শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জুলাই, ২০১৯ ২২:২৯

যেভাবে দেশসেরা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড

মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা

যেভাবে দেশসেরা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড এবার এইচএসসিতে দেশসেরা ফলাফল করার রহস্য জানতে চেয়েছিলাম বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবদুস সালামের কাছে। তিনি বললেন, আমরা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ওয়ার্কশপ করেছি, সমস্যা চিহ্নিত করেছি। ফলাফলটাও এসেছে মনের মতো। আমরা অভিভূত। ফলাফলের এমন ধারা বজায় রাখতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড বদ্ধপরিকর।

প্রফেসর সালাম বলেন, এমন ভালো ফলাফল শুধু কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের একক কৃতিত্বের বিষয় নয়, এ কৃতিত্ব শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। আমরা শুধু আমাদের দায়িত্বটা পালন করেছি। আমরা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করেছি। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা পেয়েছি। ফলে আমরা একটি ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর মূলত বিষয়ভিত্তিক ফলাফলে খুব বাজে খারাপ করেছে শিক্ষার্থীরা। তাই আমরা বোর্ডের অধীনে ছয় জেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সমাবেশ করেছি। শিক্ষার্থীরা ইংরেজি আইসিটি ও গণিত বিষয়ে দুর্বল সেভাবে আমরা শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থেকেছি। এটা সত্যি  যে জেলা সদরের তুলনায় মফস্বলের কলেজগুলো ভালো ফলাফল করেছে। যার মধ্যে কুমিল্ল­ার দাউদকান্দির জুরাইন আদর্শ ডিগ্রি কলেজ, বুড়িচংয়ের সোনার বাংলা কলেজ বোর্ডে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। যার কারণ হলো অন্তত আমি কলেজের চেয়ারম্যান হিসেবে মনে করি আমাদের প্রতিটি কলেজে গিয়ে ওয়ার্কশপ করা। ওয়ার্কশপে আমরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে জানতে চেয়েছি  কোন সমস্যাগুলো সমাধান করা জরুরি। আমরা  সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি। সমস্যা সমাধান করেছি। চেয়ারম্যান বলেন, গত কয়েক বছরের খরা কাটিয়ে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড এইচএসচির ফলাফলে একটা অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এসএসসিতেও যেন এমন ভালো ফলাফল করতে পারে সে জন্য চলতি বছরের তুলনায় আগামী বছরগুলোতে ভালো ফলাফলের মাধ্যমে বোর্ড তার অবস্থান অক্ষুণœ রাখতে পারে সে অনুযায়ী ওয়ার্কশপসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত রাখব। এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো ফলাফল অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে একটি সেতুবন্ধ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। সচেতনতাই পারে এমন সেতুবন্ধ মজবুত রাখতে। এমন সচেতনতা যত বেশি সৃষ্টি হবে ফলাফলও তত ভালো হবে। আর শিক্ষা বোর্ড সে সচেতনতাকে তাড়িত করবে মাত্র।


আপনার মন্তব্য