখানকার টয়লেট ব্যবহার করার সুযোগ ছিল না। অবশ্য বন্ধ থাকলেও মার্কেটের ভেতরে একটা টয়লেট খোলা ছিল, তবে সেটি নারীদের ব্যবহার উপযোগী না। ভোটের দিন সিটি করপোরেশনের পাবলিক টয়লেট বন্ধ থাকবে কেন?
এদিকে গুলশান মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে সকাল থেকে অনেক বিদেশী সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষককে ঘুরতে দেখা যায়। তারাও শৌচাগার সংকটে পড়েন।
বিডি প্রতিদিন/নাজিম