শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২০:২৪
প্রিন্ট করুন printer

মিরপুরে হঠাৎ তামিম-আসিফের তাণ্ডব

অনলাইন ডেস্ক

মিরপুরে হঠাৎ তামিম-আসিফের তাণ্ডব

তামিম ইকবাল ও আসিফ আলীর ব্যাটিং তাণ্ডব। আর এতে দিশেহারা রাজশাহী রয়্যালস। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি সপ্তম আসরের ২৬তম ম্যাচে ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলেছেন ঢাকা প্লাটুনের এ দুই তারকা ব্যাটসম্যান।

দলীয় ৮৪ রানে ৫ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যাওয়া দলকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর উপহার দিতে রীতিমতো তাণ্ডব চালান দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল ও ঢাকা প্লাটুনের হয়ে খেলতে আসা পাকিস্তান জাতীয় দলের তারকা ব্যাটসম্যান আসিফ আলী। 

আসিফ আলী ব্যাটিংয়ে নেমে দলকে ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। একের পর এক বাউন্ডারি হাকান তিনি। ২৮ বলে ৫৫ রান করেন আসিফ আলী আর ৫২ বলে ৬৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তামিম ইকবাল।

সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে যায় ঢাকা প্লাটুন। দলীয় ৩৫ রানে এনামুল হক বিজয় ও ঢাকার ইংলিশ ক্রিকেটার লুইস রিসের উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে যায় প্লাটুন।

দলকে খেলায় ফেরাতে বাড়তি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন ওপেনার তামিম ইকবাল। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান সংগ্রহ ঢাকা প্লাটুন। 

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৭ জানুয়ারি, ২০২০ ১৮:২৯
প্রিন্ট করুন printer

হারেই শেষ হলো সিলেট থান্ডারের বিপিএল মিশন

অনলাইন ডেস্ক

হারেই শেষ হলো সিলেট থান্ডারের বিপিএল মিশন

আশা জাগিয়েও পারলো না সিলেট থান্ডার। শেষ পর্যন্ত হারই সঙ্গী হলো দলটির। বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের কাছে ৫ উইকেটে হার নিয়ে ১২ ম্যাচে ১ জয় সঙ্গী করে বিপিএল মিশন করতে হলো দলটিকে।

সিলেটের দেয়া ১৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে বড়সড় হোঁচট খায় কুমিল্লা। দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার ফারদিন আহমেদকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে কেড়ে নেন নাইম হাসান। এরপর ৩২ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান উপল থারাঙ্গা এবং অঙ্কন।

এরপর ডেভিড মালান এবং সৌম্য সরকারের দায়িত্বশীল ব্যাটে ভর করে কাঙ্খিত লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে থাকে কুমিল্লা। দলীয় ১০৪ রানে মালান অর্ধশতের ইনিংস খেলে ৫৮ রানে বিদায় নিলেও ঝড় অব্যাহত রাখেন সৌম্য। তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতকও। সেই সাথে ইয়াসির আলিকে সাথে নিয়ে ছিনিয়ে আনেন ৫ উইকেটের জয়।

ইনিংস শেষে ৩০ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটসম্যান। সিলেটের হয়ে তিনটি উইকেট নেন নাইম হাসান।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে আবদুল মাজিদের ব্যাটে ভর করে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১৪১ রান তোলে সিলেট থান্ডার।

সিলেটের প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের সবাই যান দুই অঙ্কে। কেউই পারেননি নিজের ইনিংস খুব একটা বড় করতে। ২০ এর বেশি বল খেলা আব্দুল মজিদ, আন্দ্রে ফ্লেচার ও মোহাম্মদ মিঠুন পারেননি দ্রুত রান তুলতে। জনসন চার্লস ও জিবন মেন্ডিসের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের পরও নিজেদের শেষ ইনিংসে সিলেট করতে পারে কেবল ১৪১ রান।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:৩০
প্রিন্ট করুন printer

ছাড়পত্রের অপেক্ষায় মাহমুদুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

ছাড়পত্রের অপেক্ষায় মাহমুদুল্লাহ
ফাইল ছবি

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি সমস্যায় চলমান বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে মাত্র তিন ম্যাচ খেলতে পেরেছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের নিয়মিত অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তবে মঙ্গলবার মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে সুখবর দিলো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স কর্তৃপক্ষ।

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামের মিডিয়া ম্যানেজার জানান, মাহমুদুল্লাহ সুস্থ। তবে বিসিবির ফিজিওর সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় আছেন মাহমুদুল্লাহ। 

তিনি বলেন, ‘মাহমুদুল্লাহ এখন ভালো আছেন। তার খেলার ব্যাপারে ফাইনাল সবুজ সংকেত দিবেন বিসিবির ফিজিও। মাহমুদুল্লাহর আগের যে সমস্যা ছিল সেটি আর নেই। সিলেট পর্বে না হলেও ঢাকায় লিগ পর্বের শেষ দু’টি ম্যাচে আমরা তাকে পাব বলে আশা করছি।’

গেল মাসে ভারতের বিপক্ষে কলকাতার দিবা-রাত্রির টেস্টে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন মাহমুদুল্লাহ। ফলে বিপিএলের শুরুতে প্রথম দু’ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। সুস্থ হবার পর তিন ম্যাচ খেলেন মাহমুদুল্লাহ। তবে গেল ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের মাটিতে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে ম্যাচে পুরনো ইনজুরিতে পড়েন এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। ফলে আবারো মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় তাকে। ফলে চট্টগ্রামের হয়ে এ পর্যন্ত ৬টি ম্যাচ খেলতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ। এমনকি সিলেট পর্বেও মাহমুদুল্লাহকে পাওয়া যাবে না। সিলেট পর্ব শেষে ঢাকায় শেষ পর্বে মাহমুদুল্লাহকে পাবার আশায় চট্টগ্রাম।

মাহমুদুল্লাহ দলের হয়ে ৬ ম্যাচ খেলতে না পারলেও, পয়েন্ট টেবিলে সবার উপরে রয়েছে চট্টগ্রাম। ৯ ম্যাচে ৬ জয় ও ৩ হারে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্রগ্রাম।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:২৩
প্রিন্ট করুন printer

নাটকীয় জয়ে প্লে অফের আশা টিকে থাকল কুমিল্লার

অনলাইন ডেস্ক

নাটকীয় জয়ে প্লে অফের আশা টিকে থাকল কুমিল্লার
ডেভিড মালান (ফাইল ছবি)

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ২৭তম ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে তিন উইকেটের নাটকীয় জয় পেয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৯ রান করে চট্টগ্রাম। জবাবে শেষ বলে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় কুমিল্লা।এই জয়ে প্লে’অফের আশা বেঁচে রইলো কুমিল্লার। ৮ ম্যাচে ৩ জয় ও ৫ হারে ৬ পয়েন্ট কুমিল্লার। অপরদিকে, ৯ ম্যাচে ৬ জয় ও ৩ হারে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নামে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগটা দারুনভাবে কাজে লাগান চট্টগ্রামের দুই ওপেনার ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেন্ডল সিমন্স ও জুনায়েদ সিদ্দিকী। পাওয়া প্লে’তে ওভারপ্রতি ৯ রান নিয়ে স্কোর বোর্ডে ৫৪ রান যোগ করেন তারা। এমনকি দলকে শতরানের স্বাদও দেন এ জুটি। ১১তম ওভারে দলকে তিন অংকে পৌঁছে দেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার।

তবে ১২তম ওভারে এই জুটিকে বিচ্ছিন্ন করেন কুমিল্লার মিডিয়াম পেসার সৌম্য সরকার। ২৮ বলে হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেয়া সিমন্স থামেন ৫৪ রানে। ৩৪ বলের ইনিংসে ৫টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এরপর ধস নামে চট্টগ্রামের ইনিংসে। ১০৩ থেকে ১১৬ রানে পৌঁছাতে আরও ৩ উইকেট হারায় তারা। জুনায়েদ ৬টি চারে ৩৭ বলে ৪৫, ওয়েস্ট ইন্ডিজের চাঁদউইক ওয়ালটন ৯, জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্ল ২ রান করে আউট হন।

১৩ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন প্রথমবারের খেলতে নামা জিয়াউর রহমান। তার ইনিংসই শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামকে লড়াকু পুঁজি এনে দেয়। ৪টি ছক্কায় ২১ বলে অপরাজিত ৩৪ রান করেন জিয়াউর। এতে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৯ রান করে চট্টগ্রাম। কুমিল্লার সৌম্য ২০ রানে ২ উইকেট নেন।

জয়ের জন্য ১৬১ রানের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ওভারেই চারটি চার মারেন কুমিল্লার ওপেনার দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যান জিল। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। চারটি বাউন্ডারিতে ১২ বলে ২২ রান করে চট্টগ্রামের ইংল্যান্ডের পেসার লিয়াম প্লাংকেটের শিকার হন তিনি। এরপর দলের অন্যান্যরাও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। তবে এক প্রান্ত আগলে রানের ফুলঝুড়ি ফুটিয়েছেন দলের অধিনায়ক ইংল্যান্ডের ডেভিড মালান। ৩৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করা মালানের ব্যাটে জয়ের পথ সহজ হয়ে যায় কুমিল্লার। একটা সময় ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ২৪ বলে ২৬ রান দরকার পড়ে কুমিল্লার। কিন্তু খেই হারিয়ে ফেলে কুমিল্লা। ১৭তম ওভারে সাব্বির রহমানকে হারিয়ে ১ রান পায় কুমিল্লা। ১৫ বলে ১৮ রানে থামেন সাব্বির। ১৮তম ওভারে ১ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট তুলে নেন চট্টগ্রামের পেসার রুবেল হোসেন। ফলে শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য ২৪ রানের সমীকরনে পড়ে কুমিল্লা।

১৯তম ওভারে মালানের ১টি চারে ৮ রান পায় দল। এতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দরকার পড়ে কুমিল্লার। বোলার ছিলেন প্লাংকেট। প্রথম বলে ১ রান নেন মালান। ফলে স্ট্রাইক পান আবু হায়দার রনি। দ্বিতীয় বলে চার ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সমীকরণ সহজ করে ফেলেন তিনি। এমন অবস্থায় জয়ের জন্য শেষ ৩ বলে ৫ রান দরকার পড়ে কুমিল্লার। চতুর্থ বলে এক রান আসে। কিন্তু পঞ্চম বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন মালান। ফলে শেষ বলে জিততে ৩ রান লক্ষ্য পায় কুমিল্লা। কিন্তু শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে কুমিল্লাকে দুর্দান্ত জয় এনে দেন মুজিব। 

কুমিল্লার জয়ের ম্যাচে ৫১ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৭৪ রান করেন মালান। রনি ৮ বলে ১টি করে চার-ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ১২ রানে। চট্টগ্রামের রুবেল ১৬ রানে ২ উইকেট নেন।

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:৩০
আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

পাকিস্তানে ফিরে গেছেন আফ্রিদি

অনলাইন ডেস্ক

পাকিস্তানে ফিরে গেছেন আফ্রিদি

হাঁটুতে চোট পাওয়ায় পাকিস্তানে ফিরে গেছেন ঢাকা প্লাটুনের অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। ঢাকা টিম ম্যানেজমেন্ট বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

দ্বিতীয় আসর ছাড়া এখন পর্যন্ত সব টুর্নামেন্টে খেলেছেন শহীদ আফ্রিদি। চোট থেকে সেরে উঠলে ৬ জানুয়ারি বিপিএলে নিজ দলের সঙ্গে তার যোগ দেয়ার সম্ভাবনা আছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের আগে হাঁটুর চোটে লম্বা সময় ভুগেছেন শহীদ আফ্রিদি। চলমান বিপিএলে সেই পুরনো চোট আবারও ভোগাচ্ছে তাকে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:১৬
প্রিন্ট করুন printer

মাহমুদুল্লাহর বিষয়ে সুখবর দিলেন কোচ নিক্সন

অনলাইন ডেস্ক

মাহমুদুল্লাহর বিষয়ে সুখবর দিলেন কোচ নিক্সন
ফাইল ছবি

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে গেল ১৮ ডিসেম্বর থেকে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ ক্রিকেটে দলের হয়ে খেলতে পারছেন না চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের নিয়মিত অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। কিন্তু তাকে নিয়ে সুখবর দিলেন চট্টগ্রাম কোচ পল নিক্সন। 

দলের কোচ ইংল্যান্ডের পল নিক্সন জানান, আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে মাহমুদুল্লাহ’কে পাওয়া যাবে। আগামী মঙ্গলবার ঢাকার পর্বে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না মাহমুদুল্লাহ। এছাড়া সিলেট পর্বে চট্টগ্রামের একটি ম্যাচও মিস করবেন তিনি।

গেল মাসে ভারতের মাটিতে কলকাতায় দিবা-রাত্রির টেস্টে হামেস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ায় টুর্নামেন্টে চট্টগ্রামের প্রথম ও দ্বিতীয় ম্যাচেও খেলতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ। ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে ‘বঙ্গবন্ধু’ বিপিএলে চট্টগ্রামের তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামেন মাহমুদুল্লাহ। এরপর চতুর্থ ও পঞ্চম ম্যাচেও একাদশে ছিলেন মাহমুদুল্লাহ। পঞ্চম ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে ব্যাট করার সময় আবারো হামেস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন তিনি।
মাহমুদুল্লাহর পরিবর্তে চট্টগ্রামের অধিনায়কত্ব সামলাচ্ছেন বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস।

দল মাহমুদুল্লাহকে মিস করছে বলে জানান কোচ নিক্সন, ‘আমার মনে হয় না তাকে পরের ম্যাচগুলোতে পাওয়া যাবে। তবে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে। আগামী ৭ বা ৮ জানুয়ারি তাকে পাওয়া যাবে।’

মাহমুদুল্লাহর প্রশংসা করে নিক্সন বলেন, ‘সে উঁচু মানের অধিনায়ক ও খেলোয়াড়। আমরা তাকে মিস করছি। তবে অধিনায়ককে ছাড়া আমরা জয়ের মধ্যে আছি, এটি বড় অর্জন।’

বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলে এককভাবে শীর্ষে রয়েছে চট্টগ্রাম। ৮ ম্যাচে ৬ জয় ও ২ হারে ১২ পয়েন্ট রয়েছে চট্টগ্রামের।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর