পর পর দুইদিন কীর্তনখোলা নদী থেকে দুই জনের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিন্তু দুই জনেরই পরিচয় খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। যার কারণে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে।
বরিশাল সদর নৌ-থানার ওসি অসীম কুমার সিকদার বলেন, গত ২৮ আগষ্ট বিকেলে কীর্তনখোলা নদীতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। জিন্সের প্যান্ট ও ছাই রংয়ের গেঞ্জি পরিহিত ওই ব্যক্তির মৃত্যু আনুমানিক ২/৩ দিন পূর্বে হয়েছে। পানিতে থাকায় লাশ ফুলে উঠে বিকৃত হয়ে গেছে। যার কারনে পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। বরিশাল মহানগর পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানায় অপমৃত্যুর মামলা করে লাশের ময়না তদন্ত করা হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারন বলা যাবে জানিয়ে ওসি বলেন, শনিবার দিনগত রাতেও কীর্তনখোলা নদীর বরিশাল নৌ-বন্দর পল্টুন এলাকায় ভাসমান অবস্থায় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আনুমানিক ৩২ বছর বয়সী ওই যুবকের পড়নে একটি কালো রংয়ের শার্ট ও ট্রাইজার। দুই তিন দিন পূর্বের লাশটি ফুলে বিকৃত হয়ে ছিলো। যার কারনে পরিচয়ও শনাক্ত করা যায়নি। মৃত্যুর কারন জানতে ময়না তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
ময়না তদন্তের পর উভয় লাশ আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে দুই লাশ অন্য কোথাও থেকে ভেসে এসেছে। যার কারনে কোন স্বজন খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিডি প্রতিদিন/এএম