Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:২৮
আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:৩৯

জয়ের পাশেই থাকবেন শোভন

অনলাইন ডেস্ক

জয়ের পাশেই থাকবেন শোভন
জয় (বামে) ও শোভন।

নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এরপরই প্রধানমন্ত্রী বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন শোভন-রাব্বানী।

সভাপতির ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বর্তমান কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে। সাধারণ সম্পাদকের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

কমিটি ভেঙে দেওয়ার গুঞ্জনের পর অনেকটাই একঘরে হয়ে পড়েছিলেন শোভন-রাব্বানী। তবে, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন সদ্য পদত্যাগ করা সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

শনিবার রাতেই নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শোভন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে দু’জন একান্তে সংগঠনের বতর্মান সংকট ও সামনের কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেছেন।

রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন গণমাধ্যমকে বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছেন আমরা চেষ্টা করেছিলাম সেটি সঠিকভাবে পালন করতে। আমাদের ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে, আবার আমাদের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্রও ছিল। আমার জায়গা থেকে আমি নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করব ।

আর ছাত্রলীগের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমি আসলে কী প্রতিক্রিয়া দিব বুঝতে পারছি না। তবে, নেত্রী আস্থা রেখে যে দায়িত্ব দিয়েছেন সেটি নিষ্ঠার সাথে পালন করার চেষ্টা করব। আশা করছি সংগঠনকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সবার সহযোগিতা পাব।

আল নাহিয়ান খান জয় সদ্য পদত্যাগী সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সহপাঠী ছিলেন। তারা দু’জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রলীগের কর্মসূচি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জয়ের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হত। ফলে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার বিশেষ অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া, শোভন ও জয়ের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকায় তাদের অনুসারীদের মধ্যে সংঘাতের তেমন কোনও শঙ্কা নেই।

তবে, একাধিক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মনে করেন, কমিটি বহাল রেখে শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। এর ফলে ছাত্রলীগ যে ইমেজ সংকটে পড়েছে সেটি পুনরুদ্ধার করা এত সহজ হবে না। এজন্য নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃত্বকে সংগঠন গোছানোর দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য