শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:০২, মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৮

মানবতায় আমেরিকা প্রবাসীদের একটি উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
মানবতায় আমেরিকা প্রবাসীদের একটি উদ্যোগ

গর্ভধারিনী মা হাসিনা বেগম পুষ্টিকর খাদ্য তথা শাক-সবজি খেতে পারেননি বলে সন্তানের চোখ অন্ধ হতে চলছিল। ৫ বছর বয়সেই সেই সন্তানকে ৭ দফা অস্ত্রোপচারের ভিকটিম হতে হয়। এভাবেই চোখ রক্ষা পেয়েছে নিশ্চিত অন্ধত্ব থেকে। যদিও সেই চোখ কখনোই স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়নি। বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত পরিবারের সেই সন্তানটি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে পিছিয়ে পড়া সমাজের অন্য ছেলে-মেয়েদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার ব্রত গ্রহণ করেছেন। 

বরিশালের সেই সন্তানটি এখন যুক্তরাষ্ট্রে সেরা ভার্সিটিগুলোর অন্যতম কানেকটিকাটে ইয়েল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. এহসান হক তার অবসর-সময় ব্যয় করছেন বাংলাদেশের গরীব পরিবারের শিশু সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য। আর এজন্যে ২০০৩ সালে গঠন করেছেন ‘ডিস্ট্রেসড চিল্ড্রেন এ্যান্ড ইনফ্যান্টস ইন্টারন্যাশনাল’ (ডিসিআই)। এটি ইয়েল ইউনিভার্সিটিরই সেবামূলক একটি প্রকল্পের লাইসেন্স পেয়েছে। এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন ড. এহসান। সাথে রয়েছেন ইয়েলের আরো কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তা-শিক্ষক। 
ড. এহসান গড় দেড় শতকে এই প্রকল্পের ব্যক্তি ঘটিয়েছেন আশানুরূপভাবে। মাসিক ১৫ ডলার করে অনুদান দিচ্ছেন অসংখ্য আমেরিকান। এরমধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ছেলে-মেয়েরাও আছেন। নিলফামারি, পটুয়াখালি, হবিগঞ্জ এবং বৃহত্তর ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ১০ হাজারের বেশী শিশু-কিশোর শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। লেখাপড়ার সুবিধার্থে তারা পোশাক-আশাক এবং তাদের দরিদ্র পিতা-মাতাকেও নানা সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসা-সেবা পাচ্ছে নিয়মিতভাবে এসব শিশু এবং তাদের মা-বাবা-ভাই-বোনেরাও। অর্থাৎ গরিবের চেয়েও গরিব পরিবারের চেহারা পাল্টে দিতে মৌলিক কাজগুলো করছে ডিসিআই। ‘সরেজমিনে প্রত্যক্ষ না করলে বিশ্বাস হবে না ডিসিআইয়ের নিরন্তর-নি:স্বার্থ এই সেবামূলক প্রকল্প। 
ড. এহসান বার্তা সংস্থা ‘এনআরবি নিউজ’কে বললেন, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পিছিয়ে থাকা গরিবের চেয়েও গরিব পরিবারের শিশুদের স্কুলে ভর্তির পর ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত লেখাপড়ার খরচ দিচ্ছি। এরপরও কেউ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে বিশেষভাবে আগ্রহী হয়, তাহলে সেই শিশুর স্পন্সরকে অনুরোধ করি লেখাপড়া অব্যাহত রাখতে। বর্তমানে কমপক্ষে ২৫ জন যাচ্ছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। ড. এহসান বলেন, এই কাজে যারা সম্পৃক্ত তারা খুবই সন্তুষ্ট। মাসিক ১৫ ডলারের বিনিময়ে একজন মানুষের জীবন পাল্টে দিচ্ছেন। সুখকর এমন স্মৃতি খুব কম ক্ষেত্রেই অর্জিত হয় বলে আমি মনে করছি। বিশেষ করে, এই আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারি আমার সন্তানসহ অন্য ছেলে-মেয়েরা, যারা ডিসিআইয়ের সাথে জড়িয়ে পড়েছে, তারা প্রকারান্তরে নিজেদের জীবনকেও সুন্দর করার ভিত রচনা করছেন। 

ড. এহসান উল্লেখ করেন, স্কুল-কলেজগামী সন্তানের অনেক মা-বাবাই সময় দিতে সক্ষম হন না। এরফলে অনেকেই নানাভাবে দিকভ্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু তারা যদি লেখাপড়ার ফাঁকে ডিসিআইয়ের প্রকল্পের সাথে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে অনলাইনে কিংবা অন্যকোনভাবে বাংলাদেশের সেই এতিম, অসহায় শিশু-কিশোরদের সাথে সময় কাটাতে উদ্বুদ্ধ হবেন। ওদের জন্যে আরো ভালো কিছু করতে উৎসাহবোধ করবেন। 

বলার অপেক্ষা রাখে না, আমেরিকায় কর্মজীবনেই শুধু নয়, উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে এক্সট্রা কারিক্যুলামের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের সেবামূলক কাজে অভিজ্ঞতা থাকলে কর্মজীবনে বিশেষ এক স্থানে অধিষ্ঠিত হওয়ায় সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, আত্ম-তৃপ্তি। মানুষের সুন্দর ভবিষ্যত রচনায় সহযোগী হবার মধ্যেকার আনন্দানুভূতির কোন তুলনা নেই। প্রবাসের প্রতিটি সন্তানকেই এমন মানবিকতায় উজ্জীবিত রাখা সম্ভব হয়, তাহলে বাংলাদেশই শুধু লাভবান হবে না, গোটাবিশ্বেই হানাহানি-হাহাকার হ্রাস পাবে। 
ড. এহসান বললেন, প্রতি বছরই ডিসিআইয়ের উদ্যোগে জাতীয় ভিত্তিক একটি সম্মেলন হয় আমেরিকায়। সামনের বছর হবে ইয়েল ইউনিভার্সিটিতেই। সেখানেও ২/৩ শত ছেলে-মেয়ে আসবেন, যারা বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত এবং ভিনদেশীও। এরা ভার্সিটিতে পড়ছেন এবং ডিসিআইয়ের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এভাবেই ডিসিআইয়ের কর্মপরিধি বিস্তৃত হচ্ছে। বাংলাদেশের সীমানা পেড়িয়ে ভারত, নেপাল এবং নিকারাগুয়ায় ঠেঁকেছে। অতি সম্প্রতি কানাডায় ডিসিআইয়ের শাখা গঠিত হলো। সেখানে অতিথি ছিলেন ডিসিআইয়ের শুভেচ্ছা দূত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রনায়িকা ববিতা। কানাডার তরুণ-তরুণীরা এটি পরিচালনা করবেন। সাথে রয়েছেন অভিভাবকেরাও। দরিদ্র এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং তাদের পরিবারের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা কওে ডিসিআই। এসব প্রোগ্রামের মধ্যে সানচাইল্ড স্পন্সরশিপ, ব্লাইন্ডনেস প্রিভেনশন প্রোগ্রাম, হেল্থ ফর আন্ডারপ্রিভিলেজড এবং সান চাইল্ড অরফ্যানেজ উল্যেখযোগ্য।
ড. এহসান বলেন, ডিসিআইয়ের স্বেচ্ছাসেবকরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে গেলেই এয়ারপোর্ট থেকে তাদের অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করে নিরাপদে নির্দিষ্ট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ডিসিআই ছাড়াও তারা যদি সেবামূলক অন্য কোন কাজ করতে চান, তাহলে আগে থেকেই সে ব্যবস্থাও করা হয়। তারা মিশতে পারেন স্পন্সরকৃত শিশু ও তার মা-বাবার সাথে। এমনকি, তারা ঐসব শিশুকে ইংরেজী শেখাতেও ক্লাস নিচ্ছেন। শিশুদের মা-বাবাকে নানাক্ষেত্রে সচেতন করার কথা বলছেন। 
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারলিনায় অবস্থিত ডিউক ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং জনপ্রশাসনের অধ্যাপক ছিলেন ড. এহসানের বাবা এ এন শামসুল হক। এরপর সেখানে থেকে বাংলাদেশে ফিরে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। সেখানে জনপ্রশাসন ডিপার্টমেন্টের জনক ছিলেন। তারপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপনা করেছেন। ড. এহসানের একমাত্র বোন থাকেন বাংলাদেশে। ড. এহসানের জ্যেষ্ঠ কন্যা আসাহি মেডিকেলে পড়ছেন এবং ছোট কন্যা সোফিয়া যাচ্ছেন ইউনিভার্সিটিতে। আসাহি থার্ড গ্রেড থেকেই ডিসিআইয়ের কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। এখন ডিসিআইয়ের বড় একজন সমর্থক ও প্রবক্তা। ড. এহসানের স্ত্রী নীনা হকও নিরন্তরভাবে স্বামীর পাশে রয়েছেন ডিসিআইয়ের সকল কাজে। আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংস্থা হিসেবে ডিসিআই প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইয়েল ইউনিভার্সিটির চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. ব্রায়ান ডিব্রোফ সাথে রয়েছেন। বর্তমানে ড. ব্রায়ানের নেতৃত্বাধীন একটি চক্ষু গবেষণা প্রকল্পে খন্ডকালিন সহযোগী হিসেবে রয়েছেন ড. এহসান। 
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে এমবিবিএস করার পর ঢাকা শিশু হাসপাতালে চাকরি করেন। সে সময়েই উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্যে জাপানে যান। ১৯৯৫ সালে তিনি তার পিএইচডি সম্পন্ন করেন জাপানের আসাহিকাওয়া মেডিকেল ভার্সিটি থেকে। এরপর কানাডায় ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিয়োতে প্রফেসর মরিস কারমেজিনের সাথে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপ করেন ১৯৯৭ সালে। তিনি টরন্টো ইউনিভার্সিটিতেও শিক্ষকতা করেছেন। সর্বত্রই তাকে নানাভাবে বৈষম্যের শিকার হতে হয় দৃষ্টিশক্তি স্বল্পতার কারণে। অবশেষে ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে নিজের অবস্থান পোক্ত হবার পরই দৃষ্টিশক্তি নিয়ে সমস্যায় থাকা গরীব পরিবারের শিশুদের পুনর্বাসিত করার সুযোগ সৃষ্টির এই কার্যক্রমে হাত দেন ড. এহসান। তার এ কার্যক্রমে ববিতার মত উপ-মহাদেশের খ্যাতনামা কন্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনও শুভেচ্ছা দূতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। 
গত দেড় দশকে হাজার হাজার শিশুকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে সহায়তা করার পাশাপাশি এতিম শিশুদের জন্যে স্থায়ী একটি আবাসের চেষ্টা করছেন। ইতিমধ্যেই ৩টি প্লট পেয়েছেন বলে জানান ড. এহসান। ডিসিআইয়ে সম্পৃক্ত ৮৭ হাজার গরীব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়েছে। প্রতিরোধক চিকিৎসা দেয়া হয় ৯১ হাজার গরীবকে। ২৯০০ প্রসূতিকে চিকিৎসা সেবার আওতায় নেয়া হয়। ১৪৭৫ নবজাতক পেয়েছে পুষ্টিকর খাদ্য-সুবিধা। যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকের কাছে থেকে টেলিমেডিসিন পেয়েছেন ৪০৯ জন। 
উপরোক্ত সময়ে ডিসিআইয়ের উদ্যোগে পরিচালিত চক্ষু চিকিৎসা শিবির থেকে বিনামূল্যে উপকৃত হয়েছেন ৫৬ হাজার বাংলাদেশী। ৫৭০০ জনের চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। ১৩৫০০ জনকে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়। ডিসিআই প্রকল্পের শিশুদের ৮ শতাধিক পরিবারকে কৃষিজ সরঞ্জাম দেয়া হয় শস্য উৎপাদনের জন্যে। 
কানাডায় ৩ নভেম্বর ডিসিআই’র কানাডা শাখার ‘চিল্ড্রেন হেল্পিং চিল্ড্রেন’র এর কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ববিতার পাশে বিশেষ অতিথি ছিলেন অন্টারিও প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট সদস্য ডলি বেগম। এবং প্রধান বক্তা ছিলেন ড. এহসান হক।
অনুষ্ঠানে  ‘চিল্ড্রেন হেল্পিং চিল্ড্রেন’ প্রোগ্রামের রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে বক্তব্য রাখে রিহা এবং তাসিন। তারা কীভাবে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরকে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করে তার বিস্তারিত বর্ণনা এবং তাদের প্রচেষ্টা তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শহিদুল হক খন্দকার এবং সাধারণ সম্পাদক সাজেদুন নাহার অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান। "চিলড্রেন হেলপিং চিলড্রেন" এর কর্মসূচি তুলে ধরেন সংস্থাটির মিডিয়া সম্পাদক কাউসার সাহাব। সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মাসুদ হাকিম (কানাডা-ডিসিআই- ট্রেজারার ) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হালিমা আখতার প্রীতি।
এখন চলছে বিনাম্যল্যে চক্ষু-চিকিৎসা শিবির। সর্বশেষ ২৫ ও ২৬ নভেম্বর এটি অনুষ্ঠিত হয় পটুয়াখালিতে। এই আই স্ক্রীনিং ক্যাম্পটি প্রয়াত ‘ফারাজ আয়াজ হোসেন’ এর স্মরণে করা হয়। ফারাজ মানবতার জন্য যে অসম্ভব সাহস ও সর্বোচ্চ আত্মাহুতি দিয়েছেন তা আজ বিশ্ববাসীর জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ২০১৬ সালের পহেলা জুলাই ঢাকায় হোলি আর্টিজান বেকারীতে সন্ত্রাসী আক্রমণের সময় বাংলাদেশি মুসলমান হিসেবে ফারাজকে চলে যাওয়ার জন্যে বল্লেও তিনি তার বন্ধুদের জন্য তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং চরম আত্মাহুতি প্রদানের মাধ্যমে সাহসিকতা, মানবতা ও বন্ধুত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। ডিসিআই এই মূল্যবোধ সারাবিশ্বের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিফলিত করতে চায়। 
ডিসিআই, আরএসসি ও ফারাজ হোসেন ফাউন্ডেশন সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশব্যাপি বিনামূল্যে আই স্ক্রীনিং ক্যাম্পের আয়োজন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫-২৬ নভেম্বর পটুয়াখালির বাউফলের আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে আই স্ক্রীনিং ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।  সুবিধাবঞ্চিত মানুষ অর্থের অভাবে চোখের ছানি অপারেশন, ওষুধ বা চশমার খরচ বহন করতে অক্ষম, তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় এ ক্যাম্পে। ৫৭৯ জন অসহায় মানুষ চক্ষু সেবা গ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ১২৫ জন ছানি রোগী, ১৮৬ জন চশমার রোগী সনাক্ত করা হয় এবং ক্যাম্প হতে ১৪৫ জন রোগীকে চশমা, ৪৫৪ জনকে ঔষধ প্রদান করা হয়। পরবর্তী দিনে তাদের ছানি অপারেশন করা হয়। ৫ ডিসেম্বর এদেরকে চশমা প্রদান করা হবে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস
মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের অভিযানে ৩৬ বাংলাদেশীসহ আটক ১০১
মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের অভিযানে ৩৬ বাংলাদেশীসহ আটক ১০১
নিউ সাউথ ওয়েলস বিএনপির ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
নিউ সাউথ ওয়েলস বিএনপির ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
৬৮তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুত মালয়েশিয়া
৬৮তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুত মালয়েশিয়া
কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা, প্রবাসীদের মিলনমেলা
কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা, প্রবাসীদের মিলনমেলা
৫৯ শতাংশ আমেরিকানই সন্তান লালন-পালনের ব্যয় নির্বাহে ঋণগ্রস্ত
৫৯ শতাংশ আমেরিকানই সন্তান লালন-পালনের ব্যয় নির্বাহে ঋণগ্রস্ত
কানাডায় কোয়ান্টাম ইন্টারনেট গবেষণার নেতৃত্বে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী শরীফ
কানাডায় কোয়ান্টাম ইন্টারনেট গবেষণার নেতৃত্বে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী শরীফ
প্যারিসে বিকশিত নারী সংঘের এক যুগপূর্তি অনুষ্ঠান
প্যারিসে বিকশিত নারী সংঘের এক যুগপূর্তি অনুষ্ঠান
নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হচ্ছেন প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী
নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হচ্ছেন প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী
কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিলে ‘দেশি ড্রেপস’-এর আত্মপ্রকাশ
কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিলে ‘দেশি ড্রেপস’-এর আত্মপ্রকাশ
সর্বশেষ খবর
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

এই মাত্র | পাঁচফোড়ন

মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস
মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস

১ মিনিট আগে | পরবাস

লেবাননে দুই দফা বিমান হামলা ইসরায়েলের
লেবাননে দুই দফা বিমান হামলা ইসরায়েলের

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের সময় পরিবর্তন
বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ১৪৪৫ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ১৪৪৫ মামলা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মায়ের লাশের পাশে কাঁদছিল ২ শিশু, দরজা ভেঙে উদ্ধার
মায়ের লাশের পাশে কাঁদছিল ২ শিশু, দরজা ভেঙে উদ্ধার

২০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

২৯ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য
ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য

৩২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এখনো সংশয় আছে : রিজভী
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এখনো সংশয় আছে : রিজভী

৩৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

চবি এলাকায় ফের শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, আহত প্রো-ভিসি, প্রক্টরসহ অনেকে
চবি এলাকায় ফের শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, আহত প্রো-ভিসি, প্রক্টরসহ অনেকে

৫৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

১৩ মাসে ঢাকা ও আশপাশে ১৬০৪ অবরোধ
১৩ মাসে ঢাকা ও আশপাশে ১৬০৪ অবরোধ

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার
সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান
কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা
মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা
ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা
ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু
গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন
ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩
নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন