শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ০২:৩২, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

অস্ত্র-গুলির ছড়াছড়ি

সাখাওয়াত কাওসার
প্রিন্ট ভার্সন
অস্ত্র-গুলির ছড়াছড়ি

একের পর এক অভিযানেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। ঘরে কিংবা ঘরের বাইরে সর্বত্রই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ। নানা অজুহাতে সমাজে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অপরাধীরা। হামলে পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। মাঝে মাঝেই ব্যবহার হচ্ছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়া মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই অনেকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। সন্ত্রাসীদের নিশানা থেকে বাদ যাচ্ছেন না খোদ পুলিশ সদস্যরাও। একের পর এক ঘটনায় উৎকণ্ঠা-উদ্বিগ্নতা ভর করছে সব শ্রেণির মানুষের মাঝে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রচুর অবৈধ অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। এখনো উদ্ধার হয়নি পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লুণ্ঠিত অস্ত্র-গোলাবারুদ। আবার চিহ্নিত অপরাধীদের অনেকেই বর্তমানে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের আশ্রয়ে রয়েছেন। তাই পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা স্বাভাবিক চেহারায় না ফেরা পর্যন্ত স্বস্তি ফিরবে না সমাজে। চলমান পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পুলিশ বাহিনী পুরোদমে কাজ শুরু করেছে। শুধু নির্বাচন নয়, যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ বাহিনী। তবে ভিন্ন কথা বলেছেন অপরাধ বিশ্লেষক ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট  সোসাইটির উপদেষ্টা নূর খান লিটন। গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, পুলিশ এখনো ঘুরে দাঁড়াতে না পারায় সুযোগটা নিচ্ছে অপরাধীরা। আবার সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে কাজ করলেও তাদের মধ্যে এক ধরনের জড়তা কাজ করছে। এ কারণে কোনো এলাকায় সেনাবাহিনী গেলেও সেখানকার মানুষ ধাক্কাধাক্কি করছে তাদের সামনে। এসব কারণে সাধারণ মানুষ এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্বলতা প্রকাশ করার সুযোগ নেই। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উচিত হবে আইনের আলোকে তাদের আরও কঠোর হওয়ার। কারণ, অবস্থা অনেক পাল্টেছে। সমন্বিত অভিযান জরুরি হয়ে পড়ছে। ‘অপরাধী যেই হোক, অপরাধ করে পার পাওয়া যায় না’ সমাজে এ বার্তাটা দেওয়া উচিত। নরসিংদী সদরের পাঁচদোনা বাজার এলাকার একটি মাঠে ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন ছাত্রদল নেতা হুমায়ুন কবীর (২৬)-সহ কয়েকজন। রাত ১১টার দিকে এলাকার পরিচিত দুই যুবক কথা বলার জন্য হুমায়ুনকে মাছের আড়ত মসজিদের দিকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপরই গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে এগিয়ে যান মাঠেই থাকা তার ভাতিজা তন্ময়সহ অন্যরা। এ সময় তাদের লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। তবে সেগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। গুলিবিদ্ধ হুমায়ুনকে রাত পৌনে ১২টার দিকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হুমায়ুন কবীর ওই গ্রামের একরামুল হকের ছেলে এবং মেহেরপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। চিকিৎসকরা বলেছেন, নিহতের বুকে ও মাথায় গুলি করা হয়।

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে শনিবার রুহুল আমিন রুবেল (৩৮) নামে এক পুলিশ সদস্যের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। গুলি করার পর তাকে পানিতে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুলিবিদ্ধ রুহুল একজন পুলিশ কনস্টেবল। তিনি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানায় কর্মরত ছিলেন। মানসিক সমস্যার কারণে কয়েক মাস ধরে ছুটি নিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছেন। রুহুল আমিনের বাবা আবদুল হক বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতিবেশী চুন্নুর পরিবারের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। এর মধ্যে শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার ছেলে বাড়ির পাশের মাচায় বসে ছিলেন। এ সময় চুন্নু, তার ছোট ভাই মানিক, বাবু, আওয়ামী লীগ নেতা ইমামপুর গ্রামের তাইফুরসহ আরও কয়েকজন অতর্কিতভাবে তার ছেলের ওপর হামলা চালায়। প্রথমে তারা তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করলে দুটি গুলি গায়ে লাগে। তাকে পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনার খবর পেয়েছিলাম। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

ওপরের দুই নৃশংস ঘটনাই ঘটেছে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে। তবে এ ধরনের ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। ৭ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর কদমতলী ও বাড্ডা এলাকায় পৃথক দুটি ঘটনায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলছে, কদমতলী এলাকায় একটি রড তৈরির কারখানার দুই নিরাপত্তাকর্মী মো. মনির (৪৫) ও মো. আল আমিন (৪০) দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন। বাড্ডায় গুলিতে আহত হয়েছেন সাইফুল ইসলাম (৩২) নামের এক নিরাপত্তা কর্মী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) রেজাউল করিম মল্লিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি প্রতিরোধে স্পেশাল টিম গঠন করা হয়েছে। আপনারা শিগগরিই এর ফলাফল দেখতে পাবেন।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর বিভিন্ন থানা-ফাঁড়িসহ পুলিশের নানান স্থাপনা থেকে ৫ হাজার ৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। গোলাবারুদ লুট হয় ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯টি। লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র-গোলাবারুদের মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের রাইফেল, এসএমজি (স্মল মেশিনগান), এলএমজি (লাইট মেশিনগান), পিস্তল, শটগান, গ্যাসগান, কাঁদানে গ্যাস লঞ্চার, কাঁদানে গ্যাসের শেল, কাঁদানে গ্যাসের স্প্রে, সাউন্ড গ্রেনেড ও বিভিন্ন বোরের গুলি। লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারে গত ৪ সেপ্টেম্বর যৌথ অভিযান শুরু হয়। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, এই অভিযানে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৫১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৪৫৬টি গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, গত ২১ ডিসেম্বর শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে খুলনা রূপসা উপজেলার জয়পুর বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন সাব্বির হোসেন (২৫)। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তি সেখানে আসেন। তাদের দেখে সাব্বির দৌড় দেন। তখন দুর্বৃত্তরা ধাওয়া করে তাকে লক্ষ্য করে একটি গুলি ছোড়ে। লুটিয়ে পড়েন সাব্বির। স্থানীয় লোকজন দুর্বৃত্তদের ধাওয়া দিলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ সাব্বির জয়পুর গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। তিনি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) ইনামুল হক সাগর বলেন, প্রতিটি ঘটনা পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িতদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারেও সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, এদেশের প্রেক্ষাপটে অপরাধ পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়, তবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। মাঠ পর্যায়ে এখনো পুলিশের রয়েছে সমন্বয়হীনতা। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অপরাধের ধরন সবসময় একই মাত্রায় থাকে না। অপরাধ যেভাবেই ঘটুক না কেন পুলিশের কাজ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখা। পুলিশ সেই কাজটিই করছে।

৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর প্রায় প্রতিদিনই নানা দাবিদাওয়া নিয়ে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও মিছিলসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি রাজধানীসহ সারা দেশে দেখা গেছে। এসব কর্মসূচির বাইরে বিভিন্ন পক্ষ জড়িয়েছে সংঘর্ষ-সংঘাতেও। এ সময় এসব বিশৃঙ্খলা, সংঘাত ঠেকাতে কঠোর অভিযানে যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়াতে প্রতিটি থানায় পুলিশ, ছাত্র-জনতা ও নাগরিকদের সমন্বয়ে করা হচ্ছে মতবিনিময় সভা। এসব বিষয় নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কঠোর হওয়ায় কিছুদিন শান্ত থাকলেও ফের উত্তপ্ত হতে দেখা গেছে বিভিন্ন গ্রুপকে। এসব ঘটনা কেন্দ্র করে ফের জড়িয়েছে সংঘর্ষে, ঘটেছে হতাহতের ঘটনা। এ ছাড়া ছিনতাইকারীদের হাতে নিহত, দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থীদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করেও নিরাপত্তাব্যবস্থা অবনতির কথা উঠে আসছে বিভিন্ন মহল থেকে।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

এই মাত্র | চায়ের দেশ

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব
ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব

২ মিনিট আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কারাবন্দিদের দেখতে যাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড
কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কারাবন্দিদের দেখতে যাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে: মির্জা ফখরুল
বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে: মির্জা ফখরুল

৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার
কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি
দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ

২৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

৪৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল
নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল

৫৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি
মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি

৫৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে
ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান
জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু
দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর
ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১
৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই
চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন
কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু
চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন