শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৭:১৮
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ১১:২৮
প্রিন্ট করুন printer

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত নাইজার

অনলাইন ডেস্ক

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত নাইজার
ফাইল ছবি

আফ্রিকার দেশ নাইজারে চলমান বিদ্রোহ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে প্রথমবারের মতো শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা পরিবর্তনের লক্ষ্যে আগামী রবিবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, বিশ্বের দরিদ্রতম দেশটি ৬০ বছর আগে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর থেকে নির্বাচিত নেতারা কখনো ক্ষমতা হস্তান্তর করেননি। দেশটিতে সর্বশেষ অভ্যুত্থানটি ঘটেছিল এক দশক আগে। তখন থেকে ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট মহামাদু ইসুফু নির্বাচিত উত্তরসূরির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করার ঘোষণার পর থেকে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। 

প্রেসিডেন্ট ইসুফু বলেন, ‘আমার সুদৃঢ় আকাঙ্খা হলো ২০২১ সালে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত উত্তরসূরির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের এই ঘটনা হবে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।’

ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে ইসুফুর এ ঘোষণার প্রশংসা করেছেন। তিনি একে ‘গণতন্ত্রের উদাহরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-ইভস লো ড্রিয়ান বলেছেন, ২৭ ডিসেম্বরের নির্বাচন হবে সমগ্র আফ্রিকার জন্য মানদণ্ড স্বরূপ। তবে অনেকেই সেনাবাহিনীর কর্তৃত্ববাদী ভূমিকার কথা মনে রেখে সংশয়ের ইঙ্গিত করেছেন।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৯
প্রিন্ট করুন printer

হামাসকে আয়রন ডোমের তথ্য দেয়ায় একজনকে আটক করলো ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক

হামাসকে আয়রন ডোমের তথ্য দেয়ায় একজনকে আটক করলো ইসরায়েল
ইসরায়েলের আয়রন ডোম

দখলদার ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোমের বিভিন্ন অবস্থানের তথ্য ফাঁসের অভিযোগে একজনকে আটকের দাবি করেছে তেল আবিব।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বিষয়ক দপ্তর জানিয়েছে, তারা ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সঙ্গে সম্পর্কিত এক ব্যক্তিকে আটক করেছে যিনি হামাসকে আয়রন ডোমের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করেছেন।

ইসরায়েলি নিউজ চ্যানেল আই-টুয়েন্টিফোর বলছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আয়রন ডোম সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ ও তা পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

নিউজ চ্যানেলের তথ্য মতে, আটক ব্যক্তির নাম মুহাম্মাদ আবু আদরু এবং তার বয়স ৪৩ বছর। তিনি দখলদার ইসরায়েলের দক্ষিণের রাহুফুত শহরের বাসিন্দা।

একটি সূত্র বলছে, হামাসকে উসকানি দিতেই এ ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েল তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা আয়রন ডোমকে অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন বলে দাবি করলেও হামাসের রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪১
প্রিন্ট করুন printer

সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ পাকিস্তান ধূসর তালিকাতেই

অনলাইন ডেস্ক

সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ পাকিস্তান ধূসর তালিকাতেই
প্রেস ব্রিফিংয়ে এফএটিএফের সভাপতি ড. মার্কাস প্লেয়ের

সন্ত্রাস দমন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলো পাকিস্তান। তাই আপাতত সন্ত্রাসী কাজকর্মে অর্থনৈতিক জোগানের ওপর নজরদারি চালানো সংগঠন ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) ধূসর তালিকাতেই থাকছে পাকিস্তান। সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তান কতটা সক্রিয়, তা যাচাই করতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠকে বসেছিল সংগঠনের কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার সেখানেই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন বলেছে, ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ সত্ত্বেও পাকিস্তানকে জুন পর্যন্ত ধূসর তালিকায় রেখেছে এএফএটিএফ। এফএটিএফের চার দিনের ভার্চুয়াল প্লেনারি বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার প্যারিসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এএফএটিএফের সভাপতি ড. মার্কাস প্লেয়ের এই ঘোষণা দেন।


এএফএটিএফ জানিয়েছে, সন্ত্রাসে আর্থিক মদত বন্ধ করতে যে যে পদক্ষেপ করা উচিত, তাতে পাকিস্তানের তরফে ঘাটতি রয়ে গেছে। তাই তাদের গতিবিধির ওপর আগামী দিনেও বাড়তি নজরদারি চলবে। অর্থাৎ ধূসর তালিকা থেকে এখনই অব্যাহতি পাচ্ছে না পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুন মাসে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করে এফএটিএফ। সেসময় ইসলামাবাদকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, ২০১৯ শেষ হওয়ার আগে দেশের মাটিতে মাথাচাড়া দেওয়া সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির আর্থিক জোগান বন্ধ করতে পদক্ষেপ করতে হবে তাদের। কিন্তু ২০১৯ শেষের দিকে সারাবিশ্বে দেখা দেয় করোনা প্রকোপ। ফলে পাকিস্তানকে দেওয়া সময়সীমার মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়। 

সম্প্রতি ভার্চুয়াল মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও, সন্ত্রাসদমনে পাকিস্তানের ভূমিকায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি সংস্থার কেউই। যে কারণে এফএটিএফ-এর প্রেসিডেন্ট মার্কাস প্লেয়ের বলেন, ‘সন্ত্রাসী কাজকর্মে আর্থিক জোগান বন্ধ করায় পাকিস্তানের কমতি রয়ে গেছে। তাই আগামী দিনেও বাড়তি নজরদারি থাকবে তাদের ওপর।’

সন্ত্রাস দমেন পাকিস্তানকে ২৭টি পয়েন্ট বেঁধে দিয়েছিল এফএটিএফ। এর মধ্যে বেশ কিছু পূরণ করতে পারলেও, তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্তপূরণ অধরাই ধেকে গেছে বলেও জানান মার্কাস। 

তিনি জানান, জাতিসংঘ দ্বারা ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে এখনও তেমন কড়া পদক্ষেপ করে উঠতে পারেনি পাকিস্তান। তাদের দেওয়া সময়সীমার মেয়াদও পেরিয়েছে। কেন এই ঢিলেমি, কোথায়, কী সমস্যা হচ্ছে, তা যত শিগগির সম্ভব জানাতে হবে পাকিস্তানকে। সন্ত্রাসবাদীদের কড়া সাজা দিতে হবে সে দেশের আদালতকে।  

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:০৬
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:১১
প্রিন্ট করুন printer

ইরাকে আবারও মার্কিন বাহিনীর দু'টি গাড়ি বহরে হামলা

অনলাইন ডেস্ক

ইরাকে আবারও মার্কিন বাহিনীর দু'টি গাড়ি বহরে হামলা
ইরাকে মার্কিন সেনা

ইরাকে মার্কিন সেনাবাহিনীর লজিস্টিক ইকুইপমেন্ট বহনকারী আরও দু'টি গাড়ি বহরে হামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাগদাদ ও বাবেল প্রদেশে আলাদা দু'টি গাড়ি বহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

তবে এখন পর্যন্ত নতুন এই হামলার বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি আমেরিকা। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনও এর দায় স্বীকার করেনি।

ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সামরিক বহরে হামলার ঘটনা সম্প্রতি বেড়েছে। ইরাকের জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো সেদেশে মার্কিন সেনা উপস্থিতির বিরোধিতা করছে। তারা সেদেশ থেকে অবিলম্বে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার চায়।

এর আগে ইরাকের সংসদ মার্কিন সেনা বহিষ্কারের বিষয়ে একটি বিল অনুমোদন করেছে।

ইরাকের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ নুরি আল মালিকি সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, সেদেশে বিদেশি সেনাদের কোনো প্রয়োজন নেই।ইরাকে তৎপর জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর প্রতি মার্কিন বাহিনী সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৩৫
প্রিন্ট করুন printer

নিজের বেতন ৭ কোটি টাকা কমিয়ে কর্মীদের বিপুল বেতন বৃদ্ধি!

অনলাইন ডেস্ক

নিজের বেতন ৭ কোটি টাকা কমিয়ে কর্মীদের বিপুল বেতন বৃদ্ধি!
ড্যান প্রাইস

সরকারি হোক বা বেসরকারি। বেতন নিয়ে কর্মচারীদের অভিযোগের যেন কোনও শেষ নেই। কিন্তু এমন একটি সংস্থা রয়েছে যেখানে না চাইতেই কর্মীদের বিপুল বেতন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাও আবার এই কোভিড আবহেই।

যা করতে গিয়ে সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও নিজের বেতন কমিয়ে দিয়েছেন অনেকটাই! সংস্থা থেকে প্রতি বছরে কর্মচারীদের সমান বেতন নিচ্ছেন তিনিও! সংস্থাটির নাম গ্রাভিটি পেমেন্টস। আর কর্মীবান্ধব এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে সারা বিশ্বের নজরে এসেছেন সংস্থার সিইও ড্যান প্রাইস।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে গ্রাভিটি পেমেন্টস সংস্থা চালু করেন তিনি। তখন তিনি কলেজে পড়েন। কলেজের একটি ঘর থেকেই শুরু হয়েছিল গ্রাভিটি পেমেন্টস-এর যাত্রা। গ্রাভিটি পেমেন্টস একটি ক্রেডিট কার্ড প্রসেসিং সংস্থা। ২০০৪ সালে ড্যান প্রাইস এবং তার ভাই লুকাস সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন।

মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় ক্রেডিট কার্ড সংস্থায় পরিণত হয় এটি। সংস্থাটির গ্রাহকের সংখ্যা এখন ১৫ হাজারেরও বেশি। ওয়াশিংটনের বালার্ডে রয়েছে এর সদর দফতর। প্রায় দুইশ’ কর্মী কাজ করেন এই সংস্থায়।

২০১৫ সালে ছোট্ট এই সংস্থাটি সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যখন এর সিইও ড্যান তার সংস্থার প্রত্যেক কর্মীর বেতন অন্তত ৭০ হাজার ডলার করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ২০১৯ সালে প্রত্যেক কর্মীর বেতন ১০ হাজার ডলার বাড়িয়ে দেন তিনি। প্রতি বছরই এ ভাবে মাইনে বৃদ্ধি পাচ্ছে কর্মীদের।

২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিটি কর্মীর বেতন বছরে অন্তত ৭০ হাজার ডলার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ড্যান। কঠিন সময়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির আবহে যাতে কোনও কর্মচারীকেই সমস্যায় না পড়তে হয় তার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিইও ড্যান। এর জন্য ড্যান নিজের বার্ষিক বেতন কমিয়ে এনেছেন অনেকটাই।

ড্যান আগে বছরে সংস্থা থেকে ১০ লাখ ডলার মাইনে নিতেন। এখন তিনি বছরে মাত্র ৭০ হাজার ডলার বেতন নেন। অর্থাৎ ৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার। ড্যানের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারেননি সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং তার ভাই লুকাস। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে আইনি লড়াইও চলেছে।

তবে দু’ভাইয়ের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও এই সিদ্ধান্তে আখেরে সংস্থার লাভ হয়েছে অনেকটাই। ২০১৪ সালে যা লাভ করছিল সংস্থাটি ওই ঘোষণার পর তা দ্বিগুণ হয়ে যায়। ২০২০ সালে করোনা মহামারির প্রভাব পড়ার আগে পর্যন্ত প্রতি মাসে ৪০ লাখ ডলার আয় করেছিল সংস্থাটি।

ড্যানের এখন বয়স ৩৬ বছর। ৩১ বছরেই ড্যান কোটিপতি হয়ে গিয়েছিলেন। তার মতে, যে সমস্ত ধনকুবের নিজেদের আয়ের সামান্য অংশ দান করেন বা হয়তো নিজের নামে কোনও হাসপাতাল বানান, বেশির ভাগই কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এমন করে থাকেন। তিনি যে সে পথে হাঁটেত নারাজ তা জানান তিনি।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:২১
প্রিন্ট করুন printer

ইরানবিরোধী চাপ প্রয়োগের নীতি ব্যর্থতার স্বীকার করলো আমেরিকা

অনলাইন ডেস্ক

ইরানবিরোধী চাপ প্রয়োগের নীতি ব্যর্থতার স্বীকার করলো আমেরিকা
নেড প্রাইস

ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি ব্যর্থ হয়েছে বলে স্বীকার করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এরপরও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুসৃত নীতি থেকে সরে আসার সুস্পষ্ট কোনো অবস্থান ঘোষণা করেনি আমেরিকার নতুন সরকার।

বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, যে সমস্ত লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তার একটিও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

প্রাইস বলেন, “আমি মনে করি-আপনি যখন সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির দিকে নজর দেবেন তখন আপনাকে শুধুমাত্র একটি উপসংহারে আসতে হবে এবং সেটি হচ্ছে এ নীতি ব্যর্থ হয়েছে।” 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আরো বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল একটি ভালো চুক্তি সই করার লক্ষ্য নিয়ে, ইরান এবং তার মিত্রদের ভয় দেখানোর জন্য এবং আমেরিকার স্বার্থ ভালো অবস্থানে নেয়ার জন্য। কিন্তু এর একটিও অর্জন করা যায়নি বরং বিপরীতটাই সত্য। গত চার বছরে আমরা ভালো একটি চুক্তি করার কাছাকাছি যেতে পারিনি। এজন্য আমেরিকা এখন সুস্পষ্ট কূটনীতির পথ বেছে নিচ্ছে।” 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর