শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

স্কুল খুললেই প্রত্যেক শিক্ষার্থী পাবে এক হাজার টাকা : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

স্কুল খুললেই প্রত্যেক শিক্ষার্থী পাবে এক হাজার টাকা : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন (ফাইল ছবি)

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, ‘‌বিনামূল্যে বইয়ের পর এবার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য জামা, জুতা ও ব্যাগ কিনতে টাকা দিচ্ছে সরকার। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, স্কুল খুললে এক হাজার টাকা করে পাবে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী।’

মুজিববর্ষ উপলক্ষে উপহারের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানিয়ে সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গত সোমবার ভাতা ও উপবৃত্তি বিতরণের উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রথম দফায় ছয় জেলার ৬৫৫টি স্কুলের ৮৬ হাজার ৪৫২ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবককে ফোনের মাধ্যমে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তি এবং শিক্ষা উপকরণ ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চলতি বছর সব মিলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) ‘নগদ’-এর মাধ্যমে এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে ভাতা ও উপবৃত্তি দেবে, প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে বৃত্তি বিতরণে যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঘটনা।

তিনি জানান, করোনার কারণে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার সঙ্গে সঙ্গে নগদ-এর মাধ্যমে এই টাকা শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে যাবে। এছাড়া চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রায় সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থীকে সরকার বিনা মূল্যে বই দিয়েছে। 

এসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম, মো. আফজাল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম, বাংলাদেশ ডাক বিভগের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন এবং ‘নগদ’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, এর আগে বিতরণ পদ্ধতির অস্বচ্ছতা ও দীর্ঘসূত্রীতায় প্রায় এক বছর উপবৃত্তি এবং শিক্ষা উপকরণ ভাতা বিতরণ বন্ধ ছিল। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ ডিসেম্বর ‘নগদ’-এর সঙ্গে চুক্তি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। ‘নগদ’-এর মাধ্যমে বিতরণের ফলে এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং সরকারের খরচ এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসবে।

চুক্তি অনুসারে, শিক্ষার্থী জন্ম সনদ ও শিক্ষার্থীর অভিভাবক মোবাইল নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরসহ নতুন করে তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করা হয়। ফলে ভাতা বিতরণের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে সেটি চলে যাচ্ছে। ভাতার সঙ্গে সঙ্গে তা ক্যাশ-আউট করার খরচও পেয়ে যাচ্ছেন অভিভাবক। ফলে তাদের বাড়তি কোনো খরচই হবে না।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর