Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ আগস্ট, ২০১৯ ২১:৩৫

অন্ধ হয়েও জিপিএ-৫ পেয়েছেন শাকিল ও রাফি

অন্ধ হয়েও জিপিএ-৫ পেয়েছেন শাকিল ও রাফি

চোখের আলো না থাকলেও চেষ্টা আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে স্বপ্ন পূরণ করা যায়। সেটাই প্রমাণ করলেন চট্টগ্রামের ছাত্র মুহাম্মদ শাকিল খান। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও এই তরুণ এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। পূরণ করেছেন নিজের ও পরিবারের স্বপ্ন। এ নিয়ে গণমাধ্যমকে শাকিল বলছিলেন, ‘সারাজীবন স্বপ্ন ছিল বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে কোনো সরকারি কলেজের শিক্ষক হব। এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর মনে হলো, আমার স্বপ্ন পূরণ হয়তো অসম্ভব নয়। এই ফলাফল আমাকে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।’ শাকিলের স্বপ্ন পূরণের পথে তার সঙ্গী হয়ে এসেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আইসিটি বিভাগ, ইউএনডিপি ও ইউএসএইডের মাধ্যমে পরিচালিত এটুআই প্রকল্প। এই প্রকল্পের আইল্যাবের (ইনোভেশন ল্যাবের) উদ্ভাবন মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক সহযোগিতা করছে শাকিলের মতো বহু দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীকে। এটুআই-এর এই উদ্যোগের কথা বলতে গিয়ে শাকিল বলেন, ‘এটুআই-এর প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। এই মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক আসার আগে আমার শিক্ষাগ্রহণটা অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং ছিল। এটি পেয়ে লেখাপড়াটা অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে। এমনও অনেক সময় হয়েছে, আমি শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়েছি, আমার মা এসে ডিভাইসটি নিয়ে গেছেন।’ শাকিলের মতোই আরেকজন দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থী সাইফউদ্দিন রাফি চট্টগ্রামের পটিয়া সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তারও পাঠজীবনের সবচেয়ে বড় সঙ্গী মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক। শুধু এইচএসসিই নয়, এসএসসি পরীক্ষায়ও টকিং বুকের সহযোগিতা নিয়ে তিনি জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। টকিং বুকের উদ্ভাবক ও এটুআই-এর ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ভাস্কর ভট্টাচার্য নিজেও একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।


আপনার মন্তব্য