শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

থমকে গেছে ঋণসহায়তা কমিটির কার্যক্রম

পাঁচ মাসে নিষ্পত্তি হয়নি একটি আবেদনও
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
থমকে গেছে ঋণসহায়তা কমিটির কার্যক্রম

দেশের বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক গঠিত বিশেষ কমিটির কার্যক্রম কার্যত থমকে গেছে। গত পাঁচ মাসে ১ হাজার ২৫৩টি আবেদন জমা পড়লেও এখনো একটি আবেদনও চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি। কমিটির অগ্রগতি এতটাই ধীর যে, এখন পর্যন্ত যাচাইবাছাই সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ১০০টি ফাইলের। এ দীর্ঘসূত্রতা শিল্প খাতের জন্য ভয়াবহ সংকট ডেকে আনছে। বহু শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হাজারো শ্রমিক-কর্মচারী চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন। এমন বাস্তবতায় ঋণসহায়তার ধীরগতি এখন জাতীয় অর্থনীতির জন্য বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০ কোটি টাকার বেশি অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি গ্রাহকদের যাচাই করে নীতিসহায়তা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে। উদ্দেশ্য ছিল প্রকৃত সমস্যায় পড়া শিল্পগোষ্ঠীগুলোকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে ব্যবসায় টিকিয়ে রাখা, যাতে উৎপাদন অব্যাহত থাকে এবং কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আদায় ঠিক থাকে। কমিটির আহ্বানে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই জমা পড়ে ১ হাজার ২৫৩টি আবেদন, যা প্রমাণ করে শিল্প খাতের সংকট কতটা গভীরে। কিন্তু এ আবেদন যাচাইবাছাইয়ের গতিতে হতাশা প্রকাশ করছেন উদ্যোক্তারা। মাত্র ছয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা, যা স্পষ্টভাবে অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রতিচ্ছবি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইএমএফের শর্তে ঋণ পরিশোধের মেয়াদ তিন মাসে নামিয়ে আনার কারণে অনেক উদ্যোক্তা অনিচ্ছাকৃতভাবে খেলাপিতে পরিণত হচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গঠিত কমিটি গত পাঁচ মাসে মাত্র ১৩টি বৈঠক করেছে। এ সময়ে তারা ১০০টি ফাইল যাচাইবাছাই করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠিয়েছে চূড়ান্ত পর্যালোচনার জন্য। কিন্তু এখনো কোনো ব্যাংক তা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করতে পারেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও কমিটির সদস্য সচিব শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা ১০০টির বেশি কেস বাছাই করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠিয়েছি। এখন ব্যাংক ও গ্রাহক শর্তপূরণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। বাকি কেসগুলো দ্রুত যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।’ বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অনেক গ্রাহক কমিটির দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করেননি। কেউ কেউ খেলাপি না হয়েও ঋণ পুনর্গঠনের জন্য আবেদন করেছেন। আবার কিছু গ্রাহক চাহিদা অনুযায়ী প্রমাণাদি জমা দেননি। এতে যাচাইবাছাইয়ে সময় লাগছে। অন্যদিকে, আবেদনকারীরা বলছেন, চরম মন্দা ও আর্থিক সংকটে দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে তাদের পক্ষে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘হাজারের বেশি আবেদন একটি কমিটির পক্ষে যাচাই করা কঠিন। তাই কমিটির সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তা করা হচ্ছে। আমরা চাই প্রকৃত খেলাপিরা যাতে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘দেড় দশকের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে অনেক ঋণ এতদিন ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল। এখন তা নিরীক্ষায় প্রকাশ পাচ্ছে। তবে যারা ন্যায়সংগত কারণে খেলাপি হয়েছেন, তাদের জন্য নীতিগত সহায়তা দিতে চাই।’

অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা মনে করেন, সময়মতো সিদ্ধান্ত না নিলে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান মুখথুবড়ে পড়বে। এর প্রভাব সরাসরি কর্মসংস্থান, আয়, রপ্তানি ও রাজস্ব আদায়ে পড়বে। তারা বলেন, একদিকে আইএমএফের চাপ, অন্যদিকে দেশীয় বাজারের অনিশ্চয়তার মাঝখানে বিপর্যস্ত উদ্যোক্তাদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত ছাড়া বিকল্প নেই।

জাতীয় অর্থনীতির জন্য অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের সহায়তা এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশের শিল্প খাতের টেকসই বিকাশে এ ধীরগতি দ্রুত নিরসন করতে না পারলে তা অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশ ব্যাংক যদি সত্যিই সংকট নিরসনে আন্তরিক হয়, তাহলে শুধু পর্যালোচনায় নয়; দ্রুত, স্বচ্ছ ও বাস্তবভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণ করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান মতে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। চলতি বছরের   মার্চ শেষে খেলাপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ।

বড় ঋণ পুনর্গঠন কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক : বড় ঋণগ্রহীতাদের অনিচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণ পুনর্গঠন ও নীতিসহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে গঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঁচ সদস্যের বিশেষ কমিটি নেতৃত্ব সংকটে পড়েছে। কমিটির প্রথম আহ্বায়ক ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক। তিনি এখন রাজশাহী অফিসে বদলি হয়েছেন। তাঁর স্থলে এখন দায়িত্ব পালন করছেন নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম। কিন্তু সাবেক আহ্বায়ক মেজবাউল হকের বিরুদ্ধে রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার আলামত নষ্ট করার গুরুতর অভিযোগ। সিআইডির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে দায় চিহ্নিত হয়েছে, যা প্রশ্ন তুলেছে গুরুত্বপূর্ণ একটি নীতিসহায়তা কমিটির নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়েই। বর্তমানে কমিটির সদস্যরা হলেন- আহ্বায়ক বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম; সদস্য হিসেবে রয়েছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. দেলোয়ার হোসেন, অর্থনীতিবিদ মামুন রশিদ; ব্যবসায়ী প্রতিনিধি হক বে কোম্পানির আবদুল হক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের পরিচালক শাহরিয়ার সিদ্দিকী রয়েছেন সদস্য সচিব হিসেবে। কমিটির মেয়াদ নির্ধারিত না হলেও প্রতি মাসে সর্বোচ্চ দুটি সভায় অংশ নিয়ে ভাতা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

সিআইডির অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় তৎকালীন উপমহাব্যবস্থাপক মেজবাউল হক গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট করেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি দুই বিদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে চুরির ঘটনাস্থলে নিয়ে যান এবং বেআইনিভাবে তাদের দিয়ে ‘ক্রাইম সিন’ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করান। এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ডিজিটাল আলামত বিনষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনার ৩৯ দিন পর, ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলা এখন সিআইডির তদন্তাধীন। সিআইডির প্রতিবেদনে তৎকালীন গভর্নরসহ অন্তত ১২ জন কর্মকর্তার দায়িত্বে গাফিলতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন মেজবাউল হক। ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়।

সাবেক আহ্বায়ক মেজবাউল হকের বিরুদ্ধে শুধু রিজার্ভ চুরির আলামত নষ্ট নয়, বরং আরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর অনুমোদন প্রদান নিয়ে অনিয়ম; ‘বিনিময়’ অ্যাপ চালু করে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের আস্থা অর্জনের চেষ্টা; ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন পদে থেকে স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ। এসব অভিযোগ মিলে তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটি আদৌ স্বচ্ছভাবে কাজ করেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঋণসহায়তা কমিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া অনভিপ্রেত ছিল। এতে প্রকৃত অনিচ্ছাকৃত খেলাপিরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন, আর প্রভাবশালীরা সুযোগ নিতে পারেন। এ ধরনের কমিটিতে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তির পেশাগত সততা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা থাকা জরুরি। একই সঙ্গে তারা পরামর্শ দিয়েছেন, একদিকে যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তারা সহায়তা পান, অন্যদিকে ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রাখা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

৪৯ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার
কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি
দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ

১২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

৩২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল
নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল

৩৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি
মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি

৪০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে
ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান
জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু
দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর
ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১
৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই
চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন
কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু
চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?
গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন
সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন