রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় সংসদ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে। তবে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া জেলার ৭টি সংসদীয় আসনে বিকেল সাড়ে ৪টায় নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে।
নির্বাচনে নিজের ভোট নিজ আসনে দিতে পারেননি রংপুরের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী জিএম কাদের ও আখতার হোসেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রংপুর-৩ (সিটি করপোরেশন-সদর) আসনে এবং রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। জিএম কাদের ও আখতার হোসেন দু’জনেই ঢাকার ভোটার।
সকালে নগরীর আর্দশপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহবুবুর রহমান বেলাল। বিএনপি প্রার্থী শামসুজ্জামান সামু ভোট দিয়েছেন রবাটশনগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার আব্দুল মজিদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে ভোটের পরিবেশ ছিল না। তাই ভোট দিতে যাইনি। এবার পরিবেশ ভাল থাকায় পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি।
নগরীর সালেমা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আজাদুর ইসলাম বলেন, ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূূূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনে ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১৩ লাখ ৬ হাজার ৩৩৩ জন এবং পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১২ লাখ ৯২ হাজার ৮৩৮ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছে ৩১ জন। জেলায় মোট ৮৭৩টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৯৮৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৮৭৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, পাঁচ হাজার ১৮ জন সহকারী প্রিজাইডিং এবং ১০ হাজার পোলিং অফিসার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত