Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:১১

সিরিয়ায় সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে আমেরিকা

সিরিয়ায় সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে আমেরিকা
সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত ইদলিবের একটি ভবন —এএফপি

সিরিয়ার বিদ্রোহী অধ্যুষিত ইদলিবে যদি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড গতকাল  জানিয়েছেন, এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সামরিক বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলেও সম্ভাব্য সামরিক সামলার ক্ষেত্রে কি কি করার আছে সে বিষয়ে ট্রাম্পকে জানানো হয়েছে। রয়টার্স লিখেছে, বর্তমানে ভারত সফররত জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান।

ডানফোর্ড সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এটা নিয়মিত কাজের অংশ। আমরা প্রেসিডেন্টকে জানিয়ে রাখতে চাই সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে। তিনি চান, আমরা যেন সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও প্রস্তুত থাকি। আমরা সেই অনুযায়ী তাকে আমাদের সামরিক সক্ষমতার বিষয়ে ধারণা দিয়েছি।’ তবে ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তা স্পষ্ট করেননি ডানফোর্ড। তাছাড়া, মার্কিন গোয়েন্দারা সিরিয়ার রাসায়নিক ব্যবহার করার কোনো আগাম খবর পেয়েছে কি না সে প্রশ্নের উত্তর দিতেও তিনি অস্বীকার করেন। রয়টার্স লিখেছে, রুশ সমর্থিত বাহিনী যদি ইদলিবে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে তাহলে ‘দ্রুত ও ব্যাপক মাত্রায়’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি ২০১৭ ও ২০১৮ সালে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগে সিরিয়ার বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল। সিরিয়ার ইদলিব টিকে থাকা বিদ্রোহীদের সর্বশেষ শক্তিশালী অবস্থান। রাশিয়া ও আসাদ বাহিনী শুক্রবার সেখানে বিমান হামলা চালিয়েছে, যা পূর্ণ হামলার আগে করা হয়ে থাকে। তুরস্কের  প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান মনে করেন, ইদলিবের হামলা ‘নির্বিচার হত্যার দিকে’ মোড় নিতে পারে। জাতিসংঘ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, ইদলিবে হামলা হলে তা চরম মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনবে। এ প্রেক্ষিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট রুহানি ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বৈঠকে বসেছিলেন গত শুক্রবার। অস্ত্রবিরতি চুক্তি বাস্তবায়িত করার উদ্দেশ্য নিয়ে বৈঠক ডাকা হলেও পুতিন ও রুহানি এর বিরুদ্ধে যান। পুতিনের ভাষ্য, ইসলামিক স্টেট ও জাভাত আল নুসরার মতো জঙ্গি সংগঠনগুলোতো আর এই অস্ত্র বিরতির চুক্তি মেনে চলবে না। রুশ সমর্থিত সিরীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকায় সারিন গ্যাস ও ক্লোরিনকে রাসায়নিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে বারংবার। আর বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে সিরিয়া। রয়টার্স


আপনার মন্তব্য