শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৫:০৭
আপডেট : ৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৬:৪০
প্রিন্ট করুন printer

আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেড প্রথমবারের মতো নিয়ে এলো বীমাসেবা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেড প্রথমবারের মতো নিয়ে এলো বীমাসেবা
Google News

বাংলাদেশের প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের সম্বল বলতে তার ভিটেমাটি ও খামারের প্রাণিগুলোই। প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ আমাদের এই দেশে গবাদিপ্রাণির ক্ষয়ক্ষতি বা মৃত্যু নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। প্রাণিসেবা লিমিটেডের উদ্ভাবিত নতুন সেবা ইজি প্যাকেজের লক্ষ্য খামারিদের সেই ঝুঁকি কমিয়ে তাদের জীবন আরো সহজ করে তোলা।

এই প্যাকেজের মাধ্যমে খামারি তার গবাদি প্রাণির কিছু ছবি তুলেই খামার ব্যবস্থাপনাসেবা ছাড়াও পাচ্ছেন বহুল আকাঙ্ক্ষিত প্রাণিবীমা। মুখ স্বীকৃতি (ফেস রিকগনিশন) টেকনোলজির মাধ্যমে প্রাণিবীমার এই ব্যবস্থা বাংলাদেশে প্রথম, এমনকি বিশ্বেও বিরল।

এই বীমাসেবার আওতায় খামারি তার গবাদি প্রাণীর অকালমৃত্যু ও স্থায়ী শারীরিক পঙ্গুত্বের ক্ষতিপূরণ সহজেই পেয়ে থাকেন। বীমাকৃত অর্থগ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদে রাখতে পারবেন তার অমূল্য সম্পদটিকে।

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এবং যান্ত্রিক স্বশিক্ষার (মেশিন লার্নিং) মাধ্যমে মুখ স্বীকৃতি (ফেস রেকগনিশন) প্রযুক্তি ব্যবহারকারী প্রাণিসেবার ইজি প্যাকেজ ইতিমধ্যে পেটেন্টের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের অধীনে আবেদনরত।

এই প্যাকেজটি গরু মোটাতাজাকরণ খামারগুলোর জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। পাশাপাশি দুগ্ধ উৎপাদনকারী খামারিরাও উপকৃত হতে পারবেন।

এ ব্যাপারে প্রাণিসেবার সিইও ফিদা হক বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সর্বশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এনেছি ইজি প্যাকেজ, যার মাধ্যমে গবাদি প্রাণীর খামার, বিশেষ করে মোটাতাজাকরণ খামারগুলো সহজে ও সূলভে প্রাণিবীমা ও খামার ব্যবস্থাপনাসেবা নিতে পারে।

ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘গবাদিপ্রাণি একটি কৃষকের জন্য ব্যয়বহুল সম্পদ। প্রাণিসেবা ইজি প্যাকেজের লক্ষ্য এই ব্যয়বহুল সম্পদের সাথে যুক্ত আর্থিক ঝুঁকি হ্রাস করে নতুন কৃষক উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করা। যা বাংলাদেশে বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো বিস্তৃত করে তুলবে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২৬ কোটি প্রাণিসম্পদকে বীমা সুবিধার আওতায় আনা জরুরি।’

বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি ড. এস এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘গবাদিপ্রাণির অকালমৃত্যু ও পঙ্গুত্বের কারণে খামারিরা বেশ আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। এই ঝুঁকি কাটাতেই প্রাণিসেবার সহজ ও সুলভ ইজি প্যাকেজ কাজ করবে। তাছাড়াও এই প্যাকেজের সুবাদে সঠিক সময়ে ভ্যাক্সিনেশন ও কৃমিনাশক সেবা গ্রহণে খামারি তার গবাদিপ্রাণির অকালমৃত্যু ও রোগবালাই ঠেকাতে পারবেন।’ 

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর