শিরোনাম
- গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
- ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
- মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
- সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
- চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
- এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
- বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
- নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
- মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
- কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
- যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
- চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
- সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
- মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে
- সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ
- জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
- শ্রীপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
‘বাংলাদেশ হেরিটেজ মান্থ’ উপলক্ষে নিউইয়র্কে ৪ বাংলাদেশিকে সম্মাননা
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন

বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে চার বাংলাদেশি আমেরিকানকে সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে গত ৭ মার্চ নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের বাসভবনে ‘বাংলাদেশ হেরিটেজ মান্থ’ উদযাপিত হলো।
সিটি মেয়রের বিশেষ সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন রুহিন হোসেন, ডা. শামীম আহমেদ, মনিকা চৌধুরী এবং আব্দুল চৌধুরী।
মেয়র এরিক এডামসের উদ্যোগে শুরু হওয়া বাংলাদেশিদের ঐতিহ্যের মাস উদযাপনের এটি ছিল দ্বিতীয় বার্ষিক অনুষ্ঠান।
কম্যুনিটির বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিত্বকারী আড়াই শতাধিক প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে। আড়াই ঘণ্টার এ অনুষ্ঠানে ছিল ‘জাফরান গ্রীল’র পরিবেশিত বাঙালি রসনায় পরিপূর্ণ নানান ধরনের পিঠা ছাড়াও বিরিয়ানি ও মিষ্টান্ন। আপ্লুত সকলে পছন্দের খাবার গ্রহণের মাধ্যমে।
সিটি মেয়র এরিক এডামস তার বক্তব্যে বহুজাতিক এই সমাজকে আরো বৈচিত্রমণ্ডিত করতে অন্যান্য কম্যুনিটির মতো বাংলাদেশিরাও অপরিসীম অবদান রাখছেন বলে উল্লেখ করেন।
মেয়র বলেন, আমি হচ্ছি ১১০ নম্বর মেয়র এই সিটির। অথচ এর আগে কখনোই সিটিস মেয়রের বাসায় ‘বাংলাদেশ ডে’ অথবা ‘বাংলাদেশ হেরিটেজ মান্থ’ উদযাপিত হয়নি। ঐতিহাসিক বাউলিং গ্রিন পার্কেও ঘটা করে উড্ডিন করা হয়নি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হালাল খাদ্য এবং মসজিদের মাইকে আজান প্রচারের ব্যবস্থাও ছিল না। এখন সবকিছু ঘটছে সগৌরবে বাঙালিদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের আলোকে।
মেয়র তার বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন, আমরা কাউকে বলি না যে তারা ‘আমেরিকান বাংলাদেশি’ অথবা ‘আমেরিকান আফ্রিকান’ কিংবা ‘আমেরিকান জুইশ’, সে স্থলে বলা হচ্ছে ‘বাংলাদেশি আমেরিকান’, ‘আফ্রিকান আমেরিকান’, ‘জুইশ আমেরিকান’, ‘ভারতীয় আমেরিকান’ ইত্যাদি। অর্থাৎ নিজ নিজ মাতৃভূমিকে স্বীকৃতি দিয়েই এই সিটি তথা সমগ্র যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসীদের রক্ত-ঘামকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। মেয়র এই সিটির উন্নয়ন অভিযাত্রায় বাঙালিদের মেধা আর শ্রম বিনিয়োগেরও প্রশংসা করেছেন।
সিটি মেয়রের চিফ এডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মীর বাশারের নির্দেশনা ও সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল মো. নাজমুল হুদা, নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলিওম্যান জেনিফার রাজকুমার, মেয়রের চিফ এডভাইজার ইংগ্রিড ল্যুইস-মারটিন বক্তব্য রাখেন। ভারতীয় আমেরিকান জেনিফার রাজকুমার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন এবং দু’বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের অনুরোধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি উপলক্ষে স্টেট পার্লামেন্টে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করে একটি রেজ্যুলেশন পাশের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। জেনিফার নিজেকে বাঙালি জনগোষ্ঠীর বিশ্বস্ত একজন প্রতিনিধি হিসেবেও উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে মেয়র এরিক এডামসের ইমিগ্র্যান্ট-কম্যুনিটির জন্য দরদি মনোভাবেরও প্রশংসা করেছেন জেনিফার।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল মো. নাজমুল হুদা তার বক্তব্য শুরু করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে। একইসঙ্গে তিনি স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং সম্ভ্রম হারানো দুই লাখের অধিক নারীকে। কন্সাল জেনারেল জাতীয় চারনেতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কথাও স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, এই সিটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা তাদের আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের মধ্য দিয়ে প্রকারান্তরে আমেরিকাকে আরো সমৃদ্ধশালী করতেও অবদান রেখে চলেছেন। নাজমুল হুদা সিটি মেয়রকে ধন্যবাদ জানান বাঙালি ঐতিহ্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করায়।
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ
এই বিভাগের আরও খবর