শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:১০, মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

লাইফ সাপোর্টে রাজধানী

হাসান ইমন ও ইমরান রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
লাইফ সাপোর্টে রাজধানী

রাজধানী ঢাকা এখন বহুমুখী সংকটে জর্জরিত। দুই সিটি করপোরেশনের পাড়ামহল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, মাদকের প্রকাশ্য কেনাবেচা। আর রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়া চাঁদাবাজির বিষবাষ্পে সাধারণ মানুষের জীবন এখন ওষ্ঠাগত। প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থাকা এই অপরাধ সিন্ডিকেটগুলো দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা থাকলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ভিন্ন। একই সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশার দাপট, আবর্জনার স্তূপ আর মশার উপদ্রবে জনজীবন অতিষ্ঠ হলেও ওয়ার্ড অফিসগুলোতে সহজে মিলছে না নাগরিক সেবা। উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর দীর্ঘসূত্রতা সাধারণ মানুষের ভোগান্তিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এসব সমস্যায় জর্জরিত দুই সিটি এখন লাইফ সাপোর্টে।

অলিগলিতে কিশোর গ্যাং এর রাজত্ব : যতই দিন যাচ্ছে আরও বেপরোয়া ও হিংস্র হয়ে উঠছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। অলিগলিতে এরা এখন মূর্তিমান আতঙ্ক। সর্বত্র চলছে তাদের অঘোষিত রাজত্ব। ছিনতাই থেকে শুরু করে খুনোখুনি, মাদকের ব্যবসা এমনকি চাঁদাবাজিতেও ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের প্রতিযোগিতা চলছে। তাদের হাত থেকে পথচারী থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, কেউই রেহাই পাচ্ছেন না।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য বলছে, ঢাকায় ১১৮টি গ্যাং রয়েছে। যাদের সদস্য সংখ্যা কয়েক হাজার। এলাকা হিসেবে মোহাম্মদপুরে ১৬টি, পল্লবীতে ১৪টি, দারুস সালাম ও বনানীতে ছয়টি করে গ্যাং দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অলিগলিতে আতঙ্ক ছড়ানো গ্যাংগুলোর কাছে দেশি ধারালো অস্ত্র থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রও রয়েছে।

মাদকে সয়লাব ঢাকা, বেড়েছে গডফাদার : সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যে উঠে এসেছে, ঢাকায় ২৩১ জন মাদকের গডফাদার রয়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ী রয়েছে ১ হাজার ১০২ জন ও খুচরা ব্যবসায়ী ২ হাজার ৪৮৯ জন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৪ সালে সারা দেশে ২ কোটি ২৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অথচ ২০২৫ সালে সারা দেশে ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ৮১১ পিস ইয়াবা। অর্থাৎ ইয়াবার চালান বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি, যেগুলোর বেশির ভাগেরই গন্তব্য ছিল রাজধানী ঢাকা। শুধু ইয়াবাই নয়, গাঁজা, হেরোইন, কোকেন, কুশ, আইস, ফেনসিডিলসহ সব ধরনের মাদকই হাত বাড়ালেই মিলছে। বিভিন্ন পার্ক ও ফ্লাইওভারের নিচে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে এসব মাদক।

কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য

উঠতে বসতে চাঁদা, অতিষ্ঠ নগরবাসী : রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর এক বাসিন্দা জানান, তার বাড়ির কাজ করানোর জন্য ট্রাক ভর্তি ইট ও বালু আনা হলে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর ভাতিজা সেই ট্রাক থেকে মালামাল নামাতে বাধা দেন। চাঁদা দাবি করেন, দেড় লাখ টাকা। সেই সঙ্গে ইট, বালু, সিমেন্ট ও রড তাদের মাধ্যমে নিতে বলেন। শুধু নির্মাণ নয়, ফুটপাতে দোকান বসানো, অটোরিকশা পরিচালনা, ঝুট কাপড়ের ব্যবসা, বাস-ট্রাকের অবৈধ পার্কিং, ময়লার ব্যবসা, ডিশ ব্যবসা, ভাঙারির দোকান পরিচালনা, সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা কাঁচাবাজারগুলো চাঁদাবাজির অন্যতম খাত হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে, যেন উঠতে বসতে চাঁদা দিতে হবে নগরবাসীকে। ডিএমপির বিশেষ অভিযান শুরুর প্রথম ৫ দিনেই ২১০ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু এখনো চাঁদাবাজদের বড় কোনো গডফাদার গ্রেপ্তার না হওয়া নিয়ে জনমনে প্রশ্ন জাগতে শুরু হয়েছে। জানতে চাইলে ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ থেকে শুরু করে মাদকের লাগাম টানতে আমাদের বিশেষ অভিযান জোরদার রয়েছে। এ ছাড়া টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। নিয়মিত চেক পোস্ট পরিচালনা, ব্লক রেইড, সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। অপরাধ করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

সড়কে ইজিবাইক ও অটোরিকশার দৌরাত্ম্য : রাজধানীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে ইজিবাইক ও অটোরিকশার দৌরাত্ম্য বেড়েই চলছে। শুধু ঢাকাতেই বর্তমানে ১২ থেকে ১৫ লাখ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। গত এক বছরে এ সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। আর গ্যারেজের সংখ্যা ১৫ হাজারেরও বেশি। সবচেয়ে বেশি ৯ শতাধিক গ্যারেজ রয়েছে কামরাঙ্গীরচরে। এর পরই রয়েছে মোহাম্মদপুর, উত্তরা, মিরপুর, রামপুরা ও বাড্ডায়। এসব গ্যারেজের মধ্যে কিছু আবার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করা হচ্ছে অটোরিকশা।

নানা সমস্যায় বেহাল সিটি করপোরেশন : সিটি করপোরেশনে কাউন্সিলর না থাকায় ওয়ার্ড অফিসগুলো যেন ভূতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, উত্তরাধিকার সনদ, চারিত্রিক সনদ এবং নাগরিকত্ব সনদের মতো জরুরি ১৪ ধরনের সেবা পেতে নাগরিকদের মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আগে যেখানে কাউন্সিলরের এক স্বাক্ষরই যথেষ্ট ছিল, এখন সেখানে প্রশাসনের নিয়োগকৃত কর্মকর্তাদের পেছনে ছুটতে হচ্ছে। একই সঙ্গে নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এখন কেবল প্রধান সড়কগুলোতেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অলিগলি থেকে নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় ডাস্টবিনগুলো উপচে ময়লা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ছে। তীব্র গরমে এসব পচা আবর্জনার দুর্গন্ধে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে। বিশেষ করে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের অনেক বর্ধিত এলাকায় মাসের পর মাস ড্রেন পরিষ্কার না করায় ময়লা জমে পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। আসন্ন বর্ষার আগে ড্রেনগুলো সংস্কার করা না হলে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন নগরবাসী।

এ ছাড়া দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকলেও সিটি করপোরেশনগুলোর মশক নিধন কার্যক্রম কার্যত কাগজ-কলমে সীমাবদ্ধ। আগে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নিয়মিত ফগার মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিটানো হলেও এখন তা মাঝেমধ্যে দেখা যায়। ফগিং এবং লার্ভিসাইডিং কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ায় মশার উপদ্রব বহু গুণ বেড়ে গেছে। অনেক করপোরেশনের গুদামে পর্যাপ্ত মশার ওষুধ থাকলেও তা প্রয়োগের প্রয়োজনীয় জনবল বা তদারকি নেই। এ ছাড়া রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ফুটপাত মেরামতের কয়েক শ প্রকল্প এখন মাঝপথে থেমে আছে। বর্তমানে সামান্য বৃষ্টিতেই রাজধানীর অনেক এলাকা এখন পানিতে তলিয়ে যায়, যা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতারই বহিঃপ্রকাশ। এ ছাড়া এতদিন হকাররা ফুটপাতে থাকলেও এখন তাদের রাস্তায় বসাচ্ছে সিটি করপোরেশন। ফলে সড়কে যানজটের তীব্রতা বেড়েছে। একই সঙ্গে সড়কগুলোতে স্ট্রিট পার্কিং ইজারা দিয়েছে সিটি করপোরেশন।

জানতে চাইলে নগর বিশেষজ্ঞ ও আইপিডির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও স্থানীয় কাউন্সিলর না থাকা এবং শক্তিশালী কমিউনিটি না থাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষ করে প্রকাশ্য ছিনতাই ও মাদক বিক্রি, এলাকায় কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি বেড়েছে কয়েক গুণ। আর এগুলোর নেপথ্যে রয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশনের সেবাও তলানিতে ঠেকেছে। নাগরিক সেবা, বর্জ্যব্যবস্থাপনা, মশার উপদ্রুব ও জলাবদ্ধতার আকার বেড়েছে। আর ইজিবাইক ও অটোরিকশা এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ অবস্থা নিরসনে তিনি বলেন, পুলিশি টহল বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটি বা সোসাইটিও শক্তিশালী হতে হবে। এ ছাড়া সরকারের ইউনিট অর্থাৎ দ্রুত জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি থাকার ফলে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। পাশাপাশি নাগরিক সেবাও বৃদ্ধি পায়। সার্বিক বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে আমাদের কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি মনিটরিং টিমও রয়েছে। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো লার্ভা জরিপ শুরু করেছে দক্ষিণ সিটি। এ জরিপ হাতে এলে আমরা কার্যক্রম আরও জোড়ালো করতে পারব। তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন কর্মীদের এরই মধ্যে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, কোনো রাস্তা যেন অপরিষ্কার না থাকে। তবে পাশাপাশি নাগরিকদেরও আরও সচেতন হতে হবে। অটোরিকশা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এটার একটা নীতিমালা মন্ত্রণলায় তৈরি করছে। নীতিমালা হয়ে গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই কর্মকর্তা আরও বলেন, হকার শৃঙ্খলায় আনতে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

এই বিভাগের আরও খবর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
পবিত্র আশুরা আজ
পবিত্র আশুরা আজ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দিনদুপুরে চার খুন
দিনদুপুরে চার খুন
সর্বশেষ খবর
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ
রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ
দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস
শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর
ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন
বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা
সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা
কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

৩০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

৩৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী
মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী

৪০ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা
দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা

৪১ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি
ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা
‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ
উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

৫৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি
২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে ৪ জনের মৃত্যু
চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে ৪ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ বাঁশিতে হতাশ ইরান, বিশ্বকাপে বাঁচার শেষ আশা যেভাবে এখন অন্যদের হাতে
শেষ বাঁশিতে হতাশ ইরান, বিশ্বকাপে বাঁচার শেষ আশা যেভাবে এখন অন্যদের হাতে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক